ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লস অ্যাঞ্জেলেস ফ্যাশন উইকে নজর কাড়লেন বাংলাদেশি মডেল রাকিব হাসান টোকিওর আদলে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন করার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর সালাহউদ্দিন |: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই ভূরুঙ্গামারীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ​নাগেশ্বরীতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ডোমারে উদযাপন কাউনিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন   কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‍্যালি তারেক রহমান ও বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত বাহিনী

ভারতের কাছে হেরে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের, ব্যাটিং ব্যর্থতায় আক্ষেপ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানের ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। শুরুটা দারুণ হলেও শেষ পর্যন্ত ভারতের ১৪৯ রানের লক্ষ্য টপকাতে ব্যর্থ হয় বাঘিনীরা।

ম্যাচের শুরুতে সুলতানা খাতুনের হাত ধরে দ্বিতীয় ওভারেই স্মৃতি মান্ধানার উইকেট তুলে নিয়ে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এরপরই ফিল্ডিংয়ে বেশ কিছু সহজ সুযোগ হাতছাড়া হয়, যার বড় মাশুল দিতে হয়েছে দলকে। বিশেষ করে ওপেনার শেফালি ভার্মার ক্যাচ মিস করা ছিল অন্যতম বড় ভুল। দ্বিতীয় ওভারে লং অনে সহজ সুযোগটি কাজে লাগাতে না পারার পর আরও একবার জীবন পান শেফালি। সেই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে তিনি ৪০ বলে ৬৪ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যা ভারতকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। শেষ দিকে হারমনপ্রীত কৌর, রিচা ঘোষ ও দীপ্তি শর্মার ব্যাটে ভর করে ভারত ২০ ওভারে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে।

ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি বলেন, তাদের পরিকল্পনা ছিল ভারতকে ১৩০ থেকে ১৩৫ রানের মধ্যে আটকে রাখা। তিনি মনে করেন, যদি সেই লক্ষ্য পূরণ হতো, তবে ব্যাটিং ইউনিটের জন্য জয়ের সমীকরণ সহজ হতো। জ্যোতির মতে, স্পিনাররা মাঝের ওভারগুলোতে পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করলেও শেষ পাঁচ ওভারে ভারতের ব্যাটাররা দ্রুত রান তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই ছন্দহীন ছিল। জুইরিয়া ফেরদৌস ১৪, দিলারা আক্তার ২১, সোবহানা মোস্তারি ১৮ এবং অধিনায়ক জ্যোতি নিজে ১৯ রান করলেও বড় কোনো জুটি গড়তে পারেননি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের ফলে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৯ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

ব্যাটিং ব্যর্থতাকে হারের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে জ্যোতি বলেন, গত দুই ম্যাচে যারা রান পেয়েছিলেন, তারা এই ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছেন। রানের এই অধারাবাহিকতাই দলের ভোগান্তির মূল কারণ। এছাড়া উইকেট কিছুটা ধীর গতির হওয়ায় ব্যাট করা সহজ ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে ফিল্ডিংয়ের ভুল নিয়ে খুব একটা অভিযোগ না করে তিনি দাবি করেন, এই ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের মান বোলিং ও ব্যাটিংয়ের চেয়ে ভালো ছিল।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সেমিফাইনালেও ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও ফিল্ডিং ও ব্যাটিংয়ের ব্যর্থতায় এবারও সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হলো জ্যোতিদের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘আমরা ওদের ১৩০ রানের মধ্যে আটকে রাখার কথা ভেবেছিলাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপর বাংলাদেশের সামনে ছিল ১৫০ রানের লক্ষ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত ২ ম্যাচে যারা রান করেছে এবার তারা রান পায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু সুযোগগুলো কাজে লাগানো যায়নি, পরে ব্যাটিংয়েও এল একের পর এক ব্যর্থতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে বাস্তবতা বলছে, ফিল্ডিংয়ের ভুল কম ভোগায়নি বাংলাদেশকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সবচেয়ে বড় আফসোস ওপেনার শেফালি ভার্মা একাধিকবার সুযোগ পেয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শেফালি ভার্মা কয়েকটা সুযোগ পেয়ে একাই ধসিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত কয়েক ম্যাচে যেভাবে বোলিং-ফিল্ডিং করেছি… তবে সেটা হয়নি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারতের কাছে হেরে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের, ব্যাটিং ব্যর্থতায় আক্ষেপ

আপডেট সময় : ১২:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানের ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। শুরুটা দারুণ হলেও শেষ পর্যন্ত ভারতের ১৪৯ রানের লক্ষ্য টপকাতে ব্যর্থ হয় বাঘিনীরা।

ম্যাচের শুরুতে সুলতানা খাতুনের হাত ধরে দ্বিতীয় ওভারেই স্মৃতি মান্ধানার উইকেট তুলে নিয়ে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এরপরই ফিল্ডিংয়ে বেশ কিছু সহজ সুযোগ হাতছাড়া হয়, যার বড় মাশুল দিতে হয়েছে দলকে। বিশেষ করে ওপেনার শেফালি ভার্মার ক্যাচ মিস করা ছিল অন্যতম বড় ভুল। দ্বিতীয় ওভারে লং অনে সহজ সুযোগটি কাজে লাগাতে না পারার পর আরও একবার জীবন পান শেফালি। সেই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে তিনি ৪০ বলে ৬৪ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যা ভারতকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। শেষ দিকে হারমনপ্রীত কৌর, রিচা ঘোষ ও দীপ্তি শর্মার ব্যাটে ভর করে ভারত ২০ ওভারে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে।

ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি বলেন, তাদের পরিকল্পনা ছিল ভারতকে ১৩০ থেকে ১৩৫ রানের মধ্যে আটকে রাখা। তিনি মনে করেন, যদি সেই লক্ষ্য পূরণ হতো, তবে ব্যাটিং ইউনিটের জন্য জয়ের সমীকরণ সহজ হতো। জ্যোতির মতে, স্পিনাররা মাঝের ওভারগুলোতে পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করলেও শেষ পাঁচ ওভারে ভারতের ব্যাটাররা দ্রুত রান তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরু থেকেই ছন্দহীন ছিল। জুইরিয়া ফেরদৌস ১৪, দিলারা আক্তার ২১, সোবহানা মোস্তারি ১৮ এবং অধিনায়ক জ্যোতি নিজে ১৯ রান করলেও বড় কোনো জুটি গড়তে পারেননি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের ফলে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৯ রানেই থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

ব্যাটিং ব্যর্থতাকে হারের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে জ্যোতি বলেন, গত দুই ম্যাচে যারা রান পেয়েছিলেন, তারা এই ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছেন। রানের এই অধারাবাহিকতাই দলের ভোগান্তির মূল কারণ। এছাড়া উইকেট কিছুটা ধীর গতির হওয়ায় ব্যাট করা সহজ ছিল না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে ফিল্ডিংয়ের ভুল নিয়ে খুব একটা অভিযোগ না করে তিনি দাবি করেন, এই ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের মান বোলিং ও ব্যাটিংয়ের চেয়ে ভালো ছিল।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সেমিফাইনালেও ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও ফিল্ডিং ও ব্যাটিংয়ের ব্যর্থতায় এবারও সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হলো জ্যোতিদের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘আমরা ওদের ১৩০ রানের মধ্যে আটকে রাখার কথা ভেবেছিলাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপর বাংলাদেশের সামনে ছিল ১৫০ রানের লক্ষ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত ২ ম্যাচে যারা রান করেছে এবার তারা রান পায়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু সুযোগগুলো কাজে লাগানো যায়নি, পরে ব্যাটিংয়েও এল একের পর এক ব্যর্থতা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে বাস্তবতা বলছে, ফিল্ডিংয়ের ভুল কম ভোগায়নি বাংলাদেশকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সবচেয়ে বড় আফসোস ওপেনার শেফালি ভার্মা একাধিকবার সুযোগ পেয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শেফালি ভার্মা কয়েকটা সুযোগ পেয়ে একাই ধসিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত কয়েক ম্যাচে যেভাবে বোলিং-ফিল্ডিং করেছি… তবে সেটা হয়নি।

Facebook Comments Box