ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভালুকায় সেলুন ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করে মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ সুন্দরবনে দস্যুদের সাথে বন্দুকযুদ্ধ, জিম্মি থেকে ৫ জেলে উদ্ধার বকেয়া বেতনের দাবিতে চালডাল কর্মীদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহায়তা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান উখিয়ায় নলকূপ খননের সময় অগ্নিকাণ্ড: নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনী আইজিপি’র ‘ক্রসফায়ার’ সম্পর্কিত বক্তব্যের অপব্যাখ্যা অপরাধীদের উৎসাহিত করবে সৌদির রাস তানুরা তেল শোধনাগারে হামলার দাবি হুতিদের দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪০০ ছাড়াল নওগাঁয় শ্যালিকাকে বিয়ে, যুবক ও দুই স্ত্রীর মুখে চুনকালি দিয়ে গ্রামছাড়া সীতাকুণ্ডে লরির ধাক্কায় বাসের ৫ যাত্রী নিহত

লোহিত সাগরে হুতিদের অবরোধের হুমকি, তেলের বাজারে বড় অস্থিরতা

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লোহিত সাগরে হুতিদের অবরোধের হুমকি, তেলের বাজারে বড় অস্থিরতা

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে বাব আল-মান্দেব প্রণালি অবরোধের হুমকি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক তেলের বাজার ইতিমধ্যেই বড় ধরনের অস্থিরতার মুখে রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কারণে তেলবাহী জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার পর হুতিদের এই নতুন হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

যদিও হুতিরা এখন পর্যন্ত তাদের ঘোষিত অবরোধ কার্যকর করতে পারেনি, তবে এই হুমকির কারণে কিছু জাহাজ লোহিত সাগর ছেড়ে দক্ষিণমুখী যাত্রা বাতিল করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, হুতিরা যদি কার্যকরভাবে বাব আল-মান্দেব প্রণালি অবরোধ করতে সক্ষম হয়, তবে ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে নতুন একটি যুদ্ধফ্রন্ট তৈরি হতে পারে।

পড়ুন>>ভূমি প্রশাসনে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ৫০ বিসিএস কর্মকর্তা

 

এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন ফ্রন্টে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে হতে পারে, যা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার মার্কিন সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। এছাড়া এই হুমকির কারণে ইউরোপে সৌদির ডিজেল রপ্তানিও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

চলতি মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০ ডলারের বেশি বেড়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) দাম সাময়িকভাবে ৯৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা জুনের শুরু থেকে সর্বোচ্চ। বাব আল-মান্দেব পথ অকার্যকর হয়ে গেলে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথের প্রস্থ সবচেয়ে সরু অংশে মাত্র ১৪ মাইল, যা হরমুজের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ সংকীর্ণ। তথ্য বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬২ লাখ ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়েছে।

সৌদি আরব বর্তমানে যুদ্ধের কারণে তাদের বিশাল ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ব্যবহার করে লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়ানবু বন্দরে তেল পাঠাচ্ছে। আরবিসি ক্যাপিটাল মার্কেটসের বৈশ্বিক কৌশল বিভাগের প্রধান হেলিমা ক্রফট জানান, সৌদি প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল এই বিকল্প পথে সরিয়ে নিচ্ছে।

পড়ুন>> নিয়মিত রাতের খাবার বাদ দিলে শরীরে দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিদিন ৪০ লাখ ব্যারেল তেল বাজার থেকে হারিয়ে গেলে তার প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর হবে। পিকারিং এনার্জি পার্টনারসের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ড্যান পিকারিংয়ের মতে, বাব আল-মান্দেব পুরোপুরি অবরুদ্ধ হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি আরও ৫ থেকে ১০ ডলার বাড়তে পারে, ফলে দাম সহজেই ১০০ ডলার অতিক্রম করবে।

 

লিপো অয়েল অ্যাসোসিয়েটসের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ডি লিপোভের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ লাখ ব্যারেল সৌদি তেল ইয়ানবু বন্দর থেকে বাব আল-মান্দেব হয়ে রপ্তানি করা হয়। এই সরবরাহ সংকটে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এছাড়া কেপলারের অপরিশোধিত তেল বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান হোমায়ুন ফালাকশাহি জানান, ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন সৌদি শোধনাগারগুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল ডিজেল সুয়েজ খাল হয়ে ইউরোপে যায়, যা এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

গত মঙ্গলবার হুতিরা সৌদি জাহাজগুলোর উদ্দেশে বেতার বার্তায় লোহিত সাগর এড়িয়ে চলার সতর্কতা দেয়। সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান উইন্ডওয়ার্ড ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, ঘোষণার পর অন্তত পাঁচটি তেলবাহী জাহাজ মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে। এছাড়া ইয়ানবু বন্দর থেকে চীনের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একটি তেলবাহী ট্যাংকারও ইয়েমেন উপকূলের কাছে হুতিদের হুমকির মুখে ফিরে গেছে বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন এক ফর্চুন ৫০০ কোম্পানির ঝুঁকি ব্যবস্থাপক।

আরও পড়ুন>>রায়পুরে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মালয়েশিয়া প্রবাসীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে বলেন, হুতিরা যদি আরও বড় ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ করতে পারে। বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দর অবরোধ ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সচল রাখার কাজে ব্যস্ত রয়েছে। জুন মাসের মাঝামাঝি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের পর হরমুজ দিয়ে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৭০টি জাহাজ চললেও বর্তমানে তা হাতে গোনা কয়েকটি জাহাজে নেমে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে একই সঙ্গে হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকট মোকাবিলা করতে হলে তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

লোহিত সাগরে হুতিদের অবরোধের হুমকি, তেলের বাজারে বড় অস্থিরতা

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

লোহিত সাগরে হুতিদের অবরোধের হুমকি, তেলের বাজারে বড় অস্থিরতা

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে বাব আল-মান্দেব প্রণালি অবরোধের হুমকি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক তেলের বাজার ইতিমধ্যেই বড় ধরনের অস্থিরতার মুখে রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কারণে তেলবাহী জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার পর হুতিদের এই নতুন হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

যদিও হুতিরা এখন পর্যন্ত তাদের ঘোষিত অবরোধ কার্যকর করতে পারেনি, তবে এই হুমকির কারণে কিছু জাহাজ লোহিত সাগর ছেড়ে দক্ষিণমুখী যাত্রা বাতিল করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, হুতিরা যদি কার্যকরভাবে বাব আল-মান্দেব প্রণালি অবরোধ করতে সক্ষম হয়, তবে ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে নতুন একটি যুদ্ধফ্রন্ট তৈরি হতে পারে।

পড়ুন>>ভূমি প্রশাসনে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ৫০ বিসিএস কর্মকর্তা

 

এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন ফ্রন্টে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে হতে পারে, যা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার মার্কিন সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। এছাড়া এই হুমকির কারণে ইউরোপে সৌদির ডিজেল রপ্তানিও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

চলতি মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০ ডলারের বেশি বেড়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) দাম সাময়িকভাবে ৯৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা জুনের শুরু থেকে সর্বোচ্চ। বাব আল-মান্দেব পথ অকার্যকর হয়ে গেলে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথের প্রস্থ সবচেয়ে সরু অংশে মাত্র ১৪ মাইল, যা হরমুজের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ সংকীর্ণ। তথ্য বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬২ লাখ ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়েছে।

সৌদি আরব বর্তমানে যুদ্ধের কারণে তাদের বিশাল ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন ব্যবহার করে লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়ানবু বন্দরে তেল পাঠাচ্ছে। আরবিসি ক্যাপিটাল মার্কেটসের বৈশ্বিক কৌশল বিভাগের প্রধান হেলিমা ক্রফট জানান, সৌদি প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল এই বিকল্প পথে সরিয়ে নিচ্ছে।

পড়ুন>> নিয়মিত রাতের খাবার বাদ দিলে শরীরে দেখা দিতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিদিন ৪০ লাখ ব্যারেল তেল বাজার থেকে হারিয়ে গেলে তার প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর হবে। পিকারিং এনার্জি পার্টনারসের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ড্যান পিকারিংয়ের মতে, বাব আল-মান্দেব পুরোপুরি অবরুদ্ধ হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি আরও ৫ থেকে ১০ ডলার বাড়তে পারে, ফলে দাম সহজেই ১০০ ডলার অতিক্রম করবে।

 

লিপো অয়েল অ্যাসোসিয়েটসের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ডি লিপোভের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ লাখ ব্যারেল সৌদি তেল ইয়ানবু বন্দর থেকে বাব আল-মান্দেব হয়ে রপ্তানি করা হয়। এই সরবরাহ সংকটে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এছাড়া কেপলারের অপরিশোধিত তেল বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান হোমায়ুন ফালাকশাহি জানান, ইয়েমেন সীমান্তসংলগ্ন সৌদি শোধনাগারগুলো থেকে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল ডিজেল সুয়েজ খাল হয়ে ইউরোপে যায়, যা এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

গত মঙ্গলবার হুতিরা সৌদি জাহাজগুলোর উদ্দেশে বেতার বার্তায় লোহিত সাগর এড়িয়ে চলার সতর্কতা দেয়। সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান উইন্ডওয়ার্ড ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, ঘোষণার পর অন্তত পাঁচটি তেলবাহী জাহাজ মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে। এছাড়া ইয়ানবু বন্দর থেকে চীনের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একটি তেলবাহী ট্যাংকারও ইয়েমেন উপকূলের কাছে হুতিদের হুমকির মুখে ফিরে গেছে বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন এক ফর্চুন ৫০০ কোম্পানির ঝুঁকি ব্যবস্থাপক।

আরও পড়ুন>>রায়পুরে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে মালয়েশিয়া প্রবাসীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে বলেন, হুতিরা যদি আরও বড় ধরনের পদক্ষেপ নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ করতে পারে। বর্তমানে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দর অবরোধ ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সচল রাখার কাজে ব্যস্ত রয়েছে। জুন মাসের মাঝামাঝি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের পর হরমুজ দিয়ে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৭০টি জাহাজ চললেও বর্তমানে তা হাতে গোনা কয়েকটি জাহাজে নেমে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রকে একই সঙ্গে হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকট মোকাবিলা করতে হলে তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।

 

Facebook Comments Box