ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল জরুরি চুয়েটে ক্লাস শুরু নিয়ে বিভাগীয় প্রধানদের ভিন্নমত কেপটাউন টেস্টে মিচেল স্টার্কের বোলিং তাণ্ডব: ৩২৯ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সফটওয়্যার প্রোগ্রামার নিয়োগ: আবেদনের সুযোগ ভালুকায় সেলুন ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করে মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ সুন্দরবনে দস্যুদের সাথে বন্দুকযুদ্ধ, জিম্মি থেকে ৫ জেলে উদ্ধার বকেয়া বেতনের দাবিতে চালডাল কর্মীদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহায়তা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান উখিয়ায় নলকূপ খননের সময় অগ্নিকাণ্ড: নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনী

তীব্র গরমে তাড়াশে তালশাঁসের চাহিদা বেড়েছে 

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) থেকে রফিকুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ৩২৯৫১ বার পড়া হয়েছে

তীব্র গরমে তাড়াশে সড়কের পাশে তালশাঁসের পসরা।

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

তীব্র গরমে তাড়াশে তালশাঁসের চাহিদা বেড়েছে

 

 

​
তীব্র গরমে তাড়াশে তালশাঁসের চাহিদা বেড়েছে।
চলতি মৌসুমের তীব্র গরম ও চলমান তাপপ্রবাহে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় কচি তালের শাঁসের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রচণ্ড গরমে একটু স্বস্তি পেতে সব বয়সী মানুষ ভীড় করছেন তালের শাঁসের দোকানগুলোতে। ফলে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কের পাশে অস্থায়ী দোকানগুলোতে এখন তালের শাঁস বিক্রির ধুম পড়েছে।

​

 

 

সরেজমিনে তাড়াশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশেষ করে তাড়াশ-নিমগাছী আঞ্চলিক সড়কের খাদ্য গুদাম মোড়, তাড়াশ পৌর শহর, নওগাঁ বাজার এবং রানীরহাট এলাকায় রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকান পেতে বসেছেন বিক্রেতারা। এসব দোকানে পাইকারি ও খুচরা—দুই ধরনের ক্রেতারই উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় চাহিদার পাশাপাশি অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী এখান থেকে পাইকারি দরে কচি তাল কিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছেন।

​

 

 

তাড়াশের স্থানীয় তালশাঁস বিক্রেতা আমির হোসেন জানান, গরম বাড়ার সাথে সাথে তালের শাঁসের চাহিদাও বহুগুণ বেড়ে গেছে। তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে গাছ মালিকদের কাছ থেকে কচি তাল সংগ্রহ করেন। এরপর আকার ভেদে প্রতি পিস তাল ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি করছেন।

 

 

 

 

তিনি বলেন, “প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার শাঁস বিক্রি হচ্ছে। সব বয়সী মানুষের কাছেই এই ফলের ব্যাপক সমাদর রয়েছে।”

​

 

 

বাজারের কচি তাল কিনতে আসা জহির উদ্দিন নামের এক ক্রেতা তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “গ্রীষ্মের এই তীব্র দাবদাহে তালের শাঁস যেন এক অনন্য প্রশান্তির উৎস। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনই গরমে শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। তাই পরিবারের সবার জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছি।”

​

 

 

চিকিৎসকদের মতে, কচি তালের শাঁস কেবল তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং এতে থাকা জলীয় অংশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান গরমে শরীরকে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করতে দারুণ ভূমিকা পালন করে।

 

 

 

সব মিলিয়ে, তীব্র গরমে তাড়াশের জনজীবনে কচি তালের শাঁস এখন এক জনপ্রিয় ও স্বাস্থ্যকর খাবারে পরিণত হয়েছে।

 

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তীব্র গরমে তাড়াশে তালশাঁসের চাহিদা বেড়েছে 

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

 

 

 

তীব্র গরমে তাড়াশে তালশাঁসের চাহিদা বেড়েছে

 

 

​
তীব্র গরমে তাড়াশে তালশাঁসের চাহিদা বেড়েছে।
চলতি মৌসুমের তীব্র গরম ও চলমান তাপপ্রবাহে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় কচি তালের শাঁসের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রচণ্ড গরমে একটু স্বস্তি পেতে সব বয়সী মানুষ ভীড় করছেন তালের শাঁসের দোকানগুলোতে। ফলে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কের পাশে অস্থায়ী দোকানগুলোতে এখন তালের শাঁস বিক্রির ধুম পড়েছে।

​

 

 

সরেজমিনে তাড়াশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ। বিশেষ করে তাড়াশ-নিমগাছী আঞ্চলিক সড়কের খাদ্য গুদাম মোড়, তাড়াশ পৌর শহর, নওগাঁ বাজার এবং রানীরহাট এলাকায় রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকান পেতে বসেছেন বিক্রেতারা। এসব দোকানে পাইকারি ও খুচরা—দুই ধরনের ক্রেতারই উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় চাহিদার পাশাপাশি অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী এখান থেকে পাইকারি দরে কচি তাল কিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছেন।

​

 

 

তাড়াশের স্থানীয় তালশাঁস বিক্রেতা আমির হোসেন জানান, গরম বাড়ার সাথে সাথে তালের শাঁসের চাহিদাও বহুগুণ বেড়ে গেছে। তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে গাছ মালিকদের কাছ থেকে কচি তাল সংগ্রহ করেন। এরপর আকার ভেদে প্রতি পিস তাল ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি করছেন।

 

 

 

 

তিনি বলেন, “প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার শাঁস বিক্রি হচ্ছে। সব বয়সী মানুষের কাছেই এই ফলের ব্যাপক সমাদর রয়েছে।”

​

 

 

বাজারের কচি তাল কিনতে আসা জহির উদ্দিন নামের এক ক্রেতা তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “গ্রীষ্মের এই তীব্র দাবদাহে তালের শাঁস যেন এক অনন্য প্রশান্তির উৎস। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনই গরমে শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। তাই পরিবারের সবার জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছি।”

​

 

 

চিকিৎসকদের মতে, কচি তালের শাঁস কেবল তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং এতে থাকা জলীয় অংশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান গরমে শরীরকে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করতে দারুণ ভূমিকা পালন করে।

 

 

 

সব মিলিয়ে, তীব্র গরমে তাড়াশের জনজীবনে কচি তালের শাঁস এখন এক জনপ্রিয় ও স্বাস্থ্যকর খাবারে পরিণত হয়েছে।

 

 

 

 

Facebook Comments Box