এনায়েতপুরে হাসপাতালে স্বর্ণ চেইন চুরির ঘটনায় দুই নারী গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ০৬:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫ ২৪৩ বার পড়া হয়েছে
এনায়েতপুরে হাসপাতালে স্বর্ণ চেইন চুরির ঘটনায় দুই নারী গ্রেফতার
চৌহালীর এনায়েতপুরে অবস্থিত খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্বর্ণ চেইন চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরির সঙ্গে জড়িত দুই নারীকে পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে চুরি হওয়া স্বর্ণ চেইন এবং চেইন কাটার উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশি তৎপরতায় এলাকায় স্বস্তি ও সন্তোষের পরিবেশ বিরাজ করছে।
২৬ মে ২০২৫, সকাল ৯টা ৫ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে। নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার মহিষভাঙ্গা বনপাড়া এলাকার মোছাঃ আনোয়ারা বেগম (৫০) চোখের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের তৃতীয় তলায় লিফটের সামনে অপেক্ষা করছিলেন।
এই সময় একই স্থানে অবস্থানকারী নারী চোর মোছাঃ রিফুজা (২৬), পিতা-মৃত ফিরোজ মিয়া, সাং-ডরমন্ডল, থানা-নাসিরনগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া, একটি ছোট চেইন কাটার ব্যবহার করে আনোয়ারা বেগমের গলা থেকে ১১ আনা ওজনের স্বর্ণ চেইন (লকেটসহ) কেটে নেয়।
পড়ুন>>ভূরুঙ্গামারী ও রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের ৩৭ জন পুশইন: বর্ডারে উত্তেজনা
চেইন কাটা টের পেয়ে আনোয়ারা বেগম চিৎকার করলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা মোছাঃ রিফুজাকে হাতে-নাতে আটক করে এবং তার কাছ থেকে চেইন কাটার জব্দ করে। তবে রিফুজার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে এনায়েতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনারুল ইসলামের নির্দেশনায় এসআই মোঃ আনোয়ার হোসেন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রেফতারকৃত নারীকে থানায় নিয়ে যান।
পরে রিফুজার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেলকুচি সার্কেল) হুমায়ুন কবির এবং ওসি আনারুল ইসলামের নেতৃত্বে কেজির মোড়স্থ এসআই বাস কাউন্টারের উত্তর পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে মোছাঃ বানেছা বেগম (৬০), স্বামী-আস্রব আলী, পিতা-মৃত সিদ্দিক আলীকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযান চালিয়ে তার দেহ থেকে চুরি যাওয়া স্বর্ণ চেইনটি উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ২৬ মে ২০২৫ তারিখে এনায়েতপুর থানায় এফআইআর নম্বর ১০/২০২৫ অনুযায়ী একটি চুরির মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ) মোঃ আনোয়ার হোসেনের ওপর প্রদান করা হয়েছে।
পুলিশের দ্রুত এবং পেশাদার কার্যক্রমে চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। বর্তমানে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, “পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় আমরা অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি। আশা করছি ভবিষ্যতেও তারা এমন দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।”
এনায়েতপুর থানার ওসি মোঃ আনারুল ইসলাম বলেন, “আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে সকল অপরাধ মোকাবেলায় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি। চুরি-ডাকাতি রোধে আমরা আরও কঠোর হতে থাকব। জনসাধারণের সহযোগিতা পেলে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরো সফল হবে।”
























