ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম জিতলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো গাজার শিশুদের সহায়তায় ১ লাখ পাউন্ড তহবিল সংগ্রহ করলেন হামজা চৌধুরী ইসরাইলে শুরু হয়েছে ‘ডাবল খাম’ বা অবর্তমান ভোটের গণনা আরআরএফ-এ ৪৪০ পদে কর্মী নিয়োগ: ৬ নভেম্বর সিলেটে বাছাই পরীক্ষা লস অ্যাঞ্জেলেস ফ্যাশন উইকে নজর কাড়লেন বাংলাদেশি মডেল রাকিব হাসান টোকিওর আদলে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন করার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর সালাহউদ্দিন |: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই ভূরুঙ্গামারীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ​নাগেশ্বরীতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

চলছে সরকারী নিয়ম নীতি মেনেই তাড়াশে দলিল লেখকদের নেই কোন সিন্ডিকেট

তাড়াশ(সিরাজগঞ্জ) থেকে রফিকুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

চলছে সরকারী নিয়ম নীতি মেনেই তাড়াশে দলিল লেখকদের নেই কোন সিন্ডিকেট

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

চলছে সরকারী নিয়ম নীতি মেনেই তাড়াশে দলিল লেখকদের নেই কোন সিন্ডিকেট

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ দলিল লেখকদের কোন সিন্ডিকেট নেই। ভুমি রেজিস্ট্রেশন চলছে সরকারী নিয়ম-নীতি মেনেই। অর্ধ-শতাধিক দলিল গ্রহীতাদের সাথে কথা বলে এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দলিল গ্রহীতারা জানিয়েছেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আ’লীগ সরকারের পতনের পর তাড়াশ দলিল লেখকদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে গেছে। সরকার নির্ধারিত ফি, ভ্যাট, ট্যাক্স ও দলিল লিখনী খরচ ছাড়া তাদের নিকট থেকে কোন অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে না। উক্ত অফিসে দলিল লেখকদের কোন সিন্ডিকেটের সন্ধান মেলেনি। চলছে সরকারী নিয়মনীতি মেনেই।

গত ১৩ নভেম্বর সপ্তাহের কার্যদিবসে তাড়াশ সাব-রেজিস্টার অফিসে গেলে দলিল গ্রহীতা নজরুল ইসলাম, নাজিরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, আলামিন হোসেন, নিজাম উদ্দিন ও আমিনুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক দলিল গ্রহীতা জানান, আমরা জমি কিনে এ সপ্তাহে রেজিস্ট্রী করেছি। কিন্ত কোন দলিল লেখক আমাদের নিকট থেকে কোন অতিরিক্ত ফি নেননি।

এদিকে একজন অর্থলোভী হলুদ সাংবাদিক পালিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক দলের সমর্থক ব্যাক্তিগত সুবিধা না পেয়ে দলিল লেখকদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে অসত্য তথ্য সম্বলিত সংবাদ প্রকাশ করে দলিল লেখকদের সুনাম নষ্ট করছেন, এমনটি জানিয়েছেন একাধিক দলিল লেখক।

এ ব্যাপারে তাড়াশ দলিল লেখক সমিতির সদস্য সচিব শাহাদত হোসেন বলেন, সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তন হলে তাড়াশের দলিল লেখকদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে যায়। তখন সকল দলিল লেখকদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। ওই কমিটি সরকারের নিয়মনীতি মেনেই ভুমির রেজিস্ট্রশন কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।

কিন্তু গত ৬ নভেম্বর গোলাম মোস্তফা নামক একজন কথিত সাংবাদিক অফিস চলাকালীন সময়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে আমাদের নিকট থেকে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। আমরা যেহেতু নিয়মের মধ্যে চলছি, তাই আমরা তাঁকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করি। এতে তিনি দলিল লেখকদের প্রতি ক্ষীপ্ত হয়ে জনশূণ্য হাস্যকর মানববন্ধন করে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করেছেন।

তাড়াশ দলিল লেখক সমিতির আহবায়ক জহুরুল ইসলাম জানান, আমরা সিন্ডিকেটের মূলোৎপাটন করেছি। স্ব-স্ব দলিল লেখকগণ তাদের লিখিত দলিলের সরকারী ফি এবং লিখনি নিজেরাই আদায় করে থাকেন। এখানে আহবায়ক ও সদস্য সচিবের কোন কর্তৃত্ব নেই। আর দানপত্র কিংবা অন্য কোন দলিলে অতিরিক্ত ফি নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। মূলতঃ আহবায়ক-সদস্য সচিবের রাজনৈতিক পরিচয় থাকায় তাদেরকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এবং আমাদের নিকট থেকে দাবীকৃত চাঁদার টাকা না পাওয়ায় ওই হলুদ সাংবাদিক এমনটি করেছেন।

চাঁদাদাবী প্রসঙ্গে গোলাম মোস্তফার সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ সাব-রেজিস্টার আব্দুর রহমান বলেন, কোন দলিল গ্রহীতা ভুমি রেজিস্ট্রেশন ফি বেশি নেওয়ার ব্যাপারে আমার নিকট কোন অভিযোগ করেননি।

এমনকি মৌখিক ভাবেও কোন দলিল গ্রহীতা বেশি নেওয়ার বিষয়টি বলেননি। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে শুধু এক ব্যক্তি ভুমি রেজিস্ট্রশন ফি বেশি নেওয়া হচ্ছে কিনা জানতে চেয়েছিলেন। আমি তাঁকে জানিয়েছি, কোন দলিল লেখক ভুমি রেজিস্ট্রেশন ফি বেশি নিলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চলছে সরকারী নিয়ম নীতি মেনেই তাড়াশে দলিল লেখকদের নেই কোন সিন্ডিকেট

আপডেট সময় : ০২:৩১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

 

চলছে সরকারী নিয়ম নীতি মেনেই তাড়াশে দলিল লেখকদের নেই কোন সিন্ডিকেট

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ দলিল লেখকদের কোন সিন্ডিকেট নেই। ভুমি রেজিস্ট্রেশন চলছে সরকারী নিয়ম-নীতি মেনেই। অর্ধ-শতাধিক দলিল গ্রহীতাদের সাথে কথা বলে এ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দলিল গ্রহীতারা জানিয়েছেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আ’লীগ সরকারের পতনের পর তাড়াশ দলিল লেখকদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে গেছে। সরকার নির্ধারিত ফি, ভ্যাট, ট্যাক্স ও দলিল লিখনী খরচ ছাড়া তাদের নিকট থেকে কোন অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে না। উক্ত অফিসে দলিল লেখকদের কোন সিন্ডিকেটের সন্ধান মেলেনি। চলছে সরকারী নিয়মনীতি মেনেই।

গত ১৩ নভেম্বর সপ্তাহের কার্যদিবসে তাড়াশ সাব-রেজিস্টার অফিসে গেলে দলিল গ্রহীতা নজরুল ইসলাম, নাজিরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, রাশেদুল ইসলাম, আলামিন হোসেন, নিজাম উদ্দিন ও আমিনুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক দলিল গ্রহীতা জানান, আমরা জমি কিনে এ সপ্তাহে রেজিস্ট্রী করেছি। কিন্ত কোন দলিল লেখক আমাদের নিকট থেকে কোন অতিরিক্ত ফি নেননি।

এদিকে একজন অর্থলোভী হলুদ সাংবাদিক পালিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক দলের সমর্থক ব্যাক্তিগত সুবিধা না পেয়ে দলিল লেখকদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে অসত্য তথ্য সম্বলিত সংবাদ প্রকাশ করে দলিল লেখকদের সুনাম নষ্ট করছেন, এমনটি জানিয়েছেন একাধিক দলিল লেখক।

এ ব্যাপারে তাড়াশ দলিল লেখক সমিতির সদস্য সচিব শাহাদত হোসেন বলেন, সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তন হলে তাড়াশের দলিল লেখকদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে যায়। তখন সকল দলিল লেখকদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। ওই কমিটি সরকারের নিয়মনীতি মেনেই ভুমির রেজিস্ট্রশন কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।

কিন্তু গত ৬ নভেম্বর গোলাম মোস্তফা নামক একজন কথিত সাংবাদিক অফিস চলাকালীন সময়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনে আমাদের নিকট থেকে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। আমরা যেহেতু নিয়মের মধ্যে চলছি, তাই আমরা তাঁকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করি। এতে তিনি দলিল লেখকদের প্রতি ক্ষীপ্ত হয়ে জনশূণ্য হাস্যকর মানববন্ধন করে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করেছেন।

তাড়াশ দলিল লেখক সমিতির আহবায়ক জহুরুল ইসলাম জানান, আমরা সিন্ডিকেটের মূলোৎপাটন করেছি। স্ব-স্ব দলিল লেখকগণ তাদের লিখিত দলিলের সরকারী ফি এবং লিখনি নিজেরাই আদায় করে থাকেন। এখানে আহবায়ক ও সদস্য সচিবের কোন কর্তৃত্ব নেই। আর দানপত্র কিংবা অন্য কোন দলিলে অতিরিক্ত ফি নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। মূলতঃ আহবায়ক-সদস্য সচিবের রাজনৈতিক পরিচয় থাকায় তাদেরকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এবং আমাদের নিকট থেকে দাবীকৃত চাঁদার টাকা না পাওয়ায় ওই হলুদ সাংবাদিক এমনটি করেছেন।

চাঁদাদাবী প্রসঙ্গে গোলাম মোস্তফার সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ সাব-রেজিস্টার আব্দুর রহমান বলেন, কোন দলিল গ্রহীতা ভুমি রেজিস্ট্রেশন ফি বেশি নেওয়ার ব্যাপারে আমার নিকট কোন অভিযোগ করেননি।

এমনকি মৌখিক ভাবেও কোন দলিল গ্রহীতা বেশি নেওয়ার বিষয়টি বলেননি। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে শুধু এক ব্যক্তি ভুমি রেজিস্ট্রশন ফি বেশি নেওয়া হচ্ছে কিনা জানতে চেয়েছিলেন। আমি তাঁকে জানিয়েছি, কোন দলিল লেখক ভুমি রেজিস্ট্রেশন ফি বেশি নিলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box