পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৪ হাজার পিস ইয়াবসহ গ্রেপ্তার-২ কাউনিয়ায় বেশি দামে সার বিক্রি: বিসিআইসি ডিলারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের গোপন কারাগার নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি: ইসরায়েল-আমিরাত জোটের জন্য কেন এটি বড় ধাক্কা? কাউনিয়ায় সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো কয়েকজন দলে আছে: মুশফিক পানি কমলেও নাগেশ্বরীর বামনডাঙা ইউনিয়নে পানিবন্দি হাজারও মানুষ টেক্সাসে ইসলামবিদ্বেষী তৎপরতা বৃদ্ধি: আতঙ্কে স্থানীয় মুসলিমরা ফিফা সভাপতি ইস্যুতে এশিয়ান ফুটবলে বিভাজন: এএফসি ও কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পাল্টাপাল্টি অবস্থান চলতি মাসের শেষদিকেই প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস

সৃষ্টি বিনোদন
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস

নববর্ষে উদযাপনের ইতিহাস অনেক পুরনো ইতিহাস। প্রাচীন পারস্য বর্তমান ইরানে দুই সপ্তাহব্যাপী ‘নওরোজ’ উৎসব পালিত হয় প্রায় ১৫ হাজার বছর আগে থেকে।

প্রাচীন মেসোপটেমিয়া বা ব্যাবিলনে নববর্ষ উদযাপিত হয় প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে থেকে। রোমানরা অনেক আগে থেকেই বসন্তকালে নববর্ষ উৎসব শিখেছিল ব্যাবিলনীয়দের কাছ থেকে।

ইহুদিরা নববর্ষ উৎসব ‘রাশ হুসনা’ পালন করত যিশুখ্রিষ্টের জন্মের অনেক আগে থেকেই।

পাশ্চাত্যে খ্রিষ্টানরা ১ জানুয়ারি new year ডে পালন করছে অনেক দিন থেকে। হিজরি নববর্ষ আরবসহ পুরো মুসলিম বিশ্বেই প্রায় দেড় হাজার বছর ধরে এই উৎসব পালন করে আসছে।

চীন : নতুন বছরের উৎসবের কথা বলতে গেলেই প্রথমে চীনের নতুন বছরের উৎসবের কথাই বলতে হয়।

চীনের নবর্বষ উৎসব চলে এক মাসব্যাপী। ফেব্রুয়ারিতে চীনের চান্দ্র নববর্ষ। এই উৎসবকে বলা হয় ‘চুন জি’ ইংরেজিতে ‘স্প্রিং ফেস্টিভ্যাল বা স্প্রিং ফেস্ট।

চীনের প্রাচীরের একটি অংশে এই দিন বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পর্যটকদের জন্য থাকে বিশেষ প্যাকেজ। লাল পোশাক, লাল সন্ধ্যা বাতিতে নতুন সাজে সেজে ওঠে চীনের জনজীবন ‘ওয়েইল’ নামক বিশেষ ভোজনের আয়োজন করা হয় এই দিনে।

এক মাসব্যাপী আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের মধ্যে সপ্তম দিনটি পালিত হয় ‘শস্য দিবস’ নামে।

 

ফিলিপিন : ফিলিপিনের বেশির ভাগ মানুষ খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। তাই তারা সবাই ১ জানুয়ারিই নববর্ষ উৎসব পালন করে থাকে। ফিলিপিনিরা তাদের নববর্ষকে ‘গধহরমড়হম নধমড়হম ঃধড়হি’ বলে অর্থাৎ নতুন বছরে জীবন সফল হোক, আমরা সবাই যেন সুখী হই।

আর্জেন্টিনা : আর্জেন্টিনায় নববর্ষের আগের দিন-রাত্রিতে পরিবারের সব সদস্য একসাথে খাবার টেবিলে বসে খাওয়া-দাওয়া ও আনন্দ উৎসব করে। নববর্ষের দিন তারা নদী বা লেকের পানিতে সাঁতার কেটে নববর্ষ উদযাপন করে থাকে।

পড়ুন>> ভূরুঙ্গামারীর মীর জুমলা মসজিদ (Mir jumla mosque)

স্পেন : স্পেনে রাত ১২টা বাজার সাথে সাথে সবাই ১২টা করে আঙ্গুর খেয়ে হ্যাপি নিউ ইয়ারকে স্বাগত জানায়। কারণ তারা সবাই মনে করে এই আঙ্গুর তাদের জীবনে সৌভাগ্যের প্রতীক। নববর্ষের সন্ধ্যা স্পেনে পরিচিত ‘ঠরংঢ়বৎধফব অৎরড় হঁবাড়’ হিসেবে।

জাপান : জাপানিরা ইংরেজি অনুসারে ১ জানুয়ারি নববর্ষ পালন করে থাকে।

খারাপ আত্মাকে দূরে রাখার জন্য এ সময় বাড়ির বাইরে দড়ি দিয়ে খড়ের টুকরো ঝুলিয়ে রাখে জাপানিরা। এটাকে তারা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে মনে করে।

প্রার্থনা ঘণ্টা বাজানো ও বিশেষ খাওয়া-দাওয়ার মধ্য দিয়ে এই উৎসব পালন করে জাপানিরা। আগে চীন ও জাপানে একই দিনে নববর্ষ পালন করা হতো। এখন জাপানিরা ইংরেজি নববর্ষ বা প্রেগারিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে নববর্ষ পালন করে ১ জানুয়ারি।

অস্ট্রেলিয়া : অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে পালিত হয় নববর্ষ উৎসব। নববর্ষ উপলক্ষে প্রায় ২০ লাখ লোক উপভোগ করে এই অনুষ্ঠান। এরপর সিডনি শহরে অপেরা হাউজে স্থানীয় সময় ১২টা ১ মিনিটে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও আতশবাজির মধ্যে দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় অস্ট্রেলিয়ার অধিবাসীরা।

কোরিয়া : কোরিয়া নববর্ষ শুরুর সময় এ দেশের অধিবাসীরা কেউ ঘুমায় না। তাদের বিশ্বাস এ সময় ঘুমালে নাকি চোখের শুভ্রসাদা হয়ে যায়।

কোরিয়াতে প্রায় সবাই সূর্যোদয় দেখে। বর্ণাঢ্য ও জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে নববর্ষের দিনটিকে সবাই পালন করে থাকে।

১ জানুয়ারি নববর্ষে কোরিয়া পরিচিত হয় ‘সিও নাল’ নামে।

নিউজিল্যান্ড : খ্রিষ্টীয় নববর্ষ প্রথম উদযাপন শুরু হয় নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড দ্বীপে। এই দিনে আনন্দ, ভূরিভোজ ও আতশবাজি উৎসবের মধ্য দিয়ে দিনটিকে পালন করে নিউজিল্যান্ডের অধিবাসীরা।

মেক্সিকো : মেক্সিকো শহরে রাত ১২টা বাজার সাথে সাথে ১২ ঘণ্টা বাজানো হয়। এই সময় প্রতি ঘণ্টা ধ্বনির সাথে একটি করে আঙ্গুর খাওয়া হয়। মেক্সিকোবাসীর বিশ্বাস করে এই সময় যা কামনা করা হয় তাই পূরণ হয়।

ফ্রান্স : নববর্ষের দিনটিকে ফ্রান্সে ‘জউরদে এটরেন্স’ বলে ডাকা হয়। এখন নববর্ষ উৎসব শুরু হয় ১ জানুয়ারি থেকে। এখানে নববর্ষ উদযাপন চলে সপ্তাহব্যাপী। পরস্পর পরস্পরকে ‘বন্নে আনেস’ বলে অভিবাদন করে।

এই সময় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারের পাশে বর্ণাঢ্য আতশবাজি উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়া হয়।

ফরাসিরা থার্টিফাস্ট নাইটকে ‘লা সেইন্ট সিলভেস্ট্রে’ বলে ডাকে। এদিন প্রতিটি গৃহে এক বিশেষ ভোজের আয়োজন করা হয় যার নাম ‘লে রেভেলিন ডি সেইন্ট সিলভেস্ট্রে’।

এ ছাড়াও এ দিনের উৎসবে ফরাসিরা ‘প্যালে ডে রইস’ নামক এক ধরনের কেক তৈরি করে। প্যারিসের প্রধান প্রধান শহরগুলো রাতভর জেগে ঘটা করে নববর্ষ উৎসব পালন করে। নাচ-গান-বাজনায় মেতে ওঠে ঝল-মলে শহরগুলোর সমস্ত দোকানপাট ও ক্লাব, রেস্তোরাঁ।

পড়ুন>> ভ্রাতৃত্বের মেলবন্ধন ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন মসজিদ (People from both countries worship in the same mosque)

যুক্তরাষ্ট্র : যুক্তরাষ্ট্রের নববর্ষ উৎসব জাঁকজমকের সাথে উদযাপনের কেন্দ্র বিন্দু হয় টাইমস স্কোয়ারে। এখানে নতুন বছর শুরু হওয়ার ১০ সেকেন্ড আগে এক বিশালাকার ক্রিস্টাল বল নেমে নতুন বর্ষের আগমনের কাউন্ট ডাইন শুরু হয়।

এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় নিউ ইয়ার পার্টি যেখানে প্রায় ৩০ লাখ লোক অংশগ্রহণ করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে রাতভর জেগে ঘটা করে নববর্ষ উৎসব পালন করা হয়। নববর্র্ষে এখানকার প্রত্যেক মল ও রেস্তোরাঁগুলো নাচ-গান-বাজনায় এই দিনে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে।

যুক্তরাজ্য : লন্ডরে নববর্ষের আগ মুহূর্তে ট্রাফালগরে স্কোয়ার ও পিকাডেলি সার্কাসে বিশাল পরিসরে মানুষ সমবেত হয়। মধ্যরাতে বিগবেনের ধ্বনি শুনে এরা একত্রে নববর্ষকে বরণ করে নেয়।

লন্ডনে বিগবেন ও ওয়েস্টমিনস্টার প্রাসাদের ঘড়ি ঘরের সামনে ঘটা করে উৎসব করে জনতা। এই অনুষ্ঠান বিবিসিসহ বিভিন্ন মিডিয়া সরকারি সম্প্রচার করে থাকে। লন্ডনে রাতভর জেগে নর-নারীরা ঘটা করে নববর্ষ উৎসব পালন করে।

আতশ বাজি ও নাচে গানে উল্লাসিত হয়ে ওঠে সমস্ত শহরগুলোর দোকানপাট ও রেস্তোরাঁগুলো।

থাইল্যান্ড : থাইল্যান্ডে নববর্ষের নাম ‘সংক্রান’ থাইল্যান্ডে এপ্রিলের ১৩ তারিখ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত বৌদ্ধ নববর্ষ উৎসব হিসেবে এটি উদযাপিত হয়। তারা রাস্তায় পানির পিচকারি বা বালতিতে বরফ নিয়ে সেই পানি দিয়ে সব কিছু ভিজিয়ে দেয়।

ইরান : নওরোজ ইরানিয়ান ক্যালেন্ডারের নববর্ষ এবং একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব। ইরানে প্রাচীন কাল থেকেই নববর্ষে নওরোজ উৎসব পালিত হয়ে আসছে। এই দিনে কৃষকেরা ক্ষেতে শস্যের বীজ বপন করেন। ঘরদোর সাজান, নতুন পোশাক পরিচ্ছেদ পরিধান করেন।

ইরানিরা ‘হাফত-সিন’ নামক এই দিনে বিশেষ খাবারের আয়োজন করে, যা সাত রকমের উপকরণে তৈরি করা হয়। নওরোজ অর্থ নতুন দিন বা নতুন আলো।

এই নওরোজ উৎসবটি ইরানিরা মহা-সমারোহে পালন করে। নওরোজ উপলক্ষে ইরানে স্কুল-কলেজে মোট ১৩ দিন ছুটি দিয়ে থাকে। এই দিনে ইরানিরা সম্ভবত ঈদের দিনের থেকেও বেশি আনন্দ করে থাকে।

মিসর : প্রাচীন মিসরে প্রচলিত ছিল ‘কোপটিক’ বা আলেকজান্দ্রীয় বর্ষপঞ্জি। তাতে ছিল ৩০ দিনের মাসের ১২ মাস, সঙ্গে পাঁচ দিনের ছোট এক মাস (সর্বমোট ৩৬৫ দিন)।

তৃতীয় সময় (খ্রিষ্টপূর্ব-২৩৮) তার সংস্কার হয়। নববর্ষের দিন মিসরীয়রা পালন করত। এটা থেকেই এসেছে ইরানের নববর্ষের ‘নওরোজ’ উৎসব।

বর্তমানকালে মিসরে নববর্ষে চাঁদ দেখে নববর্ষ ঘোষণা করেন দেশের ধর্মনেতা বা প্রধান মুফতি। বিশেষ ধরনের খাবারসহ ভোজ উৎসব ও নতুন কাপড় পরার নিয়ম রয়েছে সেখানে। তারপর ঈদের মতো তারা পরস্পর শুভেচ্ছাবিনিময় করে।

 

জার্মানি : জার্মানিতে নববর্ষে মানুষ ঠাণ্ডা পানির মধ্যে তরল সিসার টুকরা ঠেলে দেয়। সিসার টুকরা যে রকম আকার বানায় তা দেখে এখানকার মানুষ তাদের ভবিষ্যৎ নির্ণয় করে। নববর্ষের আগে খাবারের কিছু অংশ মধ্যরাতের জন্য রেখে দেয়া হয়, যাতে নতুন বছর ঘরে পর্যাপ্ত খাবার থাকে।

সুইডেন : সুইডেনে নববর্ষে ‘রাইস পুডিং’ তৈরি করা হয়। এর ভেতর একটি কাঠবাদাম লুকানো থাকে। সুইডিশরা বিশ্বাস করে খাওয়ার সময় যে কাঠবাদামটি পাবে সে নতুন বছরে সৌভাগ্যের মুখ দেখবে।

ইতালি : ইতালিতে নববর্ষে বিশেষ ধরনের মসুর ডাল ও সসেজ খাওয়া হয়। এটিকে তারা ‘কোটে চিনো ইলেনটিচ্চি’ বলে। ইতালিরা নববর্ষের দিনটিকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্মরণ করে থাকে।

পাকিস্তান : পাকিস্তানিদের নিজস্ব কোনো নববর্ষ নেই। কারণ উর্দু ভাষায় কোনো ক্যালেন্ডার নেই।

যেহেতু উর্দু ভাষীরা সবাই মুসলামান তাই তারা আরবি ক্যালেন্ডারকে নিজেদের ক্যালেন্ডার হিসেবে ব্যবহার করে।

আরবিদের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সব ধর্মীয় ও জাতীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।

 

ভারত : ভারতের হিন্দী ভাষাভাষী মানুষের কাছে হিন্দী নববর্ষের গান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের মানুষ বিভিন্ন ভাষাভাষীরা বিভিন্ন সময়ে তাদের নববর্ষ পালন করে থাকে।

হিন্দি ভাষীরা বিভিন্ন গান দিয়ে তাদের নববর্ষকে স্বাগত জানায়। ভারতীয়দের একটি সাধারণ প্রথাই হয়ে গেছে নববর্ষের অনুষ্ঠান উদযাপন করা।

নববর্ষের হিন্দি গানগুলো পরিবেশিত হয় বিশেষ করে ক্লাব ও পাবগুলোতে। এই দিনে তারা মিষ্টি মুখ, আনন্দ করা ছাড়াও রঙ ছোড়াছুড়ি করে থাকে।

আরব : আরব দেশগুলোতে মহররমের ১ তারিখে হিজরি নববর্ষ পালন করে থাকে। তারা এই নববর্ষকে ‘সানা হিজরিরা জাদিদা’ বলে। তাদের গানে কোন বাজনা থাকে না। ঠিক হামদ্ ও নাতের মতোই। আরবিরা এই দিনে পাড়া প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন।

বাংলাদেশ : বাঙালির প্রাণের এক জাতীয় উৎসব পয়লা বৈশাখ। যার ইংরেজি তারিখ গিয়ে পড়ে ১৪ এপ্রিল।

গ্রামীণ গম্ভীরা, জারি, লোকগীতি ছাড়াও রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুর সঙ্গীত ও দেশাত্মবোধক গান এখন বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মূল উপাদান।

বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ব্যাপ্তি বিশাল। গ্রামে-গঞ্জে, হাট-বাজার, ঢাকার রমনাবট মূল, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, পুরান ঢাকাসহ সারা দেশের গ্রাম-শহরে আবাল বৃদ্ধবণিতা এই দিনে সকাল থেকে মেতে ওঠে। নাচ-গান, কবিতা, নাটক, হাডুডু খেলা, গ্রাম্যমেলা, নাগরদোলা, ঘুড়ি উড়ানো ও হালখাতা উৎসবে। নতুন সাজে, পোশাকে উৎসবে মেতে ওঠে সবাই।

Please Share This Post in Your Social Media

5 responses to “পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস”

  1. […] আন্তর্জাতিক মান সময়ের তারতম্যের কারণে নতুন বছরকে আগে বরণ করার সুযোগ পায় এমন দেশগুলোর একটি নিউজিল্যান্ড। নতুন বছরকে আমন্ত্রণ জানানোর উৎসবে মেতে ওঠার ক্ষেত্রে বড় শহরগুলোর মধ্যে অকল্যান্ডের সুযোগ আসে সবার আগে।পড়ুন>> পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনে… […]

  2. […] পড়ুন>>পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনে… […]

  3. […] এক সমায় গরু মহিষের গাড়িতে করে ধন পাট হাট বাজারে নিয়ে আসা হত। এখন হাট বাজারে দুরের কথা গরু মহিষের গাড়ি খুঁজে পাওয়া যায় না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মিউজিয়ামে দেখাতে হব গরুর মহিষের গাড়ির প্রতিকৃতি। পড়ুন>>পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনে… […]

  4. […] দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পড়ুন>>পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনে… var quads_screen_width = document.body.clientWidth; if ( quads_screen_width >= 1140 ) […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!