ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশিক্ষণ ছাড়াই পাঠদান করছেন আড়াই লাখের বেশি শিক্ষক সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করা জরুরি: রাষ্ট্রপতি প্রতিটি জেলা ও সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ইরানে যুদ্ধের উত্তেজনা কমার লক্ষণ দেখছেন না কূটনীতিকরা নিরাপত্তার কড়াকড়ির মধ্যেও গুলশানে কেন বাড়ছে অপরাধ? রাবিতে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: প্রক্টর-প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কানাডার উৎসবে নাজিফা তুষির প্রথম আন্তর্জাতিক পুরস্কার কারা মহাপরিদর্শক হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর বিডিরেন ট্রাস্টে সিইও নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

রাজশাহী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গরু মহিষের গাড়ি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে এসএম রুবেল
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৫৯৮ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গরু মহিষের গাড়ি

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এক সময় বাঙালির ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক গরু মহিষের গাড়ি। এখন রাজশাহী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গরু মহিষের গাড়ি। এখন আধুনিকতার ছোয়া ও কালের গর্ভে বিলুপ্ত প্রায় গরু-মহিষ ও ঘোড়ার গাড়ি। রাজশাহী পড়ুন>>এবার গরুর গোবর থেকে তৈরি হবে বিদ্যুৎ কোষ, একটা গরুর গোবরে পুরো বছর বাড়িতে জ্বলবে আলো

অঞ্চল যেমনটা গোটা দেশে বিখ্যাত তেমনি রাজশাহীতে গরুর গাড়িরও এ অঞ্চলের মানুষের জনপ্রিয়। কিন্তু আধুনিকতার ছোয়ায় কালের গর্ভে দিন দিন যেন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষ ও ঘোড়ার গাড়ি। গাড়িতো দূরে থাক, আধুনিকতার যাতাকলে গরু, মহিষ ও ঘোড়ার সংখ্যা অনেক কমে গেছে।

এক সমায় গরু মহিষের গাড়িতে করে ধন পাট হাট বাজারে নিয়ে আসা হত। এখন হাট বাজারে দুরের কথা গরু মহিষের গাড়ি খুঁজে পাওয়া যায় না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মিউজিয়ামে দেখাতে হব গরুর মহিষের গাড়ির প্রতিকৃতি। পড়ুন>>পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস

এক সময়  গাড়িয়াল ও  মোইশালের কন্ঠে শোনা গান কিংবা গাড়ি রচনা করা জনপ্রিয়  গান-
‘আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে…’ কিংবা ‘আস্তে চালাও গাড়ি রে গাড়িয়াল, ধীরে চালাও গাড়ি; আর এক নজর দেখিয়া নেও মোর সোনা বাপের বাড়ি…’

গরু-মহিষ কিংবা ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে এমন সব পুরনো দিনের গানগুলো এখনও মানুষের মন-প্রাণে নাড়া দিয়ে যায়। এসব হারনো দিনের গানগুলো আজও জনপ্রিয় থাকলেও আধুনিকতার ছোয়া ও কালের গর্ভে বিলুপ্ত প্রায় গরু-মহিষ ও ঘোড়ার গাড়ি।

অঞ্চলের অনেক জায়গায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবকটি উপজেলায় এক সময় গ্রামগঞ্জের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী বাহন ছিল গরু, মহিষের ও ঘোড়ার গাড়ি। প্রযুক্তির কারণে এখন হারিয়ে যাচ্ছে গরু কিংবা ঘোড়ার গাড়ি ও গাড়িয়াল পেশা।

দিন আর সময় বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে এখন এসব গাড়ি স্থান পেয়েছে ছড়া কবিতা সংবাদপত্র ও বিভিন্ন বইয়ের পাতায়। তবে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের বেশ কিছু চরাঞ্চলের গ্রামসহ কিছু কিছু জায়গায় এখনোও দেখা মেলে গরু-মহিষ আর ঘোড়ার গাড়ি।

এসব গাড়ি যারা চালান তাদের বলা হয় গাড়িয়াল। তবে পেশাদার গাড়িয়াল খুঁজে পাওয়া এখন দুষ্কর।রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক -প্রথম আলোর দিলু ভাই বলেন, আধুনিক সভ্যতায় ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি হারিয়ে যেতে বসেছে। পড়ুন>>মণিপুরী ভাষায় নজরুলের ৩০টি কবিতা অনুবাদ করলেন যমুনা লরেইঞ্জাম

সে কারণে শহরের ছেলে মেয়েদের সঙ্গে সঙ্গে এখন গ্রামের ছেলে মেয়েরাও গরুর গাড়ির শব্দটির সঙ্গে অপরিচিত হয়ে উঠেছে। তিনি আরো বলেন, আসলে আমরা যারা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং প্রকৃতিপ্রেমী আছি সবাই চাই আমাদের আদি ঐতিহ্যবাহী সব কিছু টিকে থাকুক।

তবে বাস্তবতা সম্পুর্ণ ভিন্ন,বিশ্বায়নের যুগে সর্বত্র পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। ফলে এখন আর গরু,মহিষ,ঘোড়ার গাড়ি দেখা যায় না। এই গাড়ি নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলো তারাও পেশা বদল করেছে উন্নত প্রযুক্তির কারণে। পড়ুন >>বাপ-দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতে মহিষের গাড়িতে বিয়ের বরযাত্রী

ফলে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এসব গাড়ি। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো বইয়ের পাতা এবং ইউটিউবে দেখবে এই গরুর গাড়ি। এক সময় রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রত্যেক গ্রামে দেখা যেত এসব গাড়িতে যাতায়াত, যাত্রী পরিবহন, পণ্য আনা নেওয়া। তখন ছিলো মেঠো পথ। এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না খুব একটা। পড়ুন>>ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের ঐতিহ্যবাহী অযত্নে অবহেলায় বিলুপ্তির পথে রাজবাড়িটি

তবে চর অঞ্চলের অনেক এলাকায় গেলে চোখে পড়ে কিছু গরুর গাড়ি, মহিষের গাড়ি। ঘোড়ার গাড়ির দেখা মিলবে চরাঞ্চলে। সেখানেও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে হয়তো তারাও বিকল্প চিন্তা করবে।

এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ঐতিহ্য। আধুনিক বিশ্বের যান্ত্রিক ছোঁয়া আর ডিজিটাল পদ্ধতির কাছে এসব যেন হার মেনেছে। তাই বিলুপ্তপ্রায় এ পেশা আর এসব গাড়ি।

প্রত্যন্ত এলাকায় এসব দু‘একটি গাড়ি চোখে পড়লেও শহরাঞ্চলে একেবারেই দেখা যায় না।প্যাটেল রিকশা বা ঠেলাগাড়ির মতো গরু,মহিষ ও ঘোড়ার গাড়িগুলো পরিবেশবান্ধব যান। এতে কোনো জ্বালানি খরচ নেই। শব্দ দূষণ নেই। পড়ুন>>গ্রামগঞ্জে গরুর গাড়ি বিলুপ্তি পথে : মহিষের গাড়ির দেখা মেলে মাঝে মধ্যে 

তেল,গ্যাস,বিদ্যুৎ এসব কিছুই এই যানে ব্যবহার হয় না। এই গাড়িগুলো ধীর গতিতে চলে বলে তেমন কোনো দুর্ঘটনাও নেই। কিন্তু যুগের পরিবর্তনে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এইসব গাড়ির প্রচলন রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গরু মহিষের গাড়ি

আপডেট সময় : ০৪:০৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

এক সময় বাঙালির ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক গরু মহিষের গাড়ি। এখন রাজশাহী থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গরু মহিষের গাড়ি। এখন আধুনিকতার ছোয়া ও কালের গর্ভে বিলুপ্ত প্রায় গরু-মহিষ ও ঘোড়ার গাড়ি। রাজশাহী পড়ুন>>এবার গরুর গোবর থেকে তৈরি হবে বিদ্যুৎ কোষ, একটা গরুর গোবরে পুরো বছর বাড়িতে জ্বলবে আলো

অঞ্চল যেমনটা গোটা দেশে বিখ্যাত তেমনি রাজশাহীতে গরুর গাড়িরও এ অঞ্চলের মানুষের জনপ্রিয়। কিন্তু আধুনিকতার ছোয়ায় কালের গর্ভে দিন দিন যেন হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী গরু-মহিষ ও ঘোড়ার গাড়ি। গাড়িতো দূরে থাক, আধুনিকতার যাতাকলে গরু, মহিষ ও ঘোড়ার সংখ্যা অনেক কমে গেছে।

এক সমায় গরু মহিষের গাড়িতে করে ধন পাট হাট বাজারে নিয়ে আসা হত। এখন হাট বাজারে দুরের কথা গরু মহিষের গাড়ি খুঁজে পাওয়া যায় না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মিউজিয়ামে দেখাতে হব গরুর মহিষের গাড়ির প্রতিকৃতি। পড়ুন>>পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস

এক সময়  গাড়িয়াল ও  মোইশালের কন্ঠে শোনা গান কিংবা গাড়ি রচনা করা জনপ্রিয়  গান-
‘আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে…’ কিংবা ‘আস্তে চালাও গাড়ি রে গাড়িয়াল, ধীরে চালাও গাড়ি; আর এক নজর দেখিয়া নেও মোর সোনা বাপের বাড়ি…’

গরু-মহিষ কিংবা ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে এমন সব পুরনো দিনের গানগুলো এখনও মানুষের মন-প্রাণে নাড়া দিয়ে যায়। এসব হারনো দিনের গানগুলো আজও জনপ্রিয় থাকলেও আধুনিকতার ছোয়া ও কালের গর্ভে বিলুপ্ত প্রায় গরু-মহিষ ও ঘোড়ার গাড়ি।

অঞ্চলের অনেক জায়গায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবকটি উপজেলায় এক সময় গ্রামগঞ্জের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী বাহন ছিল গরু, মহিষের ও ঘোড়ার গাড়ি। প্রযুক্তির কারণে এখন হারিয়ে যাচ্ছে গরু কিংবা ঘোড়ার গাড়ি ও গাড়িয়াল পেশা।

দিন আর সময় বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে এখন এসব গাড়ি স্থান পেয়েছে ছড়া কবিতা সংবাদপত্র ও বিভিন্ন বইয়ের পাতায়। তবে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের বেশ কিছু চরাঞ্চলের গ্রামসহ কিছু কিছু জায়গায় এখনোও দেখা মেলে গরু-মহিষ আর ঘোড়ার গাড়ি।

এসব গাড়ি যারা চালান তাদের বলা হয় গাড়িয়াল। তবে পেশাদার গাড়িয়াল খুঁজে পাওয়া এখন দুষ্কর।রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক -প্রথম আলোর দিলু ভাই বলেন, আধুনিক সভ্যতায় ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি হারিয়ে যেতে বসেছে। পড়ুন>>মণিপুরী ভাষায় নজরুলের ৩০টি কবিতা অনুবাদ করলেন যমুনা লরেইঞ্জাম

সে কারণে শহরের ছেলে মেয়েদের সঙ্গে সঙ্গে এখন গ্রামের ছেলে মেয়েরাও গরুর গাড়ির শব্দটির সঙ্গে অপরিচিত হয়ে উঠেছে। তিনি আরো বলেন, আসলে আমরা যারা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং প্রকৃতিপ্রেমী আছি সবাই চাই আমাদের আদি ঐতিহ্যবাহী সব কিছু টিকে থাকুক।

তবে বাস্তবতা সম্পুর্ণ ভিন্ন,বিশ্বায়নের যুগে সর্বত্র পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। ফলে এখন আর গরু,মহিষ,ঘোড়ার গাড়ি দেখা যায় না। এই গাড়ি নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলো তারাও পেশা বদল করেছে উন্নত প্রযুক্তির কারণে। পড়ুন >>বাপ-দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতে মহিষের গাড়িতে বিয়ের বরযাত্রী

ফলে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এসব গাড়ি। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো বইয়ের পাতা এবং ইউটিউবে দেখবে এই গরুর গাড়ি। এক সময় রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রত্যেক গ্রামে দেখা যেত এসব গাড়িতে যাতায়াত, যাত্রী পরিবহন, পণ্য আনা নেওয়া। তখন ছিলো মেঠো পথ। এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না খুব একটা। পড়ুন>>ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের ঐতিহ্যবাহী অযত্নে অবহেলায় বিলুপ্তির পথে রাজবাড়িটি

তবে চর অঞ্চলের অনেক এলাকায় গেলে চোখে পড়ে কিছু গরুর গাড়ি, মহিষের গাড়ি। ঘোড়ার গাড়ির দেখা মিলবে চরাঞ্চলে। সেখানেও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে হয়তো তারাও বিকল্প চিন্তা করবে।

এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ঐতিহ্য। আধুনিক বিশ্বের যান্ত্রিক ছোঁয়া আর ডিজিটাল পদ্ধতির কাছে এসব যেন হার মেনেছে। তাই বিলুপ্তপ্রায় এ পেশা আর এসব গাড়ি।

প্রত্যন্ত এলাকায় এসব দু‘একটি গাড়ি চোখে পড়লেও শহরাঞ্চলে একেবারেই দেখা যায় না।প্যাটেল রিকশা বা ঠেলাগাড়ির মতো গরু,মহিষ ও ঘোড়ার গাড়িগুলো পরিবেশবান্ধব যান। এতে কোনো জ্বালানি খরচ নেই। শব্দ দূষণ নেই। পড়ুন>>গ্রামগঞ্জে গরুর গাড়ি বিলুপ্তি পথে : মহিষের গাড়ির দেখা মেলে মাঝে মধ্যে 

তেল,গ্যাস,বিদ্যুৎ এসব কিছুই এই যানে ব্যবহার হয় না। এই গাড়িগুলো ধীর গতিতে চলে বলে তেমন কোনো দুর্ঘটনাও নেই। কিন্তু যুগের পরিবর্তনে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এইসব গাড়ির প্রচলন রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে।

Facebook Comments Box