ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিরো আলমের কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে নিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের প্রচারণা শুরু 

সৃষ্টি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩ ২৫০ বার পড়া হয়েছে

হিরো আলমের কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে নিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের প্রচারণা শুরু 

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার ( ১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সুসজ্জিত পিকআপ ভ্যান নিয়ে হিরো আলম তাঁর জন্মস্থান বগুড়া সদরের এরুলিয়া বাজার থেকে কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের প্রচারণা ও গণসংযোগ শুরু করেন।

প্রচারণার সময় হিরো আলম ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর একতারা প্রতীকে ভোট চান। নির্বাচনে জয়ী হলে সুখে–দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এ সময় ভোটাররাও তাঁকে উৎসাহ দেন। তরুণ ভোটারদের অনেকেই তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে ছবি ও সেলফি তোলেন।হিরো আলমের পিকআপ ভ্যানেই বানানো হয়েছে মিনি মঞ্চ। সেখানে প্যান্ডেলের সঙ্গে লাগানো হয়েছে মাইক।

পিকআপ ভ্যানের দুই পাশে ঝুলছে হিরো আলমের ছবি ও ‘একতারা’ প্রতীক–সম্বলিত ব্যানার। প্রচারণার প্রথম দিনে হিরো আলমের পোশাকেও ছিল চমক। তাঁর পরনে ছিল সাদা পাঞ্জাবির সঙ্গে ধুসর–তামাটে রঙের কটি।

হিরো আলম হেসে বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য বেশ কয়েকটা পোশাক বানাইচি। প্রতিদিনই একতারার প্রচারণায় চমক থাকবি।

’হিরো আলমকে কাছে পেয়ে এরুলিয়া এলাকার একজন ভোটার তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘হামার বাড়ির লোক, তাক ভোট দিয়ে জিতাবার পারলে সুখে–দুঃখে পাশে পাওয়া যাবি।’

অন্য আরেক ভোটার বলেন, ‘হিরো আলম হামাকেরে বাড়ির ছোল (ছেলে)। ঘরের ছোল। তাক (তাঁকে) হামরা জীবন দিয়ে ভালোবাসি। তাক জিতাবার জন্যি জীবন দিয়ে চেষ্টা করমো।’

হিরো আলম বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় বলেন, ‘এলাকা ছাড়া তো ভোট করবার পারমো না। এলাকার লোকের সাড়া লাগবি, এলাকার লোকের সহযোগিতা লাগবি।

এলাকার সাহস, ভালোবাসা ও সহযোগিতা আছে বলেই দুই আসন থেকে নির্বাচন করিচ্চি। এলাকার শক্তি সবচেয়ে বড় শক্তি। এলাকার লোক হামার পাশে আছে। নির্বাচনী মাঠে প্রমাণ করে দিব, এলাকার লোকজন হামাক কতটা ভালোবাসে।

’হিরো আলমকে কাছে পেয়ে এরুলিয়া এলাকার একজন ভোটার তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘হামার বাড়ির লোক, তাক ভোট দিয়ে জিতাবার পারলে সুখে–দুঃখে পাশে পাওয়া যাবি।’

অন্য আরেক ভোটার বলেন, ‘হিরো আলম হামাকেরে বাড়ির ছোল (ছেলে)। ঘরের ছোল। তাক (তাঁকে) হামরা জীবন দিয়ে ভালোবাসি। তাক জিতাবার জন্যি জীবন দিয়ে চেষ্টা করমো।’ পড়ুন>>ভূরুঙ্গামারীর মীর জুমলা মসজিদ (Mir jumla mosque)

হিরো আলম বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় বলেন, ‘এলাকা ছাড়া তো ভোট করবার পারমো না। এলাকার লোকের সাড়া লাগবি, এলাকার লোকের সহযোগিতা লাগবি। এলাকার সাহস, ভালোবাসা ও সহযোগিতা আছে বলেই দুই আসন থেকে নির্বাচন করিচ্চি।

এলাকার শক্তি সবচেয়ে বড় শক্তি। এলাকার লোক হামার পাশে আছে। নির্বাচনী মাঠে প্রমাণ করে দিব, এলাকার লোকজন হামাক কতটা ভালোবাসে।’তথ্য সুত্র ও ছবি

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হিরো আলমের কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে নিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের প্রচারণা শুরু 

আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার ( ১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সুসজ্জিত পিকআপ ভ্যান নিয়ে হিরো আলম তাঁর জন্মস্থান বগুড়া সদরের এরুলিয়া বাজার থেকে কর্মী–সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের প্রচারণা ও গণসংযোগ শুরু করেন।

প্রচারণার সময় হিরো আলম ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর একতারা প্রতীকে ভোট চান। নির্বাচনে জয়ী হলে সুখে–দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এ সময় ভোটাররাও তাঁকে উৎসাহ দেন। তরুণ ভোটারদের অনেকেই তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে ছবি ও সেলফি তোলেন।হিরো আলমের পিকআপ ভ্যানেই বানানো হয়েছে মিনি মঞ্চ। সেখানে প্যান্ডেলের সঙ্গে লাগানো হয়েছে মাইক।

পিকআপ ভ্যানের দুই পাশে ঝুলছে হিরো আলমের ছবি ও ‘একতারা’ প্রতীক–সম্বলিত ব্যানার। প্রচারণার প্রথম দিনে হিরো আলমের পোশাকেও ছিল চমক। তাঁর পরনে ছিল সাদা পাঞ্জাবির সঙ্গে ধুসর–তামাটে রঙের কটি।

হিরো আলম হেসে বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য বেশ কয়েকটা পোশাক বানাইচি। প্রতিদিনই একতারার প্রচারণায় চমক থাকবি।

’হিরো আলমকে কাছে পেয়ে এরুলিয়া এলাকার একজন ভোটার তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘হামার বাড়ির লোক, তাক ভোট দিয়ে জিতাবার পারলে সুখে–দুঃখে পাশে পাওয়া যাবি।’

অন্য আরেক ভোটার বলেন, ‘হিরো আলম হামাকেরে বাড়ির ছোল (ছেলে)। ঘরের ছোল। তাক (তাঁকে) হামরা জীবন দিয়ে ভালোবাসি। তাক জিতাবার জন্যি জীবন দিয়ে চেষ্টা করমো।’

হিরো আলম বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় বলেন, ‘এলাকা ছাড়া তো ভোট করবার পারমো না। এলাকার লোকের সাড়া লাগবি, এলাকার লোকের সহযোগিতা লাগবি।

এলাকার সাহস, ভালোবাসা ও সহযোগিতা আছে বলেই দুই আসন থেকে নির্বাচন করিচ্চি। এলাকার শক্তি সবচেয়ে বড় শক্তি। এলাকার লোক হামার পাশে আছে। নির্বাচনী মাঠে প্রমাণ করে দিব, এলাকার লোকজন হামাক কতটা ভালোবাসে।

’হিরো আলমকে কাছে পেয়ে এরুলিয়া এলাকার একজন ভোটার তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘হামার বাড়ির লোক, তাক ভোট দিয়ে জিতাবার পারলে সুখে–দুঃখে পাশে পাওয়া যাবি।’

অন্য আরেক ভোটার বলেন, ‘হিরো আলম হামাকেরে বাড়ির ছোল (ছেলে)। ঘরের ছোল। তাক (তাঁকে) হামরা জীবন দিয়ে ভালোবাসি। তাক জিতাবার জন্যি জীবন দিয়ে চেষ্টা করমো।’ পড়ুন>>ভূরুঙ্গামারীর মীর জুমলা মসজিদ (Mir jumla mosque)

হিরো আলম বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় বলেন, ‘এলাকা ছাড়া তো ভোট করবার পারমো না। এলাকার লোকের সাড়া লাগবি, এলাকার লোকের সহযোগিতা লাগবি। এলাকার সাহস, ভালোবাসা ও সহযোগিতা আছে বলেই দুই আসন থেকে নির্বাচন করিচ্চি।

এলাকার শক্তি সবচেয়ে বড় শক্তি। এলাকার লোক হামার পাশে আছে। নির্বাচনী মাঠে প্রমাণ করে দিব, এলাকার লোকজন হামাক কতটা ভালোবাসে।’তথ্য সুত্র ও ছবি

Facebook Comments Box