স্ত্রীকে হয়রানির তদন্তে এফবিআইয়ের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা অপসারিত
- আপডেট সময় : ০১:২২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা স্টিফেন মিলারের স্ত্রী কেটি মিলারকে আসা হয়রানিমূলক ফোনকলের ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) দুই অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটন ফিল্ড অফিসের কাউন্টারটেররিজম কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা স্পেশাল এজেন্ট ইনচার্জ মাইকেল বার্গওয়াল্ড এবং তার উপপ্রধান কোর্টল্যান্ড রে-কে তাদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরো বিষয়টি নিয়ে ব্যুরোর অন্দরে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
ঘটনার সূত্রপাত হয় কনজারভেটিভ পডকাস্টার কেটি মিলারের কাছে আসা অজ্ঞাত কিছু ফোনকলকে কেন্দ্র করে। ওই ফোনকলগুলো হয়রানিমূলক কি না, তা যাচাই করতে গিয়ে ফিল্ড অফিসের দায়িত্বরত দলটি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, অভিযোগটি এফবিআইয়ের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করার মতো যথেষ্ট মানদণ্ড পূরণ করে না। ফলে তারা বিষয়টি আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে এফবিআইয়ের শীর্ষ নেতৃত্ব তাদের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং এরপরই ওই দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত বছর ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ কাশ প্যাটেল এফবিআইয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ট্রাম্প ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অতীতে তদন্তে যুক্ত থাকা অনেক পেশাদার কর্মকর্তাকে হয়রানি, পদাবনতি কিংবা বাধ্যতামুলক অবসরে পাঠানোর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বর্তমান ঘটনাটি নিয়ে ব্যুরোর কর্মীরা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কা করছেন। যদিও এফবিআইয়ের দাবি, এই অপসারণ প্রক্রিয়া কোনো রাজনৈতিক চাপে নয়, বরং মাঠপর্যায়ের কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে ওয়াশিংটন অফিস থেকেই নেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে প্যাটেলের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে ওয়েস্ট পয়েন্ট গ্র্যাজুয়েট ও পুরস্কৃত এই কর্মকর্তাদের এমন আকস্মিক অপসারণ ব্যুরোর অন্দরে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: মানবজমিন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























