ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাক্তার-প্রকৌশলী থেকে পিএইচডি ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারী প্রাথমিকের শিক্ষকতায় ডিমলায় বিআরটিসির অবৈধ পাথর বোঝাই ট্রাক আটক রাণীশংকৈলে বৈদ্যুতিক নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন: সভাপতি সুমন, সম্পাদক মান্নান নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকট: নতুন ইজরায়েলি রাজনীতির সমীকরণ উচ্চকক্ষের স্পিকারের অধীনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের নতুন প্রস্তাব সন্দ্বীপে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে দ্রুততম ১৫০ উইকেটের নতুন রেকর্ড গড়লেন শাহিন আফ্রিদি ফ্রান্সে বিক্ষোভের জেরে প্রায় ১০০০ জন গ্রেপ্তার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫ পদে নিয়োগ: জেনে নিন আবেদনের নিয়ম শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হনুফা বেওয়া জীবন যুদ্ধে  ফুটপাতের চা বিক্রেতা

রংপুর থেকে শরিফা বেগম শিউলী
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২ ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হনুফা বেওয়া জীবন যুদ্ধে  ফুটপাতের চা বিক্রেতা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুরে মৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী  ৮০ উর্ধে বয়স জীবন যুদ্ধে চা বিক্রি করে চলছে জীবনযাপন। স্বাধীনতার ৫১ বছর পরেও দেশের আনাচে কানাচে জানা অজানা অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের মধ্যে একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গংগাচড়া উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমানের পরিবার।

স্থানীয় সকল দপ্তরের কাগজ-কলমে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে গণ্য তিনি।মৃত্যুর পরে তিনি পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সম্মান ।

স্বাধীনতার ৫১ বছর পরেও মুজিবুর রহমানের নাম গেজেট হয়নি। ফলে তার পরিবার এখন গংগাচড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সেপ্টিট‍্যাংকের পাশে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। দেশের জন্য নিজের জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান। যাহার এফ.এফ নং- ২০৪৪।

“মুজিবুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেও অজ্ঞাত কারণে তার নাম গেজেট ভুক্ত হয়নি”

স্থানীয় সকল দপ্তরের কাগজ-কলমে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে গণ্য তিনি।মৃত্যুর পরে তিনি পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সম্মান ।

মৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী  ৮০ উর্ধে বয়সে চা বিক্রি করে চলছে জীবনযাপন

কিন্তু জীবিত অবস্থায় সকল যুদ্ধে বিজয়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান ও তার পরিবার মাথা উচুঁ করে বাচঁলেও মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর তার পরিবারে নেমে এসেছে কাল বৈশাখী ঝড়।

দেশের জন্য যুদ্ধ করেছে মুজিবুর রহমান অথচ তার পরিবারের জন্য ঘর তোলার জমি করতে পারেনি সে। তার মৃত্যুর পরে পরিবারের ঠাই হয়েছে গংগাচড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সেপ্টিট‍্যাংকের পাশে। প্রায় ১০ সদস্যের পরিবারের জীবন বাচাঁতে মুজিবরের স্ত্রী হনুফা বেওয়া জীবন যুদ্ধে এখন ফুটপাতের চা বিক্রেতা।

স্বাধীনতার ৫১ বছর পরেও পায়নি সরকারি সুযোগ সুবিধা

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেও অজ্ঞাত কারণে তার নাম গেজেট ভুক্ত হয়নি।

স্থানীয় সচেতন মহলসহ গংগাচড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী অবিলম্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান এর নাম গেজেট ভুক্ত করে তার পরিবারকে পূর্ণবাসনসহ মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ সুবিধার জন্য জোরদাবী জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হনুফা বেওয়া জীবন যুদ্ধে  ফুটপাতের চা বিক্রেতা

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২

রংপুরে মৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী  ৮০ উর্ধে বয়স জীবন যুদ্ধে চা বিক্রি করে চলছে জীবনযাপন। স্বাধীনতার ৫১ বছর পরেও দেশের আনাচে কানাচে জানা অজানা অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের মধ্যে একজন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গংগাচড়া উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমানের পরিবার।

স্থানীয় সকল দপ্তরের কাগজ-কলমে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে গণ্য তিনি।মৃত্যুর পরে তিনি পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সম্মান ।

স্বাধীনতার ৫১ বছর পরেও মুজিবুর রহমানের নাম গেজেট হয়নি। ফলে তার পরিবার এখন গংগাচড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সেপ্টিট‍্যাংকের পাশে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। দেশের জন্য নিজের জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান। যাহার এফ.এফ নং- ২০৪৪।

“মুজিবুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেও অজ্ঞাত কারণে তার নাম গেজেট ভুক্ত হয়নি”

স্থানীয় সকল দপ্তরের কাগজ-কলমে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে গণ্য তিনি।মৃত্যুর পরে তিনি পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় মর্যাদার সম্মান ।

মৃত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী  ৮০ উর্ধে বয়সে চা বিক্রি করে চলছে জীবনযাপন

কিন্তু জীবিত অবস্থায় সকল যুদ্ধে বিজয়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান ও তার পরিবার মাথা উচুঁ করে বাচঁলেও মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর তার পরিবারে নেমে এসেছে কাল বৈশাখী ঝড়।

দেশের জন্য যুদ্ধ করেছে মুজিবুর রহমান অথচ তার পরিবারের জন্য ঘর তোলার জমি করতে পারেনি সে। তার মৃত্যুর পরে পরিবারের ঠাই হয়েছে গংগাচড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সেপ্টিট‍্যাংকের পাশে। প্রায় ১০ সদস্যের পরিবারের জীবন বাচাঁতে মুজিবরের স্ত্রী হনুফা বেওয়া জীবন যুদ্ধে এখন ফুটপাতের চা বিক্রেতা।

স্বাধীনতার ৫১ বছর পরেও পায়নি সরকারি সুযোগ সুবিধা

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেও অজ্ঞাত কারণে তার নাম গেজেট ভুক্ত হয়নি।

স্থানীয় সচেতন মহলসহ গংগাচড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী অবিলম্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান এর নাম গেজেট ভুক্ত করে তার পরিবারকে পূর্ণবাসনসহ মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ সুবিধার জন্য জোরদাবী জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box