ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুসলিম কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগে সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মারণাস্ত্র নয়, সংঘাতের সমাধানে আলোচনার ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর নীলফামারীতে সুবিধাবঞ্চিত ১০০ পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ দেশ মেরামতে ‘থ্রি-আর’ কৌশল অনুসরণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে মেঘনায় ট্রলারডুবি: নারী নিহত, নিখোঁজ চার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ৩৫ জনের স্থায়ী চাকরি নীলফামারীতে সুবিধাবঞ্চিত ১০০ পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ কাতারে প্রবাসী চাকরিপ্রার্থীদের জন্য জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬ পালিত নোয়াখালীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

মারণাস্ত্র নয়, সংঘাতের সমাধানে আলোচনার ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মারণাস্ত্র নয় বরং যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা এবং মানবতাই হতে পারে পরিবর্তনের আসল হাতিয়ার। বিশ্বের যেকোনো সংঘাতের স্থায়ী সমাধান কেবল পারস্পরিক আলোচনা, কূটনৈতিক তৎপরতা এবং সহযোগিতামূলক সম্পর্কের মাধ্যমেই সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের অকৃত্রিম সম্মান জানান। সেই সঙ্গে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে স্বাধীনতার পর থেকে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানকেও তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের যুগে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ঘটনা অন্য দেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বর্তমানে মানবসৃষ্ট নানা সংকটে বিশ্বের অনেক অঞ্চল অশান্ত হয়ে উঠেছে। সংঘাতের ফলে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে বিশাল জনগোষ্ঠী, যা মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনছে। এছাড়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতি চাপের মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত সমতা, ন্যায্যতা এবং পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থ রক্ষা।

দীর্ঘ দেড় দশকের অধিক সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল হিসেবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বর্তমান বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-কে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। স্মৃতিকাতর হয়ে তিনি বলেন, এই বিশ্বমঞ্চেই অতীতে আমার বাবা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া জনগণের পক্ষে বিশ্বকে বার্তা দিয়েছিলেন। আজ আমিও একটি শান্তিময় বিশ্বের পক্ষে সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করছি।

অভিবাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি মানবসভ্যতার মতোই প্রাচীন। অভিবাসীরা তাদের নিজ দেশ এবং কর্মস্থলের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বাংলাদেশ নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। অন্যদিকে, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ নয় বছরের বেশি সময় ধরে আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনজীবনে যে বড় চাপ তৈরি হয়েছে, তা তিনি পুনরায় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস যেহেতু মিয়ানমার, তাই এর সমাধানও সেখানেই রয়েছে।

পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। বন্যা ও খরা মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া ক্লিন এনার্জি ও সৌরশক্তির ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের জন্য ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং দেশকে ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক কর্মসংস্থান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি’র ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ লক্ষ্যের সঙ্গে এই কর্মসূচির বড় ধরনের মিল রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজন নিয়ে সতর্ক করে বলেন, আজকের ডিজিটাল বৈষম্য যেন ভবিষ্যতে আরও বড় প্রযুক্তিগত বিভাজনে রূপ না নেয়। ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুফল সব দেশ যাতে পায়, সেজন্য জাতিসংঘের একটি কার্যকর ও বৈশ্বিক নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই উত্তরণ টেকসই করতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, অর্থায়ন এবং বাজারে প্রবেশাধিকারের মতো বিষয়গুলোতে বৈশ্বিক সহায়তা প্রয়োজন। তার সরকারের লক্ষ্য একটি স্থিতিশীল, পরিবেশবান্ধব এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত থাকবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্লোবালাইজেশনের এই সময়ে বিশ্বের যে প্রান্তে যা কিছুই ঘটুক, প্রতিটি রাষ্ট্রেই কমবেশি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একে অপরের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেয়ার প্রবণতা বিশ্বশান্তির অন্তরায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে অভিনন্দন জানাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা বিশ্বাস করি, জনগণই আমাদের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা নিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে উদ্বেগ রয়েছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মারণাস্ত্র নয়, সংঘাতের সমাধানে আলোচনার ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মারণাস্ত্র নয় বরং যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা এবং মানবতাই হতে পারে পরিবর্তনের আসল হাতিয়ার। বিশ্বের যেকোনো সংঘাতের স্থায়ী সমাধান কেবল পারস্পরিক আলোচনা, কূটনৈতিক তৎপরতা এবং সহযোগিতামূলক সম্পর্কের মাধ্যমেই সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের অকৃত্রিম সম্মান জানান। সেই সঙ্গে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে স্বাধীনতার পর থেকে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানকেও তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের যুগে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ঘটনা অন্য দেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বর্তমানে মানবসৃষ্ট নানা সংকটে বিশ্বের অনেক অঞ্চল অশান্ত হয়ে উঠেছে। সংঘাতের ফলে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে বিশাল জনগোষ্ঠী, যা মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনছে। এছাড়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতি চাপের মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত সমতা, ন্যায্যতা এবং পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থ রক্ষা।

দীর্ঘ দেড় দশকের অধিক সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল হিসেবে ফ্যাসিবাদমুক্ত বর্তমান বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-কে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। স্মৃতিকাতর হয়ে তিনি বলেন, এই বিশ্বমঞ্চেই অতীতে আমার বাবা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া জনগণের পক্ষে বিশ্বকে বার্তা দিয়েছিলেন। আজ আমিও একটি শান্তিময় বিশ্বের পক্ষে সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করছি।

অভিবাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি মানবসভ্যতার মতোই প্রাচীন। অভিবাসীরা তাদের নিজ দেশ এবং কর্মস্থলের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বাংলাদেশ নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। অন্যদিকে, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ নয় বছরের বেশি সময় ধরে আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনজীবনে যে বড় চাপ তৈরি হয়েছে, তা তিনি পুনরায় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস যেহেতু মিয়ানমার, তাই এর সমাধানও সেখানেই রয়েছে।

পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। বন্যা ও খরা মোকাবিলায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া ক্লিন এনার্জি ও সৌরশক্তির ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের জন্য ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং দেশকে ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যাপক কর্মসংস্থান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি’র ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ লক্ষ্যের সঙ্গে এই কর্মসূচির বড় ধরনের মিল রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভাজন নিয়ে সতর্ক করে বলেন, আজকের ডিজিটাল বৈষম্য যেন ভবিষ্যতে আরও বড় প্রযুক্তিগত বিভাজনে রূপ না নেয়। ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুফল সব দেশ যাতে পায়, সেজন্য জাতিসংঘের একটি কার্যকর ও বৈশ্বিক নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই উত্তরণ টেকসই করতে প্রযুক্তি হস্তান্তর, অর্থায়ন এবং বাজারে প্রবেশাধিকারের মতো বিষয়গুলোতে বৈশ্বিক সহায়তা প্রয়োজন। তার সরকারের লক্ষ্য একটি স্থিতিশীল, পরিবেশবান্ধব এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত থাকবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্লোবালাইজেশনের এই সময়ে বিশ্বের যে প্রান্তে যা কিছুই ঘটুক, প্রতিটি রাষ্ট্রেই কমবেশি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একে অপরের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেয়ার প্রবণতা বিশ্বশান্তির অন্তরায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে অভিনন্দন জানাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা বিশ্বাস করি, জনগণই আমাদের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা নিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে উদ্বেগ রয়েছে।

Facebook Comments Box