ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুসলিম কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগে সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মারণাস্ত্র নয়, সংঘাতের সমাধানে আলোচনার ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর নীলফামারীতে সুবিধাবঞ্চিত ১০০ পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ দেশ মেরামতে ‘থ্রি-আর’ কৌশল অনুসরণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সোনারগাঁয়ে মেঘনায় ট্রলারডুবি: নারী নিহত, নিখোঁজ চার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ৩৫ জনের স্থায়ী চাকরি নীলফামারীতে সুবিধাবঞ্চিত ১০০ পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ কাতারে প্রবাসী চাকরিপ্রার্থীদের জন্য জরুরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬ পালিত নোয়াখালীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

দেশ মেরামতে ‘থ্রি-আর’ কৌশল অনুসরণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতিসংঘে ভাষণ ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট

  • জাতিসংঘে ভাষণ: দেশ মেরামতে সরকার থ্রি-আর কৌশল অনুসরণ করছে
  • ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা: অস্ত্র-গুলি নথিবদ্ধ না করেই বরিশাল র‍্যাবের কাছে পাঠিয়েছিলেন জিয়াউল আহসান
  • আইনি বিশ্লেষণ: ৯ লাখ টাকার আপসনামা কি গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহতের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পারে?
  • আইনি পদক্ষেপ: সাভারে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাবেক ক্র‍্যাব সভাপতি ও বাস মালিকসহ ৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
  • বৈঠক: যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের সঙ্গে শির ‘দারুণ’ আলোচনা হয়েছে

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদের জাঁতাকল থেকে মুক্ত হয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ মেরামতের জন্য সরকার ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ বা ‘থ্রি-আর’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের সামনে এখন অপার সম্ভাবনার দুয়ার খোলা রয়েছে এবং কর্মক্ষম তরুণ জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু ভোটের গণতন্ত্র চাই না, বরং অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন নিশ্চিত করতে চাই, যাতে উন্নয়নের সুফল প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছায়। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ডগুলোকে একটি সমন্বিত ইউনিভার্সাল কার্ডে রূপান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।’

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত। তিনি সামরিক খাতের বাজেট না বাড়িয়ে তা উন্নয়নের জন্য ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নারী সদস্যদের অংশগ্রহণকে তিনি অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে প্রধানমন্ত্রী ৫ দফা প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, গত নয় বছর ধরে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই সংকট নিরসনে কার্যকর ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। সরকার পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি নিয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের মিঠা পানির প্রবাহ বৃদ্ধি ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার মানোন্নয়নের বিষয়ে তিনি জানান, আগামী ৫ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার পাশাপাশি প্রাইমারি শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে দুপুরের খাবার ও স্কুল ইউনিফর্ম প্রদানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় কোনো দেশ যেন পিছিয়ে না থাকে। ডিজিটাল বিভাজন যেন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে না ঘটে, সেদিকে বিশ্ব নেতাদের সচেতন হতে হবে।’ তিনি বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পথযাত্রাকে টেকসই করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসান ঘটিয়ে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফ্যাসিবাদী শাসনামলে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হওয়া গুম খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট আর টাকা পাচারের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আমরা আপনাকে পূর্ণ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একইসঙ্গে আমি বিদায়ী সভাপতি ম্যাডাম এনালেনা বেয়ারবক-কেও তার সুযোগ্য নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শুরুতেই আমি বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্বাধীনতার পর থেকে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবদানকে বিনম্রচিত্তে স্মরণ করছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বীর ছাত্র জনতার গণঅভুত্থানে সকল শহীদ এবং আহতদের প্রতিও আমি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানাই।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেশ মেরামতে ‘থ্রি-আর’ কৌশল অনুসরণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘে ভাষণ ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট

  • জাতিসংঘে ভাষণ: দেশ মেরামতে সরকার থ্রি-আর কৌশল অনুসরণ করছে
  • ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা: অস্ত্র-গুলি নথিবদ্ধ না করেই বরিশাল র‍্যাবের কাছে পাঠিয়েছিলেন জিয়াউল আহসান
  • আইনি বিশ্লেষণ: ৯ লাখ টাকার আপসনামা কি গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহতের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পারে?
  • আইনি পদক্ষেপ: সাভারে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাবেক ক্র‍্যাব সভাপতি ও বাস মালিকসহ ৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
  • বৈঠক: যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্পের সঙ্গে শির ‘দারুণ’ আলোচনা হয়েছে

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদের জাঁতাকল থেকে মুক্ত হয়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ মেরামতের জন্য সরকার ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ বা ‘থ্রি-আর’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের সামনে এখন অপার সম্ভাবনার দুয়ার খোলা রয়েছে এবং কর্মক্ষম তরুণ জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু ভোটের গণতন্ত্র চাই না, বরং অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন নিশ্চিত করতে চাই, যাতে উন্নয়নের সুফল প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছায়। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ডগুলোকে একটি সমন্বিত ইউনিভার্সাল কার্ডে রূপান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।’

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত। তিনি সামরিক খাতের বাজেট না বাড়িয়ে তা উন্নয়নের জন্য ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নারী সদস্যদের অংশগ্রহণকে তিনি অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে প্রধানমন্ত্রী ৫ দফা প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, গত নয় বছর ধরে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই সংকট নিরসনে কার্যকর ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। সরকার পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি নিয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের মিঠা পানির প্রবাহ বৃদ্ধি ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার মানোন্নয়নের বিষয়ে তিনি জানান, আগামী ৫ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ার পাশাপাশি প্রাইমারি শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে দুপুরের খাবার ও স্কুল ইউনিফর্ম প্রদানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় কোনো দেশ যেন পিছিয়ে না থাকে। ডিজিটাল বিভাজন যেন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে না ঘটে, সেদিকে বিশ্ব নেতাদের সচেতন হতে হবে।’ তিনি বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পথযাত্রাকে টেকসই করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসান ঘটিয়ে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফ্যাসিবাদী শাসনামলে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হওয়া গুম খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট আর টাকা পাচারের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আমরা আপনাকে পূর্ণ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একইসঙ্গে আমি বিদায়ী সভাপতি ম্যাডাম এনালেনা বেয়ারবক-কেও তার সুযোগ্য নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শুরুতেই আমি বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্বাধীনতার পর থেকে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবদানকে বিনম্রচিত্তে স্মরণ করছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বীর ছাত্র জনতার গণঅভুত্থানে সকল শহীদ এবং আহতদের প্রতিও আমি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানাই।

Facebook Comments Box