ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষক সংকটের জেরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অবরুদ্ধ শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আইসিসির জোড়া শাস্তির মুখে পাকিস্তান আসিফ নজরুলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মন্তব্যটি ভুয়া সঞ্চয়পত্রের লেনদেনে ভোগান্তি কমাতে চালু হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম বেসরকারি সংস্থা সেতুতে ১৬৯ পদে নিয়োগ, বেতন ও আবেদনের নিয়মাবলি কাতারে ট্যাক্সি ও লিমোজিন সেবায় নিরাপত্তা ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করল কর্তৃপক্ষ হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদের তথ্য দিলে মিলবে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৫৮ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ী ও ভ্যানচালকসহ চারজনকে জরিমানা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার রায় মঙ্গলবার

শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় ব্যবসায়ী এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত তিন ঘণ্টার এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগামী মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। তিনি জানান, এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল, তবে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলোকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংকট রাতারাতি বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি নিরসন করা সম্ভব নয়। সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে এবং সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জ্বালানি ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করার অংশ হিসেবে সরকার নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, জিটুজি ভিত্তিতে এই টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতিমূলক কাজ প্রায় শেষ। আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন এই টার্মিনাল জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্প-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পুরো অর্থনীতির ওপর পড়ে। তাই বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ব্যবসায়ীদের ধৈর্য ধরে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে উন্নয়ন ব্যাহত হয়, যা কারো কাম্য নয়।

মতবিনিময় সভায় ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক উপস্থাপনায় সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন জানান, ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত সংকট রাতারাতি সমাধান করা কঠিন হলেও সরকারের সদিচ্ছা ও পরিকল্পনায় ঘাটতি নেই। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে তেল, গ্যাস ও কয়লানির্ভর উৎপাদন থেকে বেরিয়ে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে।

সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য গণমাধ্যমের সামনে স্পষ্ট করা জরুরি, যাতে বিচ্ছিন্ন তথ্যের কারণে বিভ্রান্তি না ছড়ায়। একইসঙ্গে তিনি বর্তমান সংকট নিরসনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে পাওয়া গঠনমূলক প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক সভায় শিল্প-কারখানার বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতি নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার রাত থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, তাতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। আগামী দিনে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে রূপরেখা সরকার দেখিয়েছে, তা বাস্তবায়ন হলে সংকট স্থায়ীভাবে কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভায় বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিববৃন্দ, পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান এবং পিডিবি চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. এবং প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. উপস্থিত ছিলেন।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় শিল্প উৎপাদন ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। তবে বর্তমান সিদ্ধান্তের ফলে পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগামীকালের (মঙ্গলবার) মধ্যে পূর্বের অবস্থার মতো ফিরবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিন ঘণ্টার এই আলোচনায় তারা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাসের সরবরাহ এক-দেড় মাস আগে যে অবস্থায় ছিল, সে রকম একটা অবস্থায় ফিরে আসবে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সমস্যা পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছে এবং সেগুলো সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো কিছু পরিকল্পনা করা এবং সেটি বাস্তবায়ন করতে সময় লাগে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় ব্যবসায়ী এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত তিন ঘণ্টার এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগামী মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। তিনি জানান, এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল, তবে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলোকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংকট রাতারাতি বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি নিরসন করা সম্ভব নয়। সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে এবং সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জ্বালানি ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা জোরদার করার অংশ হিসেবে সরকার নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, জিটুজি ভিত্তিতে এই টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতিমূলক কাজ প্রায় শেষ। আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন এই টার্মিনাল জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্প-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পুরো অর্থনীতির ওপর পড়ে। তাই বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ব্যবসায়ীদের ধৈর্য ধরে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে উন্নয়ন ব্যাহত হয়, যা কারো কাম্য নয়।

মতবিনিময় সভায় ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক উপস্থাপনায় সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন জানান, ১৬ বছরের পুঞ্জীভূত সংকট রাতারাতি সমাধান করা কঠিন হলেও সরকারের সদিচ্ছা ও পরিকল্পনায় ঘাটতি নেই। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে তেল, গ্যাস ও কয়লানির্ভর উৎপাদন থেকে বেরিয়ে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে।

সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য গণমাধ্যমের সামনে স্পষ্ট করা জরুরি, যাতে বিচ্ছিন্ন তথ্যের কারণে বিভ্রান্তি না ছড়ায়। একইসঙ্গে তিনি বর্তমান সংকট নিরসনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে পাওয়া গঠনমূলক প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক সভায় শিল্প-কারখানার বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতি নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার রাত থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, তাতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। আগামী দিনে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে রূপরেখা সরকার দেখিয়েছে, তা বাস্তবায়ন হলে সংকট স্থায়ীভাবে কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভায় বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিববৃন্দ, পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান এবং পিডিবি চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. এবং প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. উপস্থিত ছিলেন।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় শিল্প উৎপাদন ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। তবে বর্তমান সিদ্ধান্তের ফলে পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ আগামীকালের (মঙ্গলবার) মধ্যে পূর্বের অবস্থার মতো ফিরবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিন ঘণ্টার এই আলোচনায় তারা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাসের সরবরাহ এক-দেড় মাস আগে যে অবস্থায় ছিল, সে রকম একটা অবস্থায় ফিরে আসবে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সমস্যা পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছে এবং সেগুলো সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো কিছু পরিকল্পনা করা এবং সেটি বাস্তবায়ন করতে সময় লাগে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে।

Facebook Comments Box