হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদের তথ্য দিলে মিলবে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার
- আপডেট সময় : ০৪:২২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও থানা থেকে হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে। এই অভিযানে সাধারণ নাগরিকরা যদি হারানো অস্ত্রের সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন, তবে তাদের পরিচয় গোপন রেখে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হবে। অস্ত্র বা গোলাবারুদের ধরন ভেদে এই পুরস্কারের পরিমাণ সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় র্যাব-৭ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন র্যাব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি জানান, রাইফেল, এসএমজি, এলএমজি ও স্নাইপার রাইফেলের তথ্য প্রদানকারীকে ২ লাখ টাকা, শটগান, পিস্তল ও গ্যাসগানের জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার সেলের জন্য ১ হাজার ৫০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়া সব ধরনের গোলাবারুদের ক্ষেত্রে প্রতি রাউন্ডের জন্য ৫০ টাকা পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে।
র্যাব অধিনায়ক বলেন, সরকারি অস্ত্র রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রধান মাধ্যম। এই অস্ত্র অপরাধী বা দুষ্কৃতকারীদের হাতে পৌঁছালে তা বড় ধরনের সামাজিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তার হুমকি তৈরি করে। তাই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ নয়, বরং এটি নাগরিকদেরও সামাজিক দায়িত্বের অংশ। তিনি আহ্বান জানান, কোথাও এ ধরনের অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। এক্ষেত্রে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। সংগৃহীত সঠিক তথ্য বড় ধরনের অপরাধ রোধ ও নিরপরাধ মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা জাতীয় সংকট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তারা সংবাদ প্রতিবেদন, টকশো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তথ্য প্রদানের বিষয়টি পৌঁছে দিতে পারেন। বিশেষ করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে অস্ত্র লুকিয়ে রাখা বা হস্তান্তরের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য সামনে আনা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বক্তব্যের শেষাংশে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, কলম ও ক্যামেরার শক্তি অস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ববোধ এই অভিযানে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণে দ্রুত হারানো অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের শুরুতে র্যাব অধিনায়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় র্যাব-৭-এর আভিযানিক সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন। সভায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ||। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্রের কারণে সহিংসতা, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
সূত্র: রাইজিংবিডি
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























