বরগুনায় অনুমতি ছাড়াই নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন
- আপডেট সময় : ১০:২৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর ২০২২ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে
বরগুনার আমতলীর গুরুদল বঙ্গবন্ধু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের অনুমতি নেই। তবুও সেখানে অবৈধভাবে নবম শ্রেণির ৩১ শিক্ষার্থীর নিবন্ধন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের একটি চক্রের যোগসাজশে ওই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করে বলে জানা গেছে।
বরগুনার আমদলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে গুরুদল বঙ্গবন্ধু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই অবৈধভাবে শিক্ষার্থী নিবন্ধন করা হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯৭ সালে। এরপর ১৯৯৯ সালে বিদ্যালয়টি নবম ও দশম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পায়। কিন্তু পাঠদান অনুমতির শর্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থী না থাকায় ২০০৮ সালে বিদ্যালয়টির পাঠদান অনুমতি বাতিল করে মন্ত্রণালয়।
এরপর ২০১০ সালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুনরায় পাঠদানের অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডকে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তবে এরপর দীর্ঘ দিন পার হয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ পরিদর্শনের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সম্প্রতি বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের কলেজ শাখার সহকারী পরিদর্শক আবুল বাশার, শিক্ষা বোর্ডের কর্মচারী সংঘের সভাপতি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। তবে এখনো বিদ্যালয়টি পাঠদানের কোনো অনুমতি পায়নি। অনুমতি না পেলেও বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে ৩১ শিক্ষার্থীর নিবন্ধন করা হয়েছে।
বোর্ডের একটি সূত্র জানায়, শিক্ষা বোর্ডের একটি চক্রের যোগসাজশে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ জালিয়াতি করে আসছে। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হয়। এ ছাড়া নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দেওয়ার কাজটি মূলত শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শন বিভাগের দায়িত্ব। সেখানে এটা করেছেন সহকারী কলেজ পরিদর্শক।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক পার্শিয়া আক্তার বলেন, ‘পাঠদান বাতিল হওয়ার পর আমরা নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। কিন্তু এরপর আর পরিদর্শন হয়নি। তবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে সহকারী কলেজ পরিদর্শক এসে ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করে গেছেন।’
পাঠদান অনুমতি না পেলেও কীভাবে শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করা হলো? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘নিবন্ধনের জন্য ওয়েবসাইটে আমাদের অ্যাকসেস ছিল। সেটার মাধ্যমে করেছি।’
বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের ব্যাপারে সহকারী কলেজ পরিদর্শক আবুল বাশার বলেন, তিনি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন। এরপর চেয়ারম্যান বরাবর প্রতিবেদনও জমা দিয়েছেন। তবে তিনি দাবি করেন নিবন্ধনের জালিয়াতির বিষয়টি তাঁর জানা নেই।
নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে বলে স্বীকার করেন, শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় শাখার পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিষয়টি কীভাবে ঘটেছে, তা তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তথ্য সুত্র
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























