নাগেশ্বরীতে ৩শত ৯০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে
- আপডেট সময় : ০৪:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
নাগেশ্বরীতে ৩শত ৯০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী নারায়ণপুর ইউনিয়ন এর চরাঞ্চলে সরিষার বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের।
কুড়িগ্রামের নদী উপকূলীয় উপজেলা ও চরাঞ্চলের জমিগুলো কৃষি আবাদের জন্য অন্যতম। সরিষার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তুলনামূলক এ বছর চরাঞ্চলে সরিষার আবাদ বেড়েছে।
সেই সঙ্গে চরের অনাবাদি জমিগুলোতে প্রতি বছর কৃষকেরা সরিষার আবাদ করেছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানায় উপজেলার নারায়ণ পুর ইউনিয়নের প্রায় ৬টি চরে সরিষার আবাদ হয়েছে ১শত ৮৫হেক্টর জমি। ১শত ৮০জন কৃষককে সরকারি ভাবে সার বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
জেনে নিন>> উফসী জাতের বারি-৩৩ গম চাষ পদ্ধতি
চরাঞ্চলে দিগন্ত জুড়ে হলুদ আর হলুদ সরিষার জমিগুলো। কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা না দিলে বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের।
উপজেলা কৃষি অফিসার শাহরিয়ার হোসেন বলেন স্থানীয়ভাবে তেলের চাহিদা মেটাতে ধান কাটার শেষে চরাঞ্চলে পরিত্যক্ত জমিতে পরিকল্পিতভাবে সরিষার আবাদ বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় গঙ্গাধর নদীর পুর্বে নারায়ণ পুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুরী ও ঝাউকুটিতে অধিকাংশ জমিতে সরিষার আবাদ।
পাশাপাশি মৌসুমি অন্য ফসল থাকলেও সরিষার চাষ বেশি। এ বছর নাগেশ্বরীর বিভিন্ন ইউনিয়নে বেড়েছে সরিষার আবাদ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো ফিরোজ হোসেন বলেন, একই সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে চরাঞ্চলের অনাবাদি জমিগুলো সরিষার মাধ্যমে আবাদের আওতায় আনা হয়েছে। এবারে উপজেলার ৩শত ৯০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চৌদ্দঘুরী ও দক্ষিণ ঝাউকুটি চরে ভাঙনের শিকার শাহ আলী, তিনি এ বছর এখানে এসে নতুন করে ঘর বাড়ি তৈরি করেছেন এবং সরিষার আবাদ করেছেন। তার এই সরিষার জমিগুলোতে ফলন ভালো হয়েছে। তিনি ভালো দাম পাবেন বলে আশাবাদী।
পড়ুন>> বীর মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
নারায়ণপুর চরের বাসিন্দা মোবারক আলী জানান, এ বছর শীত কম পড়লেও সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। তাদের পারিবারিক ভোজ্য তেলের চাহিদা মিটিয়ে সরিষা বিক্রি করে তাদের সংসারের খরচ জোগাবে।
একই চরের কৃষক ময়জাল হোসেন জানান, প্রতিবছরই নিজ জমিতে সরিষার আবাদ করেন। এ বছরও করেছেন। এবার ফলন ভালো হলে আগামীতে বেশি করে চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। আমরা যদি চরাঞ্চলে ক্রমান্বয়ে সরিষার আবাদ আরও বৃদ্ধি করতে পারি তাহলে স্থানীয় চাহিদা মিটাতে পারব।


























