চিলমারী তেল ডিপো রক্ষায় কুড়িগ্রামে শ্রমিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০১:২০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
চিলমারী তেল ডিপো রক্ষায় কুড়িগ্রামে শ্রমিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
চিলমারী তেল ডিপো রক্ষায় কুড়িগ্রামে শ্রমিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
কুড়িগ্রামের চিলমারী তেল ডিপোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিহত ও পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ জুন) সকাল ১১টায় কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে রংপুর বিভাগ ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়ন। দুনিয়ার মজদুর এক হও”, “শ্রমিক বাঁচাও, দেশ বাঁচাও”—এমন নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে মানববন্ধনটি । চিলমারী নদী বন্দর থেকে আগত শ্রমিকদের অংশগ্রহণে আয়োজনটি এক উত্তাল প্রতিবাদী প্ল্যাটফর্মে রূপ নেয়।
মানববন্ধনে রংপুর বিভাগ ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের উপদেষ্টা সাংবাদিক, চিলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি, নজরুল ইসলাম সাবু, সহ-সভাপতি মমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল হক, সদস্য মকবুল হোসেন প্রমুখ।
পড়ুন>>মির্জা ফখরুলের আশ্বাসে ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতির হলকে ভেঙ্গে আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ
বক্তারা বলেন, চিলমারী বন্দরের ভাসমান তেল ডিপোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। ডিপোর কার্যক্রম বন্ধ করে শ্রমিকদের রুজি-রোজগারে আঘাত হানা হচ্ছে। অবিলম্বে ডিপো কর্মকর্তাদের অপসারণ এবং নতুন নিয়োগের দাবি জানানো হয়।
পাঁচ দফা দাবিতে বলা হয়, চিলমারী ভাষমান তেল ডিপোর বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করে কর্মকর্তাদের অপসারণ ও নতুন নিয়োগ দিতে হবে। ভাসমান বার্জগুলোকে নদীর পশ্চিম তীরে নিরাপদ ও সুবিধাজনক স্থানে একত্রিত করতে হবে।
ডিপোতে জ্বালানি তেল মজুদ ও পরিবহণ কার্যক্রম উন্নত ট্যাংকলরি ব্যবস্থার মাধ্যমে অবিলম্বে চালু করতে হবে। ডিপোর সঙ্গে যুক্ত করে অত্যাবশ্যকীয় সুবিধাসম্পন্ন চিলমারী ট্যাংকলরি টার্মিনাল নির্মাণ করতে হবে। অস্থায়ী ভাষমান তেল ডিপোকে স্থল ও জলপথের সমন্বয়ে একটি স্থায়ী শোর ডিপোতে রূপান্তর করতে হবে।
মানববন্দনে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, শ্রমিকদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা বন্ধ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
আগামি ২১ জুলাই /২৫ তারিখের মধ্যে তাদের দাবি গুলো মেনে নেওয়া না হলে ২২ জুলাই /২৫ তারিখ থেকে উত্তরবঙ্গ ব্যাপী লাগাতার সকল জেলায় ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান বক্তারা। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, বিপিসি চেয়ারম্যান বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করা হয়।


























