ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারা দেশে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস, লঘুচাপের সম্ভাবনা নাটোরে জার্মান পর্যটকের হারানো ল্যাপটপ উদ্ধার, যা জানাল পুলিশ সৌদিতে হুতিদের হামলায় চার বাংলাদেশি নিহত, ঝুঁকিতে শ্রমবাজার জনগণের অর্থ ব্যয়ে সতর্ক থাকতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, আহত ২৪ শেষ ৩০ মিনিটের ঝড়ে লিভারপুলকে উড়িয়ে দিল ম্যানসিটি ক্যানসারের সাথে লড়াইয়ে ছবিই যখন বেঁচে থাকার ভাষা নাটোর থেকে জার্মান পর্যটকের হারানো ল্যাপটপ উদ্ধার জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে এমপিদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা ফেনীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার বেশি মূল্যের মদ ও গরু জব্দ

ঘিওরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে নদীর বালু লুট

ঘিওর (মানিকগঞ্জ) থেকে মোহসিন খান হিরা
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

ঘিওরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে নদীর বালু লুট

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঘিওরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে নদীর বালু লুট

 

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার মাইলাগী আশ্রয়ন প্রকল্প সংলগ্ন পুরাতন ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধ দুইটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, পিন্টু মিয়া বালু উত্তোলন করছেন। তিনি ঘিওর উপজেলা যুবদের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক।

ড্রেজার মেশিনে সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে “ঘিওরে সরকারি আইটি ভবনের জায়গা মাটি ভরাটের জন্য বালু উত্তোলন করা হচ্ছে”। এই বালু উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে নদীর তীরে অবস্থিত সরকারি স্থাপনাসহ বসতভিটা ও আবাদি জমি।

আশ্রয়ন প্রকল্পের একাধিক ব্যক্তি (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) বলেন, নদীতে বালু উত্তোলনের কারণে আমাদের মাথা গোঁজার একমাত্র জায়গা এই আশ্রায়ন প্রকল্পটাও বর্ষা মৌসুমে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। আমাদের থাকার মতো কোনো জায়গা নাই বলে সরকার আমাদের এখানে থাকতে দিয়েছেন। এই আশ্রায়ন প্রকল্পে মোট ৩৫ টি ঘর রয়েছে । আমরা সবাই গরীব মানুষ, আমাদের এই থাকার জায়গাটা নদীতে ভেঙে গেলে আমাদের থাকার কোন জায়গা থাকবে না। কিন্তু কেউ এই বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।

পড়ুন>>পাইকগাছায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন কপিলমুনি

বালু উত্তোলনকারী পিন্টু মিয়া বলেন, জমির মালিকের কাছ থেকেই মাটি কিনেছি। ড্রেজার আমার ছিল। কাল থেকে কাটাবো না। আপনি আসেন, একসাথে বসে একটু চা খাই আর আপনার সাথে সরাসরি কথা বলি।

ঘিওর উপজেলার বিএনপির সভাপতি মীর মানিকুজ্জান মানিক বলেন, আমার বক্তব্য নিয়ে লাভ নাই। আপনি উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন।

ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা সুলতানা নাসরীন বলেন, কোন ড্রেজারের অনুমতি দেয়া হয়নি। আর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়ে আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঘিওরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে নদীর বালু লুট

আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

ঘিওরে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে নদীর বালু লুট

 

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার মাইলাগী আশ্রয়ন প্রকল্প সংলগ্ন পুরাতন ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধ দুইটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, পিন্টু মিয়া বালু উত্তোলন করছেন। তিনি ঘিওর উপজেলা যুবদের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক।

ড্রেজার মেশিনে সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে “ঘিওরে সরকারি আইটি ভবনের জায়গা মাটি ভরাটের জন্য বালু উত্তোলন করা হচ্ছে”। এই বালু উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে নদীর তীরে অবস্থিত সরকারি স্থাপনাসহ বসতভিটা ও আবাদি জমি।

আশ্রয়ন প্রকল্পের একাধিক ব্যক্তি (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) বলেন, নদীতে বালু উত্তোলনের কারণে আমাদের মাথা গোঁজার একমাত্র জায়গা এই আশ্রায়ন প্রকল্পটাও বর্ষা মৌসুমে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। আমাদের থাকার মতো কোনো জায়গা নাই বলে সরকার আমাদের এখানে থাকতে দিয়েছেন। এই আশ্রায়ন প্রকল্পে মোট ৩৫ টি ঘর রয়েছে । আমরা সবাই গরীব মানুষ, আমাদের এই থাকার জায়গাটা নদীতে ভেঙে গেলে আমাদের থাকার কোন জায়গা থাকবে না। কিন্তু কেউ এই বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।

পড়ুন>>পাইকগাছায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন কপিলমুনি

বালু উত্তোলনকারী পিন্টু মিয়া বলেন, জমির মালিকের কাছ থেকেই মাটি কিনেছি। ড্রেজার আমার ছিল। কাল থেকে কাটাবো না। আপনি আসেন, একসাথে বসে একটু চা খাই আর আপনার সাথে সরাসরি কথা বলি।

ঘিওর উপজেলার বিএনপির সভাপতি মীর মানিকুজ্জান মানিক বলেন, আমার বক্তব্য নিয়ে লাভ নাই। আপনি উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন।

ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা সুলতানা নাসরীন বলেন, কোন ড্রেজারের অনুমতি দেয়া হয়নি। আর সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বালু উত্তোলনের বিষয়ে আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box