কুড়িগ্রাম জিয়া বাজারের চাল ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ০৩:০৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রাম জিয়া বাজারের চাল ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
কুড়িগ্রাম জিয়া বাজারের দোকানে উচ্ছেদের নামে সন্ত্রাসী হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় ডাঃ অমিত কুমার ও জাহাঙ্গীর আলম এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে শতাধিক ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকগণ।
বৃহস্পতিবার ২৮ নভেম্বর দুপুরে কুড়িগ্রাম পৌর বাজার মুল সড়কে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করেন ব্যবসায়ীরা।মানববন্ধন শেষে কুড়িগ্রাম পৌরসভা ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, আমরা দীর্ঘ ৪০/৪৫ বছর হতে চাল দোকান মালিকগণ সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছি। গত ১৩ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে যুগ্ম জজ আদালত- ১ এর নাজির পরিচয়ধারী ব্যক্তি ও দেড় শতাধিক বহিরাগত লোকজন আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে।
কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই দোকানপাট ভাঙচুর মালামাল লুটপাট করে আমাদের উচ্ছেদ করে। আমরা বাঁধা দিতে গেলে ভয়ভীতি দেখিয়ে ডাঃ অমিত কুমার ও জাহাঙ্গীরের লোকজন নতুন স্থাপনা কাজ শুরু করে।
পড়ুন>>গরীব অসহায় লোকদের স্বেচ্ছায় ধান কেটে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ভুরুঙ্গামারী উপজেলা আনসার ভিডিপি
অথচ বছরের পর বছর ওই জায়গা পৌরসভার কাছ থেকে লীজ নিয়ে আমরা ব্যবসা করে আসছি। দীর্ঘ ৪০ বছর পর ডাঃ অমিত কুমার ও জাহাঙ্গীর ওই জায়গার মালিকা দাবি করলেও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখাতে পারে নাই।
যদি প্রকৃত পক্ষে তারা যদি মালিক হয়ে থাকে তাহলে আমাদের কোনো প্রকার নোটিশ ছাড়াই এমন সন্ত্রাসী ও লুটতরাজের মাধ্যমে আমাদেরকে উচ্ছেদ করার অপচেষ্ঠা অবৈধ। তাই এমন ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সুবিচার প্রার্থনা করি।
ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এমন সন্ত্রাসী অবৈধ কর্মকান্ডের পরে কুড়িগ্রাম পৌরসভা ও কুড়িগ্রাম থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো প্রকার আইনী সহায়তা পাইনি।
আমরা বাংলাদেশের নাগরিক ও এই জেলার বাসিন্দা হয়েও কারোর নিকট সহায়তা পাচ্ছি না। আমরা অসহায় ও নিরুপায় হয়ে পড়েছি। অবিলম্বে আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
ডাঃ অমিত কুমার বসু বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। জাহাঙ্গীর আমার কর্মচারি তাকে সহযোগিতা করার কারনে আমার নামে মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে। যতদুর জানি পৈতৃক সুত্রে মালিক জাহাঙ্গীর। আর এ ব্যাপারে আদালত রায় জাহাঙ্গীরের পক্ষে আছে।
আদালতের রায় ও বৈধ কাগজ সুত্রে আমি ওই জমির মালিক। অন্যায় ভাবে জমির মালিকানা দাবি করার কোন ইখতিয়ার আমার নেই।
কুড়িগ্রাম পৌর সভা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার বলেন, আমরা এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনা আদালতে মামলা চলমান আছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


























