ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাতারের উপকূলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হতাহতের খবর নারায়ণগঞ্জে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আওয়ামী লীগের ৪ নেতা বহিষ্কার গারো পাহাড়ের বন দখল, সীমান্তে প্রতিবন্ধকতা আর প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তায় বিপন্ন মানুষ ও বন্যপ্রাণী গারো পাহাড়ে ১৫০ বন্যহাতি, সংরক্ষণে নতুন উদ্যোগ হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণে বসছে এআই ক্যামেরা, অভয়ারণ্য ঘোষণার উদ্যোগ রোনালদোর সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে শাস্তির মুখে পর্তুগাল কোচ জেসুস দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় বিধিনিষেধ রাণীশংকৈলে বীরাঙ্গনা মোজেফা খাতুনের চিরবিদায়; রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে দাফন সম্পন্ন  রাজশাহী-চাঁপাই মহাসড়কে বেপরোয়া ডাম্প ট্রাকের দাপট, জনজীবনে আতঙ্ক যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানি সারোয়ার বহিষ্কার ৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ: লিটন-মিরাজের প্রতিরোধ

কাতারের উপকূলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হতাহতের খবর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কাতারের উত্তর উপকূল থেকে ৯৪ কিলোমিটার বা ৫৮ মাইল দূরে পারস্য উপসাগরের জলসীমায় একটি বহুজাতিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য বিষয়ক সংস্থা ইউকেএমটিও এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্ত জাহাজটির পরিচয় বা নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে। বুধবার মদিনাত আশ শামাল থেকে ৯৪ কিলোমিটার (৫৮ মাইল) উত্তরে সমুদ্রসীমায় জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়। এছাড়া আক্রান্ত জাহাজটি কোন দেশের সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি।

বাণিজ্যিক নৌ পরিবহন বিষয়ক সাময়িকী ‘দ্য মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ’-এর মতে, পারস্য উপসাগরের মধ্যবর্তী বা পশ্চিমাঞ্চলে সাধারণত এমন ট্যাঙ্কার হামলার ঘটনা বিরল। কাতার তাদের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ঘটা এই নজিরবিহীন হামলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। ইউকেএমটিওর ভাষ্যমতে, চলতি মাসের শুরুতেই হরমুজ প্রণালিতে নয়টি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা সেপ্টেম্বর মাসের মোট আক্রমণের প্রায় অর্ধেক।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত। এই পথটি বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করত। যুদ্ধের পর ইরান প্রণালিটি অবরুদ্ধ করে এবং ওয়াশিংটনও ইরানি বন্দরে কঠোর অবরোধ বজায় রেখেছে।

তবে এতসব উত্তজনা ও হামলার ঘটনা সত্ত্বেও তেল সরবরাহ প্রবাহ সচল রয়েছে। তথ্য সংস্থা কেপলারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি যুদ্ধপূর্ব দৈনিক ১৮ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বেড়ে ১৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে। এছাড়া, কাতারে ড্রাইভিং স্কুলের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে কর্তৃপক্ষ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং এ বিষয়ে এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাতারের উপকূলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হতাহতের খবর

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

কাতারের উত্তর উপকূল থেকে ৯৪ কিলোমিটার বা ৫৮ মাইল দূরে পারস্য উপসাগরের জলসীমায় একটি বহুজাতিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য বিষয়ক সংস্থা ইউকেএমটিও এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্ত জাহাজটির পরিচয় বা নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে। বুধবার মদিনাত আশ শামাল থেকে ৯৪ কিলোমিটার (৫৮ মাইল) উত্তরে সমুদ্রসীমায় জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়। এছাড়া আক্রান্ত জাহাজটি কোন দেশের সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি।

বাণিজ্যিক নৌ পরিবহন বিষয়ক সাময়িকী ‘দ্য মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ’-এর মতে, পারস্য উপসাগরের মধ্যবর্তী বা পশ্চিমাঞ্চলে সাধারণত এমন ট্যাঙ্কার হামলার ঘটনা বিরল। কাতার তাদের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ঘটা এই নজিরবিহীন হামলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। ইউকেএমটিওর ভাষ্যমতে, চলতি মাসের শুরুতেই হরমুজ প্রণালিতে নয়টি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা সেপ্টেম্বর মাসের মোট আক্রমণের প্রায় অর্ধেক।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত। এই পথটি বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করত। যুদ্ধের পর ইরান প্রণালিটি অবরুদ্ধ করে এবং ওয়াশিংটনও ইরানি বন্দরে কঠোর অবরোধ বজায় রেখেছে।

তবে এতসব উত্তজনা ও হামলার ঘটনা সত্ত্বেও তেল সরবরাহ প্রবাহ সচল রয়েছে। তথ্য সংস্থা কেপলারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি যুদ্ধপূর্ব দৈনিক ১৮ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বেড়ে ১৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে। এছাড়া, কাতারে ড্রাইভিং স্কুলের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে কর্তৃপক্ষ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং এ বিষয়ে এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box