কাতারের উপকূলে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হতাহতের খবর
- আপডেট সময় : ০৮:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
কাতারের উত্তর উপকূল থেকে ৯৪ কিলোমিটার বা ৫৮ মাইল দূরে পারস্য উপসাগরের জলসীমায় একটি বহুজাতিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য বিষয়ক সংস্থা ইউকেএমটিও এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্ত জাহাজটির পরিচয় বা নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে। বুধবার মদিনাত আশ শামাল থেকে ৯৪ কিলোমিটার (৫৮ মাইল) উত্তরে সমুদ্রসীমায় জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়। এছাড়া আক্রান্ত জাহাজটি কোন দেশের সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি।
বাণিজ্যিক নৌ পরিবহন বিষয়ক সাময়িকী ‘দ্য মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ’-এর মতে, পারস্য উপসাগরের মধ্যবর্তী বা পশ্চিমাঞ্চলে সাধারণত এমন ট্যাঙ্কার হামলার ঘটনা বিরল। কাতার তাদের এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ঘটা এই নজিরবিহীন হামলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। ইউকেএমটিওর ভাষ্যমতে, চলতি মাসের শুরুতেই হরমুজ প্রণালিতে নয়টি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা সেপ্টেম্বর মাসের মোট আক্রমণের প্রায় অর্ধেক।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত। এই পথটি বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করত। যুদ্ধের পর ইরান প্রণালিটি অবরুদ্ধ করে এবং ওয়াশিংটনও ইরানি বন্দরে কঠোর অবরোধ বজায় রেখেছে।
তবে এতসব উত্তজনা ও হামলার ঘটনা সত্ত্বেও তেল সরবরাহ প্রবাহ সচল রয়েছে। তথ্য সংস্থা কেপলারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি যুদ্ধপূর্ব দৈনিক ১৮ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বেড়ে ১৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে। এছাড়া, কাতারে ড্রাইভিং স্কুলের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে কর্তৃপক্ষ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং এ বিষয়ে এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: গালফ বাংলা

























