কক্সবাজারে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দায়েরের অপরাধে ৫ বছর কারাদণ্ড
- আপডেট সময় : ০৯:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩ ৪৫২ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দায়েরের অপরাধে ৫ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
কক্সবাজারে আদালত চত্বরে গণধর্ষণের অভিযোগের বহুল আলোচিত মামলায় ঈদগাঁও উপজেলার রুনা আকতারের ৫ বছরের কারাদন্ড।
ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের শফিকুল ইসলামের কন্যাকে আদালত চত্বর থেকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের কথিত অভিযোগ তুলে দায়ের করা মামলার বাদী রুনা আক্তারকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল- ০১।
আজ ১৩ এপ্রিল বুধবার ১২ এপ্রিল দুপুরে এ রায় প্রদান করা হয়। ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত।
রায় শুনানির সময় আসামী রুনা আক্তার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী বদিউল আলম বলেন, মিথ্যা মামলা দায়ের করে নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করে রেহাই পাওয়া যাবেনা, এমন বার্তায় এসেছে রায় থেকে।
গত বছর কক্সবাজার আদালত চত্বর এলাকা থেকে ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের শফিকুল ইসলাম এর মেয়ে রুনা আক্তার নামের এক অসুস্থ নারী গণধর্ষণের অভিযোগ তুলে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।`
ওই মামলায় রুনা আক্তারের স্বামী ফিরোজ আহমদ, তার দুইজন মামাতো ভাই, ও ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ শরীফ কোম্পানি সহ ওই মামলায় আসামী করা হয়।
উক্ত মামলায় আগাম জামিনের ২১মার্চ ২০২২ তারিখ দিন ধার্য্য ছিল মহামান্য হাইকোর্টে।
ঐ দিন হাইকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে মামলার বাদি রুনা আকতারের স্বামী ফিরোজ, নুরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ শরীফ কোম্পানিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে সাদা পোষাকধারী ১০-১২ জন লোক গিয়ে আটক করে।
এবং রাসেল উদ্দিন অন্যত্র থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় নাই। পরবর্তীতে ২৬ মার্চ ২০২২ ইং আরেকটা অস্ত্র মামলা দেখিয়ে তাদের কে ঈদগাঁও থানায় সোপর্দ করা হয়। বাদী পক্ষের আইনজীবী সাহাব উদ্দিন বলেন,
দীর্ঘ সময় কারাবাসের পর তারা জামিনে মুক্তি পান। এদিকে ওই মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আসামীদের একজন রাশেল উদ্দিন বাদী হয়ে রুনা আক্তারের বিরুদ্ধে ১৭(২) দারায় আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি দীর্ঘ শুনানির পর (১২ এপ্রিল ২০২৩ ইং) বুধবার রায় প্রদান করেন।
কথিত গণধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত ভুক্তভোগী মোহাম্মদ শরীফ কোম্পানি বলেন, এই নারীর মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দী ছিলাম।
একই সাথে আরো একটি মিথ্যা অস্ত্র মামলার আসামী হতে হয়েছে। আমি মনে করি আমার রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ীক প্রতিপক্ষরা আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য একটা সংস্থা কে ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে আমাকে ঐ মামলায় আসামী করা হয়েছে।
আমি ঐ অস্ত্র মামলা থেকেও অব্যাহতি পাওয়ার জন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করতেছি।



























One thought on “কক্সবাজারে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দায়েরের অপরাধে ৫ বছর কারাদণ্ড”