অভয়নগরে গলায় ফাঁস দিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা
- আপডেট সময় : ১১:৪০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩ ৬০৫ বার পড়া হয়েছে
যশোরের অভয়নগরে গলায় ফাঁস দিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।
উপজেলার প্রেমবাগ ইউনিয়নের পাকেরগাতী গ্রামে সোমবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মাবিয়া খাতুন (১১) গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
মৃত মাবিয়া খাতুন পাকেরগাতী গ্রামের জাফর গাজীর মেয়ে এবং মহাকাল মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী । পিতা জাফর গাজী একজন দরিদ্র ভ্যান চালক। ঘটনার ঐ রাতে মৃতের বাবা অভয়নগর থানায় নিজে বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যিার পর সৎ মায়ের সাথে ঝগড়া হয় মাবিয়ার। অভিমানে নিজের বাড়িতে ঘরের চালের ঢাবার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সে।
তার পিতা জাফর গাজী ও ফুফু শিরিনা বেগম তার মৃতদেহটি ফাঁস খুলে নিচে নামিয়ে রাখে। এর আগে তার মা হীরা বেগম ও আত্মহত্যা করে মারা গেছেন বলে জানায় এলাকাবাসী ।
মাবিয়ার পিতা জাফর গাজী জানান, আমি ভ্যান চালিয়ে সোমবার রাতে বাড়িতে আসলেই মেয়ে মাবিয়া খাতুন কলম, খাতা কিনে দেয়ার কথা বলে। আমি পরে কিনে দেওয়ার কথা বলি।
এ বিষয় নিয়ে তার সৎ মায়ের সাথে কথা কাটাকাটিও ঝগড়া-বিবাদ হয়। পরে দেখি আমার বোন শিরিনার ঘরে মাবিয়া গলায় ওড়না পেচিয়ে ডাবার সাথে ঝুলে আছে। আমি যেয়ে ডাবা থেকে নামিয়ে ফেলি, আমরা পরিবারের অণ্য সবাই তাড়াতাড়ি অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
কতর্ব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাঃ মামুনুর রশীদ জানান, মাবিয়াকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হযেছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভয়নগর থানা পুলিশের এস আই বিমান তরফদার জানান, লাশ থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। মেয়ের পিতাকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এক পর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের পিতা বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে। মামলা নং ৪০।
অভয়নগর থানার এস আই নিয়ামুল হক জানান, মর্গে পাঠানোর পর ময়না তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে


























