ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীপুরে পিতাকে লাঠি দিয়ে আঘাতের অভিযোগে পলাতক তরুণ আটক ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ডাকসুতে জয়ই ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথ: মিয়া গোলাম পরওয়ার পাঁচ খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কল্যাণপুর জঙ্গি অভিযান: শেখ হাসিনাসহ ৮ জনের শুনানি পেছাল ট্রাম্প: আমার সমর্থন পাওয়ায় নেতানিয়াহু নিশ্চিত পরাজয় এড়িয়েছেন ব্যালন ডি’অর না জিতলেও আত্মবিশ্বাসী লামিন ইয়ামাল: আসবে আমার সময়ও আইইডিসিআর কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে নিরাপত্তা ঘটনায়, অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ড্যাব গাজীপুর কর অঞ্চলে ৩৪টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি স্পেনের মালাগার সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

পাইকগাছার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

পাইকগাছা(খুলনা) থেকে শেখ খায়রুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩ ১৭২ বার পড়া হয়েছে

পাইকগাছার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনার পাইকগাছার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে স্বস্তিতে পৌরবাসী।

খুলনা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পাইকগাছা পৌরসভার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা ১৮ বছর পর উচ্চ আদালতের আদেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকার কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আল-আমিনের উপস্থিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম মাহমুদুর রহমান, পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম।

জানা যায়, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রিট মামলা নং- ৩৫৯০/২০০৫ ও কন্টেম পিটিশন নং- ১০২/২২ মোতাবেক শনিবার (২০মে) দুপুরে আদালতের আদেশ কার্যকর করা হয়।

এ সময় ৩০ টি পাঁকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হয়। ১৯৮০ সালে মধুমিতা পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৪ সালে একশ্রেণির লোক পার্কের জায়গা দখল করে পাঁকা স্থাপনা করতে থাকলে এর প্রতিবাদে গঠিত হয় মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটি। চলে ব্যাপক আন্দোলন ও সংগ্রাম।

দখলবাজী বন্ধ না হওয়ায় সহকারী জজ আদালত পাইকগাছায় অবৈধ বন্দোবস্ত ও দখলকারিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা দায়ের করেন মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটি।

শুনানির পর বিজ্ঞ আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। এ আদেশ অমান্য করে দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করতে থাকে দখলদারিরা।

সংরক্ষণ কমিটি ২০০৫ সালে মহামান্য হাইকোর্টে ৩৫৯০/০৫ রিট পিটিশন করেন। মহামান্য হাইকোর্ট মামলাটির শুনানি অন্তে ২০০৫ সালের ২৪মে মধুমিতা পার্কের অভ্যান্তরে অবৈধ নির্মান কাজ বন্ধ করার আদেশ দেন।

এরপরও অদ্যাবধি সকল কর্মকান্ড অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে ১০২/২২ কন্টেম পিটিশন হলে শুনানি অন্তে গত ১৩ মার্চ মহামান্য হাইকোর্ট মামলার বিবাদীদেরকে ২০ দিনের মধ্যে সকল অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ করে পার্কটিকে পূর্বের অবস্হায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী এ্যাড.জি,এ সবুর ও পার্ক সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি এ্যাড. এফ,এম,এ রাজ্জাক বলেন, দেরিতে হলেও পার্কের জায়গা দখল মুক্ত হওয়ায় আমরাসহ পৌরবাসী খুশি।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাইকগাছার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

খুলনার পাইকগাছার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে স্বস্তিতে পৌরবাসী।

খুলনা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পাইকগাছা পৌরসভার মধুমিতা পার্কের অবৈধ স্থাপনা ১৮ বছর পর উচ্চ আদালতের আদেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকার কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আল-আমিনের উপস্থিতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এমএম মাহমুদুর রহমান, পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম।

জানা যায়, মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের রিট মামলা নং- ৩৫৯০/২০০৫ ও কন্টেম পিটিশন নং- ১০২/২২ মোতাবেক শনিবার (২০মে) দুপুরে আদালতের আদেশ কার্যকর করা হয়।

এ সময় ৩০ টি পাঁকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হয়। ১৯৮০ সালে মধুমিতা পার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৪ সালে একশ্রেণির লোক পার্কের জায়গা দখল করে পাঁকা স্থাপনা করতে থাকলে এর প্রতিবাদে গঠিত হয় মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটি। চলে ব্যাপক আন্দোলন ও সংগ্রাম।

দখলবাজী বন্ধ না হওয়ায় সহকারী জজ আদালত পাইকগাছায় অবৈধ বন্দোবস্ত ও দখলকারিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা দায়ের করেন মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটি।

শুনানির পর বিজ্ঞ আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। এ আদেশ অমান্য করে দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করতে থাকে দখলদারিরা।

সংরক্ষণ কমিটি ২০০৫ সালে মহামান্য হাইকোর্টে ৩৫৯০/০৫ রিট পিটিশন করেন। মহামান্য হাইকোর্ট মামলাটির শুনানি অন্তে ২০০৫ সালের ২৪মে মধুমিতা পার্কের অভ্যান্তরে অবৈধ নির্মান কাজ বন্ধ করার আদেশ দেন।

এরপরও অদ্যাবধি সকল কর্মকান্ড অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে ১০২/২২ কন্টেম পিটিশন হলে শুনানি অন্তে গত ১৩ মার্চ মহামান্য হাইকোর্ট মামলার বিবাদীদেরকে ২০ দিনের মধ্যে সকল অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদ করে পার্কটিকে পূর্বের অবস্হায় ফিরিয়ে দিতে নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে মধুমিতা পার্ক সংরক্ষণ কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জ্যৈষ্ঠ আইনজীবী এ্যাড.জি,এ সবুর ও পার্ক সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি এ্যাড. এফ,এম,এ রাজ্জাক বলেন, দেরিতে হলেও পার্কের জায়গা দখল মুক্ত হওয়ায় আমরাসহ পৌরবাসী খুশি।

 

Facebook Comments Box