ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

দৌলতখানে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

ভোলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩১২৯ বার পড়া হয়েছে

দৌলতখানে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ আহতরা। ছবি: সময় টিভি

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

 

 

দৌলতখানে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

 

 

    দৌলতখানে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় দলের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

 

 

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্য এবং বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রত্যেক দলের জন্য আলাদা আসন নির্ধারণ করা ছিল।

পড়ুন>> গণসংযোগে বিএনপি- জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৫

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারি নির্ধারিত আসনে বসেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াত নেতাদের উদ্দেশে ‘রাজাকার’ বলে কটূক্তি করলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়িতে রূপ নেয়।

 

 

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের দাওয়াতে তারা নির্ধারিত আসনে বসেছিলেন। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনেই বিএনপি নেতা জাকির হোসেন বাবুল ও যুবদল নেতা জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে তাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি দাবি করেন, হামলার সময় পুলিশ ও প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখেনি।

 

 

 

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, বসার আসন নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ও কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। এতে বিএনপির ৫ থেকে ৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

 

 

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার জানান, বসার আসনকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দৌলতখানে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

 

 

 

দৌলতখানে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

 

 

    দৌলতখানে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় দলের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

 

 

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্য এবং বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রত্যেক দলের জন্য আলাদা আসন নির্ধারণ করা ছিল।

পড়ুন>> গণসংযোগে বিএনপি- জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৫

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা জামায়াতের আমির ও সেক্রেটারি নির্ধারিত আসনে বসেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াত নেতাদের উদ্দেশে ‘রাজাকার’ বলে কটূক্তি করলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়িতে রূপ নেয়।

 

 

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের দাওয়াতে তারা নির্ধারিত আসনে বসেছিলেন। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনেই বিএনপি নেতা জাকির হোসেন বাবুল ও যুবদল নেতা জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে তাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়। এতে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি দাবি করেন, হামলার সময় পুলিশ ও প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখেনি।

 

 

 

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, বসার আসন নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ও কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। এতে বিএনপির ৫ থেকে ৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

 

 

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার জানান, বসার আসনকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

Facebook Comments Box