ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহা-হিসাব নিরীক্ষক কার্যালয়ে ৩৪৭ পদে চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নতুন ট্রাফিক ও সম্পত্তি আইন পাস করল কাতারের শুরা কাউন্সিল শিল্পাঞ্চল ও কেপিআই নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: মহাপরিচালক সুন্দরবনে দুই বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচ জেলে অপহৃত এআই যেন বেকারত্ব না বাড়ায়, সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মোংলা বন্দর হবে দেশের নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী মুচলেকা দিয়ে আদালত থেকে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি মানিকগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার: চার ভাইসহ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ও আটজনের যাবজ্জীবন খুলনায় চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রেল দরপত্র জালিয়াতির তদন্ত নিয়ে গড়িমসি, জানেন না সময়সীমা জিএম

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক

সৃষ্টি স্বাস্থ‍্য ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

প্রতিকী ছবি

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক

 

 

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া প্রচলিত টুথপেস্টের একটি বড় অংশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)।

সংস্থাটির এক বছরব্যাপী গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায়, এর মধ্যে ২৬টি নমুনায় (৭৬.৫ শতাংশ) মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। তবে ৮টি টুথপেস্টে কোনো ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

 

পড়ুন>> অসীম উপকারী ফল তেঁতুল চাষ

ইএসডিওর তথ্যমতে, মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো ৫ মিলিমিটারের কম আকারের ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা, যা টুথপেস্টে ঘষামাজা (abrasive) উপাদান, রং বা অন্যান্য সংযোজক হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। দাঁত ব্রাশ করার সময় এসব কণা সরাসরি পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং পানি ও খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

গবেষণায় পাওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিকের ধরনগুলোর মধ্যে পলিইথিলিন (PE), পলিপ্রোপিলিন (PP) এবং পলিস্টাইরিন (PS)-এর মতো প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

গবেষণায় যেসব টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি, সেগুলো হলো— ১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)।
২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড)।
৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)।
৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)।
৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)।
৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)।
৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)।
৮. কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)।

 

 

ইএসডিওর মতে, টুথপেস্টসহ দৈনন্দিন ব্যবহারের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন এবং নিয়মিত মান পরীক্ষা জরুরি। একই সঙ্গে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব বিকল্প উপাদান ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এছাড়া ভোক্তাদেরও পণ্যের উপাদান তালিকা দেখে সচেতনভাবে টুথপেস্ট নির্বাচন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

 

গবেষণার ফলাফলটি ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং এ বিষয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবি জোরালো করেছে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

 

 

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক

 

 

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া প্রচলিত টুথপেস্টের একটি বড় অংশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)।

সংস্থাটির এক বছরব্যাপী গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায়, এর মধ্যে ২৬টি নমুনায় (৭৬.৫ শতাংশ) মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। তবে ৮টি টুথপেস্টে কোনো ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

 

পড়ুন>> অসীম উপকারী ফল তেঁতুল চাষ

ইএসডিওর তথ্যমতে, মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো ৫ মিলিমিটারের কম আকারের ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা, যা টুথপেস্টে ঘষামাজা (abrasive) উপাদান, রং বা অন্যান্য সংযোজক হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। দাঁত ব্রাশ করার সময় এসব কণা সরাসরি পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং পানি ও খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

গবেষণায় পাওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিকের ধরনগুলোর মধ্যে পলিইথিলিন (PE), পলিপ্রোপিলিন (PP) এবং পলিস্টাইরিন (PS)-এর মতো প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

গবেষণায় যেসব টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি, সেগুলো হলো— ১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড)।
২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড)।
৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড)।
৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত)।
৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত)।
৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত)।
৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত)।
৮. কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)।

 

 

ইএসডিওর মতে, টুথপেস্টসহ দৈনন্দিন ব্যবহারের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন এবং নিয়মিত মান পরীক্ষা জরুরি। একই সঙ্গে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব বিকল্প উপাদান ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এছাড়া ভোক্তাদেরও পণ্যের উপাদান তালিকা দেখে সচেতনভাবে টুথপেস্ট নির্বাচন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

 

গবেষণার ফলাফলটি ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং এ বিষয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণের দাবি জোরালো করেছে।

 

 

Facebook Comments Box