ঢাকা ০৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কাতার কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তরুণ পরিবেশকর্মী রিফাত প্রতি বাংলাদেশির মাথায় ৬৪৬ ডলার বৈদেশিক ঋণ: বিশ্বব্যাংক দুর্নীতিতে অনেক সমবায় সমিতি অকার্যকর হয়ে পড়েছে: রাষ্ট্রপতি ইসরাইলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকট: সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ৩৫ টাকা দরে ৩ লাখ টন আমন ধান কিনবে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী ডিএমপি: জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন হত্যায় বিচার শুরুর নির্দেশ লন্ডনে উদ্বোধন হলো প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীর স্থায়ী ঠিকানা ‘চাটগাঁ হাউস’ দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ছিটকে গেলেন ওপেনার সাদমান ইসলাম

ডোমারে বাদীকে ফাঁসাতে নিজের মাথা ফাটিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ

ডোমার (নীলফামী) থেকে মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ২২০০৪ বার পড়া হয়েছে

ডোমারে বাদীকে ফাঁসাতে নিজের মাথা ফাটিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

ডোমারে বাদীকে ফাঁসাতে নিজের মাথা ফাটিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের আমবাড়ীতে একটি মামলার আসামী জামিনে এসে বাদীকে ফাঁসাতে নিজের মাথা ফাঁটিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করার ঘটনা ঘটেছে। ষাটউর্দ্ধ এক বৃদ্ধের এমন কর্মকান্ডে হতবাগ এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীর শাস্তি দাবী ভূক্তভোগী ও এলাকাবাসীর।

 

 

সরেজমিনে ও মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের ময়নুল ইসলামের পুত্র হাসেম আলী, সচিন চন্দ্র সহ কয়েক জনের নিকট দলিল মুলে মোট ৪ একর ৮৬ শতক জমি ক্রয় করে খাজনা ও খারিজ হাল নাগাদ করে ভোগদখল করিয়া আসিতেছে। তবে উক্ত জমি বাদীর বাড়ী থেকে প্রায় ৩কিলোমিটার দুরে এবং বিবাদীদের বাড়ীর নিকটে হওয়ায় দলিল দাতা করুনা রায় ও পুত্র অনিক রায়ের উক্ত জমিতে লোলুপ দৃষ্টি পড়ে।

 

পড়ুন>>মার্জিন বিধিমালা ২০২৫-এর খসড়া প্রকাশ, মতামত আহ্বান বিএসইসি-র

 

তার নেতৃত্বে ও নির্দেশে স্থানীয় কিছু ভুমিদস্যু একত্রিত হয়ে, দাপট ও পেশীশক্তি বলে বাদীর ভোগ দখলীয় জমি বেদখল করার হুমকি দিতে থাকে| এবং জমি তাদের বর্গা দিতে চাপ প্রয়োগ করে| বাদী পক্ষ এতে রাজি না হলে বিবাদীগন একাধিকবার উক্ত নালিশি জমির ফসল কেটে নেয়ার চেষ্টার করে এবং বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কেটে নিয়ে যায় এবং বাদীকে নানাভাবে লাঞ্চিত করে।

 

 

এরই ধারাবাহিকতায় বাদী আদালতে মামলা করলে আদালত উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদী পক্ষ নালিশী জোতে বে-আইনী অনুপ্রবেশ করিতে না পারে এবং বাদীপক্ষের শান্তিপূর্ণ ভোগদখল ও চাষাবাদে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। বিবাদীগণ এই আদেশ অমান্য করলে বাদী ডোমার থানায় মামলা নং ৭১/২০২৬ইং দায়ের করে।

পড়ুন>> বিক্ষোভের মুখে কড়া নিরাপত্তায় সংসদ ভবন ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

 

 

ওই মামলায় আদালতে হাজির হলে বিচারক সকল আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে আসামীগণ নালিশী জমিতে যাবেনা মর্মে মুচলেকা দিয়ে জামিনে বেড়িয়ে আসে। ওই মামলার অন্যতম আসামী করুণা রায় ও তার পুত্র অনিক রায় গত ১৪ জুলাই ইং তারিখে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে রাত ২ ঘটিকার সময় নালিশী জমির পাশে বাদীর টিনের চালাঘর খুলে নিয়ে যায়। এসময় বাদী খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ ট্রিপল নাইনে ফোন দেয়।

 

সেখানে কোন সুরাহা না পাওয়ায় বাদী স্থানীয় ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ তারিখে করুণা রায় ভেঙ্গে নেয়া ঘর ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও ফেরত দেয়নি। ওই দিন বাদী হাসেম আমবাড়ী মাছ হাটির সামনে করুনা রায়কে ঘর ফেরতের বিষয়ে বললে, তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হাসেমের উপর চড়াও হয়।পরবর্তীতে করুনা রায় বাড়ী ফিরে গিয়ে নিজের মাথা চিরে দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ডোমার থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।

 

পড়ুন>>মেসিদের পাশে দাঁড়িয়ে দি মারিয়ার আবেগঘন বার্তা

 

 

এবিষয়ে হাসেম আলী প্রতিবেদককে জানান, করুনা রায় খুব দুষ্ট প্রকৃতির লোক। তাকে আমার ভেঙ্গে নেয়া ঘর ফেরত দেয়ার কথা বললে, সে আমার উপর চড়াও হয়, আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হাটে শতশত লোকের সামনে হেটে বাড়ী ফিরে যায় পরে শুনি সে মাথা চিরে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থানায় আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে|। আমি প্রসাশনের কাছে সচ্ছ তদন্তের দাবী করছি।

 

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত দোকানদার ও পথচারী রাশেদ, রাজ্জাক, ইয়াছিন,জানান হাসেমের সাথে করুনার কথাকাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়েছে|,মাথায় আঘাতের মতো কোন ঘটনা ঘটেনাই।

আরও পড়ুন-ভারতে ইসলাম ও মুসলমানদের ওপর আক্রমণ বাড়ছে: আরশাদ মাদানি

 

 

 

এবিষয়ে করুনা রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন কিভাবে যে আমার মাথা ফাটলো আমি বলতে পারছিনা। তবে হাসেমের উপর কেন মিথ্যা মাথা ফাটানোর দায় চাপালেন এমন প্রশ্ন করলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডোমারে বাদীকে ফাঁসাতে নিজের মাথা ফাটিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

 

 

ডোমারে বাদীকে ফাঁসাতে নিজের মাথা ফাটিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ

 

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের আমবাড়ীতে একটি মামলার আসামী জামিনে এসে বাদীকে ফাঁসাতে নিজের মাথা ফাঁটিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করার ঘটনা ঘটেছে। ষাটউর্দ্ধ এক বৃদ্ধের এমন কর্মকান্ডে হতবাগ এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দোষীর শাস্তি দাবী ভূক্তভোগী ও এলাকাবাসীর।

 

 

সরেজমিনে ও মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের ময়নুল ইসলামের পুত্র হাসেম আলী, সচিন চন্দ্র সহ কয়েক জনের নিকট দলিল মুলে মোট ৪ একর ৮৬ শতক জমি ক্রয় করে খাজনা ও খারিজ হাল নাগাদ করে ভোগদখল করিয়া আসিতেছে। তবে উক্ত জমি বাদীর বাড়ী থেকে প্রায় ৩কিলোমিটার দুরে এবং বিবাদীদের বাড়ীর নিকটে হওয়ায় দলিল দাতা করুনা রায় ও পুত্র অনিক রায়ের উক্ত জমিতে লোলুপ দৃষ্টি পড়ে।

 

পড়ুন>>মার্জিন বিধিমালা ২০২৫-এর খসড়া প্রকাশ, মতামত আহ্বান বিএসইসি-র

 

তার নেতৃত্বে ও নির্দেশে স্থানীয় কিছু ভুমিদস্যু একত্রিত হয়ে, দাপট ও পেশীশক্তি বলে বাদীর ভোগ দখলীয় জমি বেদখল করার হুমকি দিতে থাকে| এবং জমি তাদের বর্গা দিতে চাপ প্রয়োগ করে| বাদী পক্ষ এতে রাজি না হলে বিবাদীগন একাধিকবার উক্ত নালিশি জমির ফসল কেটে নেয়ার চেষ্টার করে এবং বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কেটে নিয়ে যায় এবং বাদীকে নানাভাবে লাঞ্চিত করে।

 

 

এরই ধারাবাহিকতায় বাদী আদালতে মামলা করলে আদালত উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদী পক্ষ নালিশী জোতে বে-আইনী অনুপ্রবেশ করিতে না পারে এবং বাদীপক্ষের শান্তিপূর্ণ ভোগদখল ও চাষাবাদে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। বিবাদীগণ এই আদেশ অমান্য করলে বাদী ডোমার থানায় মামলা নং ৭১/২০২৬ইং দায়ের করে।

পড়ুন>> বিক্ষোভের মুখে কড়া নিরাপত্তায় সংসদ ভবন ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

 

 

ওই মামলায় আদালতে হাজির হলে বিচারক সকল আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে আসামীগণ নালিশী জমিতে যাবেনা মর্মে মুচলেকা দিয়ে জামিনে বেড়িয়ে আসে। ওই মামলার অন্যতম আসামী করুণা রায় ও তার পুত্র অনিক রায় গত ১৪ জুলাই ইং তারিখে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে রাত ২ ঘটিকার সময় নালিশী জমির পাশে বাদীর টিনের চালাঘর খুলে নিয়ে যায়। এসময় বাদী খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ ট্রিপল নাইনে ফোন দেয়।

 

সেখানে কোন সুরাহা না পাওয়ায় বাদী স্থানীয় ভাবে মিমাংসার চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ তারিখে করুণা রায় ভেঙ্গে নেয়া ঘর ফেরত দেয়ার কথা থাকলেও ফেরত দেয়নি। ওই দিন বাদী হাসেম আমবাড়ী মাছ হাটির সামনে করুনা রায়কে ঘর ফেরতের বিষয়ে বললে, তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হাসেমের উপর চড়াও হয়।পরবর্তীতে করুনা রায় বাড়ী ফিরে গিয়ে নিজের মাথা চিরে দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ডোমার থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।

 

পড়ুন>>মেসিদের পাশে দাঁড়িয়ে দি মারিয়ার আবেগঘন বার্তা

 

 

এবিষয়ে হাসেম আলী প্রতিবেদককে জানান, করুনা রায় খুব দুষ্ট প্রকৃতির লোক। তাকে আমার ভেঙ্গে নেয়া ঘর ফেরত দেয়ার কথা বললে, সে আমার উপর চড়াও হয়, আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হাটে শতশত লোকের সামনে হেটে বাড়ী ফিরে যায় পরে শুনি সে মাথা চিরে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থানায় আমার ও পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে|। আমি প্রসাশনের কাছে সচ্ছ তদন্তের দাবী করছি।

 

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত দোকানদার ও পথচারী রাশেদ, রাজ্জাক, ইয়াছিন,জানান হাসেমের সাথে করুনার কথাকাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়েছে|,মাথায় আঘাতের মতো কোন ঘটনা ঘটেনাই।

আরও পড়ুন-ভারতে ইসলাম ও মুসলমানদের ওপর আক্রমণ বাড়ছে: আরশাদ মাদানি

 

 

 

এবিষয়ে করুনা রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন কিভাবে যে আমার মাথা ফাটলো আমি বলতে পারছিনা। তবে হাসেমের উপর কেন মিথ্যা মাথা ফাটানোর দায় চাপালেন এমন প্রশ্ন করলে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

 

 

Facebook Comments Box