ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল
- আপডেট সময় : ১২:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে এবং সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যার ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর পুলিশ এই চার্জশিট জমা দিয়েছে বলে আজ শুক্রবার সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান নিশ্চিত করেছেন। তদন্তে উঠে এসেছে যে, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা থেকেই অপ্রতিমকে জীবন দিতে হয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যা মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অপরাধে জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মো. সিয়াম (১৯) এবং ১৫ ও ১৬ বছর বয়সী দুইজন। দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। শিশু আইন অনুযায়ী, অভিযুক্ত দুই কিশোরকে শিশু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রয়েছে। এর আগে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব আহমেদও অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।
নিহত শিক্ষার্থীর বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চার্জশিট সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তবে মামলার বিস্তারিত তথ্য এখনো তার কাছে অস্পষ্ট। তিনি দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, দুই আসামির বয়স কম দেখানো হয়েছে উল্লেখ করে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের বয়স পুনর্নির্ধারণের দাবি তুলেছেন তিনি। গত শনিবার কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানও জানিয়েছিলেন যে দ্রুতই মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে অপ্রতিম আইফোন নিয়ে ছবি তোলার কথা বলে কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর তার বাবা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বড় ধরনের সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়েছিল। এ ঘটনা দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























