অপ্রতীম মৃত্যুর ঘটনা মামলা: তদন্ত কর্মকর্তার বড় পরিবর্তন
- আপডেট সময় : ০৭:২০:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
অপ্রতীম মৃত্যুর ঘটনা মামলা: তদন্ত কর্মকর্তার বড় পরিবর্তন
কুমিল্লার আলোচিত অপ্রতীম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান। মামলার গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। আগে এই মামলার তদন্তে ছিলেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম।
নতুন দায়িত্ব পাওয়া তদন্ত কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ জানিয়েছেন, পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাতে পাওয়ার পরপরই তিনি কাজ শুরু করবেন এবং দ্রুততম সময়ে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার চেষ্টা করবেন। সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, এখন থেকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নিজেই মামলাটির নথিপত্র দেখভাল করবেন।
পড়ুন>>দুধের পর এবার ডিম খেয়ে অসুস্থ ঠাকুরগাঁওয়ের ২০ শিক্ষার্থী
গত ১৮ সেপ্টেম্বর আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রতীম। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের সন্তান। পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। একই দিন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও মুঠোফোনের সূত্র ধরে এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সংশ্লিষ্টতার দায়ে যাদের গ্রেপ্তার করে সে বর্ডার গার্ড হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
- সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯)
- মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫)
- মো. কামরুল হাসান (১৬)
- জড়িত সন্দেহে মো. সিয়াম (১৯)
পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই অপ্রতীমকে বাঁশ ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সিয়াম বাদে বাকি তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন এবং অপর দুই কিশোরকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
পড়ুন>>দুধের পর এবার ডিম খেয়ে অসুস্থ ঠাকুরগাঁওয়ের ২০ শিক্ষার্থী
ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য অপ্রতীমকে মাথায় বাঁশ ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে তার মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায় ওই তিনজন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























