ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চুয়েটে ক্লাস শুরু নিয়ে বিভাগীয় প্রধানদের ভিন্নমত কেপটাউন টেস্টে মিচেল স্টার্কের বোলিং তাণ্ডব: ৩২৯ রানে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সফটওয়্যার প্রোগ্রামার নিয়োগ: আবেদনের সুযোগ ভালুকায় সেলুন ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করে মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ সুন্দরবনে দস্যুদের সাথে বন্দুকযুদ্ধ, জিম্মি থেকে ৫ জেলে উদ্ধার বকেয়া বেতনের দাবিতে চালডাল কর্মীদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহায়তা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান উখিয়ায় নলকূপ খননের সময় অগ্নিকাণ্ড: নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনী আইজিপি’র ‘ক্রসফায়ার’ সম্পর্কিত বক্তব্যের অপব্যাখ্যা অপরাধীদের উৎসাহিত করবে

৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে সিএমএসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে সিএমএসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

 

দেশের প্রায় ৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে ক্ষুদ্র শিল্প বা সিএমএসএমই (CMSME) খাতের অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। চলমান অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছে।

 

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবিগুলো তুলে ধরেন সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান।

পড়ুন>>ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বিশেষ স্বীকৃতি পেল আকিজ রিসোর্সের দুই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান

সংগঠনটির ভাষ্যমতে, দেশের অর্থনীতি ও স্থানীয় বাজারব্যবস্থা সচল রাখতে রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তবে বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, অতিরিক্ত দোকানভাড়া এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে এই খাতের ব্যবসায়ীরা চরম সংকটের মুখে পড়েছেন। ক্রেতা কমে যাওয়ায় অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মূলধন ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন এবং অনেকের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

 

ব্যবসায়ী নেতারা অভিযোগ করেন, সরকার ক্ষুদ্র শিল্প ও উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন সময় স্বল্প সুদের ঋণ বা পুনঃ অর্থায়নের ব্যবস্থা করলেও নীতিগত স্বীকৃতির অভাবে ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীরা এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নিজেদের পুঁজিতে কর্মসংস্থান তৈরি করলেও সরকারি কোনো সহায়তা না পাওয়ায় তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

পড়ুন>>সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে কাতার ও উজবেকিস্তানের ঐতিহাসিক পাঁচ বছর মেয়াদী চুক্তি

সংকট নিরসনে আট দফা দাবি তুলে ধরেছে সমিতি। এর মধ্যে অন্যতম হলো ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীদের সিএমএসএমই খাতের স্বীকৃতি প্রদান এবং অতিরিক্ত জামানত ও কাগজপত্রের জটিলতা কমিয়ে সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্প সুদে ঋণ নিশ্চিত করা।

 

 

এছাড়া বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি, অবৈধ সার্ভিস চার্জ এবং দখলদারি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার সার্বিক ব্যয় কমানোর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে সিএমএসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে সিএমএসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

 

দেশের প্রায় ৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে ক্ষুদ্র শিল্প বা সিএমএসএমই (CMSME) খাতের অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। চলমান অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছে।

 

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবিগুলো তুলে ধরেন সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান।

পড়ুন>>ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বিশেষ স্বীকৃতি পেল আকিজ রিসোর্সের দুই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান

সংগঠনটির ভাষ্যমতে, দেশের অর্থনীতি ও স্থানীয় বাজারব্যবস্থা সচল রাখতে রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তবে বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, অতিরিক্ত দোকানভাড়া এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে এই খাতের ব্যবসায়ীরা চরম সংকটের মুখে পড়েছেন। ক্রেতা কমে যাওয়ায় অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মূলধন ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন এবং অনেকের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

 

ব্যবসায়ী নেতারা অভিযোগ করেন, সরকার ক্ষুদ্র শিল্প ও উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন সময় স্বল্প সুদের ঋণ বা পুনঃ অর্থায়নের ব্যবস্থা করলেও নীতিগত স্বীকৃতির অভাবে ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীরা এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নিজেদের পুঁজিতে কর্মসংস্থান তৈরি করলেও সরকারি কোনো সহায়তা না পাওয়ায় তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

পড়ুন>>সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে কাতার ও উজবেকিস্তানের ঐতিহাসিক পাঁচ বছর মেয়াদী চুক্তি

সংকট নিরসনে আট দফা দাবি তুলে ধরেছে সমিতি। এর মধ্যে অন্যতম হলো ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীদের সিএমএসএমই খাতের স্বীকৃতি প্রদান এবং অতিরিক্ত জামানত ও কাগজপত্রের জটিলতা কমিয়ে সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্প সুদে ঋণ নিশ্চিত করা।

 

 

এছাড়া বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি, অবৈধ সার্ভিস চার্জ এবং দখলদারি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার সার্বিক ব্যয় কমানোর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

 

 

Facebook Comments Box