৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে সিএমএসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি
- আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে সিএমএসএমই খাতের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি
দেশের প্রায় ৭০ লাখ ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীকে ক্ষুদ্র শিল্প বা সিএমএসএমই (CMSME) খাতের অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির জোরালো দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। চলমান অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি খোলা চিঠি পাঠিয়েছে।
রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাবিগুলো তুলে ধরেন সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান।
পড়ুন>>ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বিশেষ স্বীকৃতি পেল আকিজ রিসোর্সের দুই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান
সংগঠনটির ভাষ্যমতে, দেশের অর্থনীতি ও স্থানীয় বাজারব্যবস্থা সচল রাখতে রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তবে বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, অতিরিক্ত দোকানভাড়া এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে এই খাতের ব্যবসায়ীরা চরম সংকটের মুখে পড়েছেন। ক্রেতা কমে যাওয়ায় অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মূলধন ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন এবং অনেকের ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
ব্যবসায়ী নেতারা অভিযোগ করেন, সরকার ক্ষুদ্র শিল্প ও উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন সময় স্বল্প সুদের ঋণ বা পুনঃ অর্থায়নের ব্যবস্থা করলেও নীতিগত স্বীকৃতির অভাবে ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীরা এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। নিজেদের পুঁজিতে কর্মসংস্থান তৈরি করলেও সরকারি কোনো সহায়তা না পাওয়ায় তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
পড়ুন>>সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে কাতার ও উজবেকিস্তানের ঐতিহাসিক পাঁচ বছর মেয়াদী চুক্তি
সংকট নিরসনে আট দফা দাবি তুলে ধরেছে সমিতি। এর মধ্যে অন্যতম হলো ক্ষুদ্র দোকান ব্যবসায়ীদের সিএমএসএমই খাতের স্বীকৃতি প্রদান এবং অতিরিক্ত জামানত ও কাগজপত্রের জটিলতা কমিয়ে সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্প সুদে ঋণ নিশ্চিত করা।
এছাড়া বিভিন্ন মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি, অবৈধ সার্ভিস চার্জ এবং দখলদারি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার সার্বিক ব্যয় কমানোর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।


























