ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভালুকায় সেলুন ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করে মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগ সুন্দরবনে দস্যুদের সাথে বন্দুকযুদ্ধ, জিম্মি থেকে ৫ জেলে উদ্ধার বকেয়া বেতনের দাবিতে চালডাল কর্মীদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহায়তা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান উখিয়ায় নলকূপ খননের সময় অগ্নিকাণ্ড: নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনী আইজিপি’র ‘ক্রসফায়ার’ সম্পর্কিত বক্তব্যের অপব্যাখ্যা অপরাধীদের উৎসাহিত করবে সৌদির রাস তানুরা তেল শোধনাগারে হামলার দাবি হুতিদের দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪০০ ছাড়াল নওগাঁয় শ্যালিকাকে বিয়ে, যুবক ও দুই স্ত্রীর মুখে চুনকালি দিয়ে গ্রামছাড়া সীতাকুণ্ডে লরির ধাক্কায় বাসের ৫ যাত্রী নিহত

সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বে আলো ছড়াচ্ছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

ফাতিউস ফাহমিদ, ব্যবস্থাপক, যোগাযোগ দপ্তর, ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়।
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে

সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বে আলো ছড়াচ্ছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বে আলো ছড়াচ্ছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ১৫৬ জন শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের মিলেনিয়াম ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা শিক্ষা, জলবায়ু, স্বাস্থ্য, জেন্ডার সমতা, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচনসহ বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে কাজ করবেন। তাদের প্রকল্পগুলো বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের বাস্তব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অবদান রাখবে।

টানা পঞ্চম বছরের মতো ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এই ফেলোশিপে অংশ নিচ্ছেন। মিলেনিয়াম ফেলোশিপ ইউনাইটেড নেশনস একাডেমিক ইমপ্যাক্ট (ইউএনএআই) এবং মিলেনিয়াম ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক (এমসিএন) পরিচালিত একটি কর্মসূচি। এটি স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নেতৃত্ব উন্নয়ন প্রকল্প। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভাবনাকে বাস্তব সামাজিক Another রূপ দেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জন্য এই ফেলোশিপ শিক্ষা, নেতৃত্ব, সেবা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

এ বছর বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশের ছয় হাজারেরও বেশি ক্যাম্পাস থেকে ৭৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করেন। এর মধ্যে প্রায় ৩৩০টি ক্যাম্পাস থেকে ৫,৫০০ এর বেশি শিক্ষার্থী মিলেনিয়াম ফেলো হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা), এসডিজি-১০ (অসমতা হ্রাস), এসডিজি-১৩ (জলবায়ু কার্যক্রম), এসডিজি-১৬ (শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান) এবং এসডিজি-১৭ (লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্ব) এর সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করবেন।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জন্য শিক্ষার্থীদের এই অর্জন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বিশ্ববিদ্যালয়টি ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। এই সাফল্য প্রমাণ করে, শিক্ষা শুধু ক্লাসরুমের পাঠদানে সীমাবদ্ধ নয়। এর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের সমাজের বাস্তব সমস্যা বুঝতে শেখানো এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করা। আর এভাবেই তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখার সক্ষমতা অর্জন করে।

 

ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, “শিক্ষা তখনই সবচেয়ে অর্থবহ হয় যখন তা তরুণদের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সুযোগ দেয়।”

তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে যে আন্তরিকতা ও অঙ্গীকার দেখিয়েছে, তার স্বীকৃতি পাওয়া সত্যিই আনন্দের। তাদের উদ্যোগগুলোতে সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি সহমর্মিতা এবং সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করার আগ্রহ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, এই গুণগুলোই ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

প্রতি বছর মিলেনিয়াম ফেলোশিপে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। ২০২১ সালে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ১৪ জন শিক্ষার্থী প্রথমবারের মতো মিলেনিয়াম ফেলোশিপে নির্বাচিত হন। এরপর ২০২২ সালে ২২ জন, ২০২৪ সালে ২৬ জন এবং ২০২৫ সালে ৫০ জন শিক্ষার্থী এই ফেলোশিপ পান। এ বছর ১৫৬ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন, যা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অংশগ্রহণ। এটি মিলেনিয়াম ফেলোশিপের ইতিহাসে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার এবং এমসিএনের সিভিক লার্নিং কাউন্সিলের কো-চেয়ার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড বলেন, “মিলেনিয়াম ফেলোশিপ শিক্ষার্থীদের শেখার সঙ্গে সমাজের প্রয়োজনকে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করে। এই ফেলোশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানুষের জন্য কাজ করার, সমাজের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার এবং শ্রেণিকক্ষের বাইরেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সুযোগ পায়।”

গত ২০ আগস্ট ২০২৬ ‘মিলেনিয়াম ফেলোশিপ গ্লোবাল টাউন হল’-এর মাধ্যমে এ বছর নির্বাচিত ফেলোদের যাত্রা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে তারা নিজেদের প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে কাজ করবেন এবং সেই উদ্যোগগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করবেন।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বে আলো ছড়াচ্ছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১০:৫১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

 

 

সমাজ পরিবর্তনের নেতৃত্বে আলো ছড়াচ্ছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ১৫৬ জন শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের মিলেনিয়াম ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা শিক্ষা, জলবায়ু, স্বাস্থ্য, জেন্ডার সমতা, উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচনসহ বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে কাজ করবেন। তাদের প্রকল্পগুলো বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের বাস্তব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অবদান রাখবে।

টানা পঞ্চম বছরের মতো ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এই ফেলোশিপে অংশ নিচ্ছেন। মিলেনিয়াম ফেলোশিপ ইউনাইটেড নেশনস একাডেমিক ইমপ্যাক্ট (ইউএনএআই) এবং মিলেনিয়াম ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক (এমসিএন) পরিচালিত একটি কর্মসূচি। এটি স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নেতৃত্ব উন্নয়ন প্রকল্প। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভাবনাকে বাস্তব সামাজিক Another রূপ দেওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জন্য এই ফেলোশিপ শিক্ষা, নেতৃত্ব, সেবা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

এ বছর বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশের ছয় হাজারেরও বেশি ক্যাম্পাস থেকে ৭৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করেন। এর মধ্যে প্রায় ৩৩০টি ক্যাম্পাস থেকে ৫,৫০০ এর বেশি শিক্ষার্থী মিলেনিয়াম ফেলো হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা), এসডিজি-১০ (অসমতা হ্রাস), এসডিজি-১৩ (জলবায়ু কার্যক্রম), এসডিজি-১৬ (শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান) এবং এসডিজি-১৭ (লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্ব) এর সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করবেন।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জন্য শিক্ষার্থীদের এই অর্জন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বিশ্ববিদ্যালয়টি ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। এই সাফল্য প্রমাণ করে, শিক্ষা শুধু ক্লাসরুমের পাঠদানে সীমাবদ্ধ নয়। এর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের সমাজের বাস্তব সমস্যা বুঝতে শেখানো এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করা। আর এভাবেই তারা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখার সক্ষমতা অর্জন করে।

 

ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, “শিক্ষা তখনই সবচেয়ে অর্থবহ হয় যখন তা তরুণদের মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সুযোগ দেয়।”

তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে যে আন্তরিকতা ও অঙ্গীকার দেখিয়েছে, তার স্বীকৃতি পাওয়া সত্যিই আনন্দের। তাদের উদ্যোগগুলোতে সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি সহমর্মিতা এবং সমাজের বাস্তব সমস্যাগুলো নিয়ে কাজ করার আগ্রহ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, এই গুণগুলোই ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

প্রতি বছর মিলেনিয়াম ফেলোশিপে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। ২০২১ সালে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ১৪ জন শিক্ষার্থী প্রথমবারের মতো মিলেনিয়াম ফেলোশিপে নির্বাচিত হন। এরপর ২০২২ সালে ২২ জন, ২০২৪ সালে ২৬ জন এবং ২০২৫ সালে ৫০ জন শিক্ষার্থী এই ফেলোশিপ পান। এ বছর ১৫৬ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন, যা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অংশগ্রহণ। এটি মিলেনিয়াম ফেলোশিপের ইতিহাসে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার এবং এমসিএনের সিভিক লার্নিং কাউন্সিলের কো-চেয়ার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড বলেন, “মিলেনিয়াম ফেলোশিপ শিক্ষার্থীদের শেখার সঙ্গে সমাজের প্রয়োজনকে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করে। এই ফেলোশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানুষের জন্য কাজ করার, সমাজের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত হওয়ার এবং শ্রেণিকক্ষের বাইরেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার সুযোগ পায়।”

গত ২০ আগস্ট ২০২৬ ‘মিলেনিয়াম ফেলোশিপ গ্লোবাল টাউন হল’-এর মাধ্যমে এ বছর নির্বাচিত ফেলোদের যাত্রা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে তারা নিজেদের প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে কাজ করবেন এবং সেই উদ্যোগগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করবেন।

 

Facebook Comments Box