ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রামপুলিশের বেতন ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাহুল: তাঁদের আমি পাগল করে দেব উইন্ডিজের বিপক্ষে তাওহিদ হৃদয়ের দুর্দান্ত প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি জামালপুরে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের তিন জনসহ নিহত ৪ সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরে ৩০ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠাল ইরান হৃদয়ের প্রথম টেস্ট ফিফটির দিনে চাপ বাড়াল মুশফিক-লিটনের বিদায় ভাষা ও জ্ঞানচর্চার নতুন ভাবনা নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু মার্কিন রাজনীতিতে নিজের পরিচয় নিয়ে দৃঢ় অবস্থানে এল-সায়েদ ৭ নভেম্বরে জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

রাহুল: তাঁদের আমি পাগল করে দেব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতে ভোট চুরি ও ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন বা এসআইআর ইস্যু নিয়ে মোদি সরকারের নীতি ও অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে প্রকাশ্যে মুখোমুখি বিতর্কে অংশ নেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তিনি। মোদির পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে এসআইআর নিয়ে আলোচনার বিশেষ অধিবেশন ডাকার আশ্বাস দিলেও তা নিয়ে পাল্টা জবাব দিয়েছেন রাহুল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দুটি পুরোনো ও সাম্প্রতিক বক্তব্যের ক্লিপিং শেয়ার করে রাহুল গান্ধী সরকারি ‘দ্বিচারিতা’ প্রকাশ্যে এনেছেন। ভিডিও ক্লিপগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে তিনি কটাক্ষের সুরে মন্তব্য করেন, বিজেপি নেতারা বিভ্রান্তিতে পড়ে গেছেন এবং তাঁদের তিনি পাগল করে দেবেন। রাহুল জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো সময় ও যেকোনো নিরপেক্ষ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী যেন তাঁর মুখোমুখি বিতর্কে বসার সাহস দেখান। সেই মঞ্চে আপনি থাকবেন, আমি থাকব, জনতা থাকবে, মিডিয়া থাকবে। অমিত শাহর ওই জবাবই হয়ে ওঠে রাহুল গান্ধীর মোক্ষম অস্ত্র। গতকাল শুক্রবার রাতে ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে অমিত শাহকে উদ্দেশ করে এক পোস্টে রাহুল লিখেছেন, ‘মোদিজিকে বিভ্রান্ত করবেন না।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেওয়া চ্যালেঞ্জের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাহুল গান্ধী পূর্বের বক্তব্যে বলেছিলেন, কোথায় ও কবে বিতর্ক হবে তা মোদি নিজেই ঠিক করতে পারেন। এমনকি বিবাদ মেটাতে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে মধ্যস্থতাকারী বা বিচারক নিযুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি। রাহুল প্রশ্ন তোলেন, কেন তাড়াহুড়া করে মন্ত্রিসভাকে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করা হলো এবং শিল্পপতি আদানির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মামলা কেন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল। প্রকাশ্য বিতর্কেই ঠিক হবে কারা প্রকৃত দেশপ্রেমিক আর কারা বিদেশিদের কৃপায় টিকে আছেন। বিতর্ক সভায় কাকে বিচারক হিসেবে চান, তা–ও ঠিক করুন। কারা দেশপ্রেমী, কারা দেশদ্রোহী—সবকিছুর ফয়সালা সেখানেই হয়ে যাবে।’।

কংগ্রেস নেতার এই আক্রমণের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গত বৃহস্পতিবার হরিয়ানার একটি জনসভায় বলেছিলেন, রাহুলকে খোলা ময়দানে বা অন্য কোনো রাজনৈতিক মঞ্চে বিতর্কে নামতে হবে না। সরকার চাইলে সংসদে এসআইআর ইস্যুতে বিশেষ অধিবেশন ডাকতে রাজি আছে এবং রাহুল যেন সেখানে এসে আলোচনা করেন। তবে রাহুলের দাবি, এই কথাগুলোর মাধ্যমে বিজেপি তাদের অবস্থান থেকে পিছু হটার চেষ্টা করছে। আমার সঙ্গে খোলাখুলি বিতর্কে বসতে শুধু তাঁকে রাজি করান।

রাহুল গান্ধী যে দুটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেছেন, তার মধ্যে প্রথমটি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বরের। সেদিন এসআইআর ইস্যুতে উত্তাল সংসদে আলোচনা প্রসঙ্গে অমিত শাহ সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিষয়টি নিয়ে সংসদে কোনো আলোচনা করা যাবে না। তাঁর যুক্তি ছিল, সংসদীয় আলোচনার সময় যে ধরনের প্রশাসনিক বা সাংবিধানিক প্রশ্ন উঠবে, সেগুলোর জবাব দেওয়ার এখতিয়ার বা বাধ্যবাধকতা নির্বাচন কমিশনের अधिकारियोंর নেই, কারণ তাঁরা সরকারের অধীনস্থ কোনো কর্মচারী নন।

অন্যদিকে, রাহুলের তুলে ধরা দ্বিতীয় ভিডিও ক্লিপটি ছিল ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বরের, যেখানে হরিয়ানার জনসভায় দেওয়া ভাষণে অমিত শাহ রাহুলকে সরাসরি সংসদে আলোচনার আহ্বান জানান। সেখানে তিনি বলেন, মোদির প্রয়োজন নেই, এসআইআর নিয়ে কথা বলতে তিনি নিজেই বিশেষ অধিবেশন ডাকতে প্রস্তুত। রাহুলের মতে, এক বছরের ব্যবধানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য সরকারের দ্বিচারিতাকেই প্রমাণ করে। পরের ক্লিপিংটা গত ৫ নভেম্বরের, হরিয়ানার জনসভায় অমিত শাহর ভাষণ থেকে নেওয়া।

এই ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ নিয়ে মাঠে নেমেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি। সাবেক মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পর তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। রাহুলের সমালোচনার জবাবে প্রহ্লাদ যোশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, কংগ্রেস নেতাই মূল বিভ্রান্তিতে ভুগছেন। ভোটে জিতলে ব্যবস্থা ঠিক থাকে, আর হেরে গেলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা তাঁর পুরনো স্বভাব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন সংসদে বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তাব দিয়েছেন, তখন সেখানে না গিয়ে বাইরে নাটক করার কোনো যুক্তি নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিজেপি নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে সাফাই গাইলেও এক বছর আগের অবস্থানের সঙ্গে বর্তমান বক্তব্যের অমিল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সংসদে এসআইআর নিয়ে আলোচনার আগের অনিচ্ছার কথা মনে করিয়ে দিয়ে রাহুল গান্ধী বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক যুক্তি ও স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন আলোচনায় রাজি থাকলে তাঁর এক বছর আগের যুক্তি অসাড় প্রতিপন্ন হয়।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাহুল: তাঁদের আমি পাগল করে দেব

আপডেট সময় : ০২:১৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ভারতে ভোট চুরি ও ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন বা এসআইআর ইস্যু নিয়ে মোদি সরকারের নীতি ও অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে প্রকাশ্যে মুখোমুখি বিতর্কে অংশ নেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তিনি। মোদির পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে এসআইআর নিয়ে আলোচনার বিশেষ অধিবেশন ডাকার আশ্বাস দিলেও তা নিয়ে পাল্টা জবাব দিয়েছেন রাহুল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর দুটি পুরোনো ও সাম্প্রতিক বক্তব্যের ক্লিপিং শেয়ার করে রাহুল গান্ধী সরকারি ‘দ্বিচারিতা’ প্রকাশ্যে এনেছেন। ভিডিও ক্লিপগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে তিনি কটাক্ষের সুরে মন্তব্য করেন, বিজেপি নেতারা বিভ্রান্তিতে পড়ে গেছেন এবং তাঁদের তিনি পাগল করে দেবেন। রাহুল জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো সময় ও যেকোনো নিরপেক্ষ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী যেন তাঁর মুখোমুখি বিতর্কে বসার সাহস দেখান। সেই মঞ্চে আপনি থাকবেন, আমি থাকব, জনতা থাকবে, মিডিয়া থাকবে। অমিত শাহর ওই জবাবই হয়ে ওঠে রাহুল গান্ধীর মোক্ষম অস্ত্র। গতকাল শুক্রবার রাতে ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে অমিত শাহকে উদ্দেশ করে এক পোস্টে রাহুল লিখেছেন, ‘মোদিজিকে বিভ্রান্ত করবেন না।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেওয়া চ্যালেঞ্জের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাহুল গান্ধী পূর্বের বক্তব্যে বলেছিলেন, কোথায় ও কবে বিতর্ক হবে তা মোদি নিজেই ঠিক করতে পারেন। এমনকি বিবাদ মেটাতে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে মধ্যস্থতাকারী বা বিচারক নিযুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি। রাহুল প্রশ্ন তোলেন, কেন তাড়াহুড়া করে মন্ত্রিসভাকে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করা হলো এবং শিল্পপতি আদানির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মামলা কেন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল। প্রকাশ্য বিতর্কেই ঠিক হবে কারা প্রকৃত দেশপ্রেমিক আর কারা বিদেশিদের কৃপায় টিকে আছেন। বিতর্ক সভায় কাকে বিচারক হিসেবে চান, তা–ও ঠিক করুন। কারা দেশপ্রেমী, কারা দেশদ্রোহী—সবকিছুর ফয়সালা সেখানেই হয়ে যাবে।’।

কংগ্রেস নেতার এই আক্রমণের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গত বৃহস্পতিবার হরিয়ানার একটি জনসভায় বলেছিলেন, রাহুলকে খোলা ময়দানে বা অন্য কোনো রাজনৈতিক মঞ্চে বিতর্কে নামতে হবে না। সরকার চাইলে সংসদে এসআইআর ইস্যুতে বিশেষ অধিবেশন ডাকতে রাজি আছে এবং রাহুল যেন সেখানে এসে আলোচনা করেন। তবে রাহুলের দাবি, এই কথাগুলোর মাধ্যমে বিজেপি তাদের অবস্থান থেকে পিছু হটার চেষ্টা করছে। আমার সঙ্গে খোলাখুলি বিতর্কে বসতে শুধু তাঁকে রাজি করান।

রাহুল গান্ধী যে দুটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেছেন, তার মধ্যে প্রথমটি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বরের। সেদিন এসআইআর ইস্যুতে উত্তাল সংসদে আলোচনা প্রসঙ্গে অমিত শাহ সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিষয়টি নিয়ে সংসদে কোনো আলোচনা করা যাবে না। তাঁর যুক্তি ছিল, সংসদীয় আলোচনার সময় যে ধরনের প্রশাসনিক বা সাংবিধানিক প্রশ্ন উঠবে, সেগুলোর জবাব দেওয়ার এখতিয়ার বা বাধ্যবাধকতা নির্বাচন কমিশনের अधिकारियोंর নেই, কারণ তাঁরা সরকারের অধীনস্থ কোনো কর্মচারী নন।

অন্যদিকে, রাহুলের তুলে ধরা দ্বিতীয় ভিডিও ক্লিপটি ছিল ২০২৬ সালের ৫ নভেম্বরের, যেখানে হরিয়ানার জনসভায় দেওয়া ভাষণে অমিত শাহ রাহুলকে সরাসরি সংসদে আলোচনার আহ্বান জানান। সেখানে তিনি বলেন, মোদির প্রয়োজন নেই, এসআইআর নিয়ে কথা বলতে তিনি নিজেই বিশেষ অধিবেশন ডাকতে প্রস্তুত। রাহুলের মতে, এক বছরের ব্যবধানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য সরকারের দ্বিচারিতাকেই প্রমাণ করে। পরের ক্লিপিংটা গত ৫ নভেম্বরের, হরিয়ানার জনসভায় অমিত শাহর ভাষণ থেকে নেওয়া।

এই ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ নিয়ে মাঠে নেমেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি। সাবেক মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পর তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। রাহুলের সমালোচনার জবাবে প্রহ্লাদ যোশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, কংগ্রেস নেতাই মূল বিভ্রান্তিতে ভুগছেন। ভোটে জিতলে ব্যবস্থা ঠিক থাকে, আর হেরে গেলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা তাঁর পুরনো স্বভাব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন সংসদে বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তাব দিয়েছেন, তখন সেখানে না গিয়ে বাইরে নাটক করার কোনো যুক্তি নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিজেপি নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে সাফাই গাইলেও এক বছর আগের অবস্থানের সঙ্গে বর্তমান বক্তব্যের অমিল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সংসদে এসআইআর নিয়ে আলোচনার আগের অনিচ্ছার কথা মনে করিয়ে দিয়ে রাহুল গান্ধী বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক যুক্তি ও স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন আলোচনায় রাজি থাকলে তাঁর এক বছর আগের যুক্তি অসাড় প্রতিপন্ন হয়।

Facebook Comments Box