ভারতে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু: তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ভারতে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু: তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগদানে কোনো ঝুঁকি দেখছে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পীরগাছায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা: নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান ই-টেন্ডার প্রক্রিয়া সহজীকরণে দেরি কেন? সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন এমপি মোশারফ হোসেন আলভারেজ অধরা, বার্সেলোনার আক্রমণভাগের নতুন ভরসা গ্যাব্রিয়েল জেসুস চরাঞ্চলের শিক্ষকদের জন্য দূরত্বভিত্তিক বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাগর-রুনি মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের বিষয়ে আইনি যাচাই শুরু বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১১৩ পদে নিয়োগ: আবেদনের নিয়ম ও সময়সীমা সবুজায়নে নতুন মাইলফলক: কাতারজুড়ে বাড়ছে পার্ক ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি তালা ভেঙে বিদ্যালয়ের ফ্যান ও সিসি ক্যামেরা চুরি গোপালগঞ্জে মধুমতি নদীতে নিখোঁজ শিশুর সন্ধান মিলল একদিন পর

ভারতে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারের মৃত্যু: তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

ভারতের পাঞ্জাবের এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার মনজিৎ কৌরকে বনাঞ্চলে নিয়ে গাছে বেঁধে পুড়িয়ে হত্যার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৬ আগস্ট পিজিআইএমইআর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এই নৃশংস ঘটনার পর নিহতের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন, তবে পুরো ঘটনায় পাঞ্জাব পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিতের পরিচিত শুভি ও পিন্ডা নামের দুই ব্যক্তি তাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪-এ ডেকে পাঠায়। সেখানে তাকে মারধর করে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে পাঞ্জাবের মোরিন্ডার কাছের একটি বনাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযুক্তরা তাকে গাছে বেঁধে গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে অন্য এক পরিচিত ব্যক্তি সেখানে পৌঁছে কম্বল দিয়ে আগুন নেভান। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় মনজিৎকে প্রথমে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে এবং পরে মোহালির ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সবশেষে তাকে চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন মনজিৎ যখন সচেতন ছিলেন এবং জবানবন্দি দিতে চেয়েছিলেন, তখন পুলিশ তার বক্তব্য রেকর্ড করতে ব্যর্থ হয়। গত ২৬ আগস্ট মনজিতের মৃত্যুর পর পিজিআই পুলিশ পোস্টের পক্ষ থেকে খারার সদর থানায় বার্তা পাঠানো হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসপাতালে যান। পরবর্তীতে মনজিতের মাকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ৩৪ থানায় নিয়ে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয় এবং বুধবার রাতে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে, নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাদের দাবি, অপহরণের ঘটনাটি চণ্ডীগড়ে ঘটায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব ছিল চণ্ডীগড় পুলিশের। খারার পুলিশ মনজিতের মাকে পূর্ণ সহযোগিতা করেছে এবং এফআইআর দায়ের করতে সাহায্য করেছে বলে দাবি তাদের। পুলিশ জানিয়েছে, চণ্ডীগড়ে অপহরণ থেকে শুরু করে মোরিন্ডায় হামলার পুরো ঘটনাটি পুনঃনির্মাণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনজিতের জবানবন্দি নেওয়ার যে সুযোগগুলো হাতছাড়া হয়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুজন মনজিৎকে একটি গাছে বেঁধে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!