নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে প্রবাসে রাজনৈতিক উত্তাপ
- আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরকে কেন্দ্র করে প্রতিবারের মতো এবারও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। সরকারপ্রধানের এই সফরকে ঘিরে প্রবাসে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বৈরিতা ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের মতো নিউ ইয়র্কের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় পোস্টার-ব্যানার এবং রাজনৈতিক শ্লোগানে এক অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
দীর্ঘ কয়েক দশকের ধারাবাহিকতায় এবারও এক পক্ষ সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানাতে এবং অন্য পক্ষ বিরোধিতার শক্তি প্রদর্শন করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাট জানান, বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানানো এবং ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সামনে শান্তি সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। তবে ব্যয়সংকোচন নীতির কারণে কোনো নাগরিক বা দলীয় সংবর্ধনায় অংশ নিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু জানিয়েছেন, গত বছরের মতো এবার যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পূর্ণ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের প্রতিবাদে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। তারা বিমানবন্দরে বিক্ষোভ এবং জাতিসংঘের সামনে অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এরই মধ্যে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের প্রতিবাদের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। প্রবাসীদের মধ্যে এ ধরনের রাজনৈতিক বিভাজন ও হাতাহাতির ঘটনায় বিশ্বমঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সাধারণ প্রবাসীরা এই রাজনৈতিক রেষারেষির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সিনিয়র সাংবাদিক ও ‘দেশ’ এর সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, জাতিসংঘের অধিবেশনে সরকারপ্রধানের যোগ দেওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু প্রবাসীরা এই স্বাভাবিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে পক্ষে-বিপক্ষে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন, যা অত্যন্ত নেতিবাচক। এটি একদিকে যেমন দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে, তেমনি নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের রাজনীতির একটি কুৎসিত চিত্র তুলে ধরছে। বিশ্লেষকরা দুই পক্ষকেই বিদেশের মাটিতে দায়িত্বশীল ও সংযত আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক যাওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। এবারের সফরটি বেশ সংক্ষিপ্ত। ভাষণ দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। চাকরির আরও তথ্য: সেপ্টেম্বর এলে সরকার প্রধান আসেন জাতিসংঘে, আর আমরা গালাগালি-মারামারিতে জড়িয়ে পড়ি একজন আরেকজনের সঙ্গে। চাকরির আরও তথ্য: এছাড়া গত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী নিয়ে বিমানবন্দরে বিব্রত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। চাকরির আরও তথ্য: এদিকে প্রতি বছরই জাতিসংঘের অধিবেশন ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের আগমন ঘটে নিউ ইয়র্কে। চাকরির আরও তথ্য: ‘ভাই দেখেন দেখেন, এই ব্যানার-পোস্টারের কী অবস্থা। চাকরির আরও তথ্য: দেশের রাজনীতি বিদেশে এসেও ভুলতে পারছি না আমরা। চাকরির আরও তথ্য: দল ঠিক থাকে, শুধু শ্লোগান পাল্টে যায়। চাকরির আরও তথ্য: আগে যে স্বাগত জানাতো সে এখন প্রতিরোধ করতে চায়।
সূত্র: মানবজমিন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























