তাহিরপুরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
- আপডেট সময় : ০৬:৫২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
তাহিরপুরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে পাড়ার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সদর ইউনিয়নের বীরনগর,জয়নগর,দুতমা,লক্ষীপুর গ্রামের সাথে একই ইউনিয়নের মমিসিংঙ্গাহাটি (মধ্য তাহিরপুর) গ্রামের লোকজনের মধ্যে দুই ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। সংঘর্ষের সময় দুটি দোকানে হামলা ও একটি বাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুধবার (০৭ অক্টোবর) দুপুর ১২ টা থেকে ২ ট পর্যন্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের তাহিরপুর পুলিশ সার্কেল অফিসের সামনে তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সড়ক-শনির হাওরে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। এ সময় তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সড়ক যাতায়াত প্রায় দুই ঘন্টা জনসাধারণের যাতায়াত ও যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পড়ুন>>রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে ডোমারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিআরশেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলেও কোনো কাজ হয়নি। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়।
পরে পুলিশ, উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় এলাকাবাসীর চেষ্টা সংঘর্ষ থামলেও উত্তেজনা ও থমথমে ভাব বিরাজ করছে তাহিরপুর সদর।
সংঘর্ষে গুরুত্বর আহত বীরনগর গ্রামের সোবহান মিয়ার ছেলে আশিকনুর,আলিম উদ্দিনের ছেলে রেজাউল ও মাইনুদ্দিনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করে। এছাড়াও মমিসিংঙ্গাহাটি(মধ্য তাহিরপুর) গ্রামের মোঃ হারুন অর রশিদ(৫২),বাকারুল মিয়া(৫০),আজিম মিয়া(২৫),রমজান মিয়া(৩০) আবুল কালামসহ দুই পক্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।
পড়ুন>>সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৃষ্টির কামনায় বিশেষ ইস্তিসকার নামাজ
তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফারুক আহমেদ জানান,আমরা সংঘর্ষের শুরু থেকেই অবস্থা নিয়ে চেষ্টা করেছি সংঘর্ষ থামাতে,কিন্তু এর মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সড়ক যানবাহন চলাচল সাভাবিক রয়েছে।
গত এক সাপ্তাহ আগে তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সড়কের পাশে বীরজয় লক্ষী দুতমা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ক্রিকেট খেলার বল জালাল মিয়ার অটোরিকশায় পরে। তখন অটোরিকশা চালক চলে গেলেও হাফিজ আলী এসে কথা-কাটাকাটি করে।
আরও পড়ুন>>ইএসডিওতে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদে নিয়োগ, বেতন ৪৬ হাজার
এই ঘটনার জের ধরে রবিবার রাতে তাহিরপুর বাজারে একেই বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয় দুতম গ্রামের হান্নানের ছেলে জসিমের সাথে মমিসিংঙ্গাহাটি হাটির হাফিজ মিয়া,নবাব মিয়া,মানিক মিয়াসহ কয়েকজনের সাথে। কথাকাটাকাটির এক প্রর্যায়ে জসিমকে মারধর করা হয়।
একেই ঘটনা নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে হাফিজকে জয়নগর,বীরনগর গ্রামের কয়েকজন মারধর করে। এনিয়ে এলাকায় দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এর পর এশার নামাজের সময় বীরনগর গ্রামের মসজিদে মাইকিং করা হয় যেন বুধবার সকালে গ্রামের সবাই উপস্থিত হয়।
পরে দুপুরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























