একই গান বারবার মাথায় বাজার বৈজ্ঞানিক রহস্য
- আপডেট সময় : ০৫:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে
একই গান বারবার মাথায় বাজার বৈজ্ঞানিক রহস্য
কখনো সকালের নাশতার টেবিলে, কখনো অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতিতে কিংবা কাজের ব্যস্ততার মাঝেও হঠাৎ কোনো গান মনের মধ্যে বাজতে শুরু করে। ফোন স্ক্রল করার সময় বা অবসরেও অবচেতনভাবেই আমরা সেই সুর গুনগুন করে উঠি। নিজে থেকে মনে করার চেষ্টা না করলেও কোনো কোনো গান বা গানের অংশবিশেষ আমাদের মাথার ভেতর যেন অবিরত চলতে থাকে।
বাস্তবে না বাজলেও মনে হয় গানটি আমরা মনের ভেতরেই শুনছি। বিশেষ করে কোনো জনপ্রিয় গান বা অতীতে বারবার শোনা গানের আকর্ষণীয় লাইনগুলো আমাদের স্মৃতিতে গভীরভাবে গেঁথে যায়। মস্তিষ্ক, স্মৃতি এবং গানের এই চমৎকার সংযোগের পেছনে কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ রয়েছে।
পড়ুন>>আজ বসছে ইসির আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক, আলোচনায় স্থানীয় নির্বাচন
এ বিষয়ে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মেখলা সরকার জানান, গানের ধরন ও সুরের বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি আমরা কোন পরিস্থিতিতে বা কেমন মানসিক অবস্থায় গানটি শুনছি, তার ওপর অনেকখানি নির্ভর করে কোন সুরটি আমাদের মনে বারবার ফিরে আসবে। তাঁর মতে, দ্রুত বিটের, পরিচিত সুর এবং একটু ভিন্ন ঘরানার গানগুলো আমাদের মস্তিষ্ককে বেশি আকর্ষণ করে এবং সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে। সুরের স্বাভাবিক ওঠানামার পাশাপাশি যদি হঠাৎ কোনো বৈচিত্র্য বা সুরের পরিবর্তন থাকে, তবে তা স্মৃতির স্তরে আরও গভীরভাবে স্থান করে নেয়।
পড়ুন>>ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়োগ: আবেদন শুরু
ডা. মেখলা সরকার আরও উল্লেখ করেন, যেসব গানে ছোট ছোট কথা বা কোরাস বারবার ফিরে আসে, সেগুলো আমাদের মগজে দ্রুত গেঁথে যায়। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বেশি শোনা গানগুলো আমাদের অবচেতন মনে ঘুরেফিরে আসে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে যেসব জনপ্রিয় গান বারবার প্রচারিত হয়, সেগুলো ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ না হলেও অবিরত শোনার কারণে আমাদের মনের গভীরে চলে যায়। অনেক সময় গানের কথা আমাদের জীবনের কোনো বিশেষ স্মৃতি, আনন্দ বা দুঃখের আবেগের সঙ্গে মিলে গেলে তা নস্টালজিয়া তৈরি করে। সুর, ছন্দ ও আবেগের এই মেলবন্ধনের কারণে অনেক দিন না শোনা গানও মস্তিষ্ক সহজে মনে রাখতে পারে।
বারবার একই গান মনে পড়ার এই বিষয়টি আমাদের কেমন অনুভূতি দেয়—এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. মেখলা সরকার বলেন, এই উত্তর সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-তে দেওয়া কঠিন। এটি আমাদের মানসিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে কখনো আনন্দ দিতে পারে, কখনো দুঃখের স্মৃতি জাগাতে পারে, আবার কখনো কোনো বিশেষ অনুভূতি নাও তৈরি করতে পারে। সাধারণত এই সুর কয়েক মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়ে আস্তে আস্তে মিলিয়ে যায়। তবে তীব্র আবেগ জড়ানো গান কিংবা মানসিক চাপ ও ক্লান্তির কারণে এই সুর মাথায় স্থায়ী হওয়ার সময়সীমা আরও দীর্ঘ হতে পারে।
আরও পড়ুন>>ইন্টার মায়ামির হয়ে শততম গোল করে অনন্য উচ্চতায় মেসি
জাতিসংঘ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে এবং ইরানের বিরুদ্ধেও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে গুলশান লেকে পয়োবর্জ্য প্রবেশের ১২টি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এই দূষণ প্রতিরোধে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উচ্চশব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসাছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যাতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























