আকাশে ড্রোন, মাঠে কে-৯: ঠাকুরগাঁও-১আসন উপ-নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি
- আপডেট সময় : ১১:০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
আকাশে ড্রোন, মাঠে কে-৯: ঠাকুরগাঁও-১আসন উপ-নির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি
উপনির্বাচনের আগে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছে পুরো এলাকা। আকাশে ড্রোনের নজরদারি, মাঠে বডি-ওর্ন ক্যামেরা আর কে-৯ ডগ ইউনিটসহ মোতায়েন করা হয়েছে ২১ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য। ভোট সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করাই এ প্রস্তুতির লক্ষ্য।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া। কর্নেল সুরুজ মিয়া জানান, ২৫ অক্টোবর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় বিজিবি সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়নের (৫০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় তিন উপজেলার ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এই ২১ প্লাটুন কাজ করছে। তাঁরা থাকছেন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে, অর্থাৎ যেকোনো জায়গায় পরিস্থিতির দ্রুত মোকাবিলায় প্রস্তুত।
পড়ুন>>ইসরাইলের নির্বাচনে ঝুলে আছে নেতানিয়াহুর ভাগ্য, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা
শুধু সদস্যসংখ্যা নয়, জোর দেওয়া হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির ওপরও। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ড্রোনের মাধ্যমে চলছে পর্যবেক্ষণ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও কে-৯ ডগ ইউনিট। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল। বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতার যেকোনো চেষ্টা ঠেকাতে সতর্ক রয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।
সেক্টর কমান্ডার বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি সব প্রার্থী যাতে সমান সুযোগ পান এবং স্বাভাবিকভাবে প্রচার চালাতে পারেন, সে বিষয়েও কাজ চলছে। এ জন্য প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে রাখা হচ্ছে নিবিড় সমন্বয়।
পড়ুন>>বাংলাদেশে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক
নির্বাচনকে ঘিরে কোনো অপরাধমূলক তৎপরতা ঠেকাতে সীমান্ত এলাকাতেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ও টহল। চোরাচালান, অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও সম্ভাব্য নাশকতা রুখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। কর্নেল সুরুজ মিয়া আরও বলেন, সংবিধান, প্রচলিত আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রার্থী, প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছে বাহিনীটি।


























