ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

অত্যাচারী বাচ্চু সিকদারের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী অভিযোগ দায়ের

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

অত্যাচারী বাচ্চু সিকদারের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী অভিযোগ দায়ের

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

অত্যাচারী বাচ্চু সিকদারের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী অভিযোগ দায়ের

অত্যাচারী বাচ্চু সিকদারের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে গ্রামবাসী অভিযোগ দায়ের করেছে।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চিহ্নিত চোরাকারবারী, ভূমি খেকো, জুলুমবাজ বাচ্চু সিকদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিন গ্রামবাসি শতাধিক মানুষ লিখিতভাবে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সোমবার দিন ব্যাপী প্রায় তিন গ্রামের শতাধিক গন্যমান্য ব্যক্তিগণ সম্মিলিতভাবে জেলার সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অফিসে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ভৌরব হাঁটি গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু সিকদারের জুলুম অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে এবং বাচ্চু সিকদারের সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পড়ুন>>তাহিরপুরে ভারতীয় ১৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক সম্রাট গ্রেফতার

গ্রাম বাসীর পক্ষে এই অভিযোগ দায়ের করেন ইউনিয়নের কামারভিটা গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে মোঃ আনোয়ার এবং একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোঃ জামাল মিয়ার পুত্র মোঃ সবুজ মিয়া।

এসময় প্রায় শতাধিক মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায় পার্শ্ববর্তী ভৈরব হাটি গ্রামের বাচ্চু সিকাদর, পিতা মঞ্জুর আলী সিকদার, একজন আওয়ামীলীগ নেতা। সে বিগত ৪/৫ বছর আগে ঐ এলাকায় প্রশাসনের নীতিমালা উপেক্ষা করে একটি নিজম্ব পার্ক স্থাপন করে যা বাচ্চু নগর পার্ক নামে পরিচিতি পেয়েছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায়।

পার্ক স্থাপনের পর লক্ষ করে দেখা যায় দর্শনার্থীদের বিনোদনের জায়গার নামে সে ঐ পার্কে অসামাজিক কার্যকলাপ সহ ভারতীয় চোরাই ব্যবসা, মাদক জাতীয় পণ্য আদান প্রদানের একটি কেন্দ্রস্থল বানিয়ে রেখেছে। এছাড়াও সে ঐ পার্কে জোরপূর্বক ভাবে অন্যের রেকর্ডিও ভূমি এবং অনেকের দখলিয় জমি ক্ষমতাবলে অন্যায় ভাবে দখল করে উক্ত পার্কে সীমানা বৃদ্ধি করে রেখেছে।

পড়ুন>>চিলাহাটিতে পিতা হত্যা মামলায় র‍্যাবের হাতে ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

তিন গ্রামের কৃষকের সোনালী ফসল ধানের ক্ষেত পার্কের উত্তর পাশে রয়েছে যা প্রতি বছর গ্রামের কৃষক ঐ ফসল ঘরে তোলেন পার্কের উপর অবস্থিত তিন গ্রামের মানুষের যাতায়াতের রাস্তা দিয়ে।

পূর্ব পুরুষ হইতে ব্যবহৃত চলাচলের ওই রাস্তার উপর দিয়ে ছোট ঠেলা ঘাড়ি ও ট্রলি গাড়ি ব্যবহার করে ফসল ঘরে তুলে আসছেন গ্রামবাসী। বর্তমানে ঐ রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে কৃষকের ফসলী জমি রোপন করতে বা ফসল ঘরে আনতে মারাত্বক ভাবে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন তিন গ্রামের মানুষেরা বাচ্চু সিকদারের জুলুম অত্যাচারের কারনে। শুধু তাই নয় পার্ক স্থাপনের পর থেকেই স্বাধীন ভাবে চলাচল এবং ফসল রোপনসহ গবাদি পশু মাঠে আনা নেওয়া করতে পারছে না গ্রামবাসী।

বাচ্চু সিকদার কর্তৃক রাস্তা বন্ধ করার কারনে। এ বিষয়ে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাকে জিজ্ঞেস করলে সে সাফ জানিয়ে দেয় পার্কের উত্তর পার্শে অবস্থিত কোন ফসল আনতে রাস্তা দিবে না। অথচ ওই রাস্তাটি তিন গ্রাম (কামার ভিটা, কান্দাপাড়া, গুদিগাঁও) মানুষের চলাচলের একমাত্র অবলম্বন।

উল্লেখ্য যে, ঐ পার্কে প্রতিদিন সন্ধার পরে চলে মাদক, জুয়া এবং বখাটেদের আড্ডার আসর। যা সমাজের এক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। দিন দিন ধ্বংশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যুব সমাজকে। বিশেষ করে পার্কে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরাও পরেন বাচ্চু বাহিনীর ছিনতাইয়ের কবলে।

তার অত্যাচারে যেমন অতিষ্ঠ এলাকাবাসী তেমনি দর্শনার্থীরাও পরেন ছিনতাইয়ের কবলে। বাচ্চু সিকদারের এসব কর্ম-কান্ডের ফলে পরিবেশের যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি কামার ভিটা গ্রামের যুব সমাজ জুয়া, মদ, মাদক সেবন করে চলে যাচ্ছে ধ্বংশের পথে।

এসব বিষয়ে যেই প্রতিবাদ করে তাকেই পরতে হয় বাচ্চু বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলার মুখে। তার বিরুদ্ধে অনেক বার বিগত দিনের এমপি এড. পীর মিসবাহ, আলহাজ্ব মতিউর রহমানসহ অনেকের কাছে মৌখিক ভাবে গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দ্বারা জানানো হয়।

কিন্তু সে দলীয় ক্ষমাতার বলে বার বার মানুষের উপর জুলুম অত্যাচার করেই চলেছে। তার বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করলে তাকে প্রাণে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে ও জানান অভিযোগকারীরা।

বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ও থামেনি বাচ্চু সিকাদরের অপকর্ম ও জুলুম অত্যাচার। বাচ্চু সিকদারের জুলুম অত্যাচার থেকে গ্রাম বাসীর মুক্তি পেতে এবং তার ব্যক্তিগত পরিবেশ দুষনকারী পার্কের বিরুদ্ধে নীতিমালা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনসহ গ্রামবাসীর চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি দখল মুক্ত করে ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ছিনতাই কারীদের গডফাদার, বাচ্চু সিকাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত গতিতে বাচ্চু সিকদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এমনটাই দাবি তাদের।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অত্যাচারী বাচ্চু সিকদারের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী অভিযোগ দায়ের

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪

 

অত্যাচারী বাচ্চু সিকদারের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী অভিযোগ দায়ের

অত্যাচারী বাচ্চু সিকদারের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে গ্রামবাসী অভিযোগ দায়ের করেছে।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চিহ্নিত চোরাকারবারী, ভূমি খেকো, জুলুমবাজ বাচ্চু সিকদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিন গ্রামবাসি শতাধিক মানুষ লিখিতভাবে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সোমবার দিন ব্যাপী প্রায় তিন গ্রামের শতাধিক গন্যমান্য ব্যক্তিগণ সম্মিলিতভাবে জেলার সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অফিসে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ভৌরব হাঁটি গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু সিকদারের জুলুম অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে এবং বাচ্চু সিকদারের সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

পড়ুন>>তাহিরপুরে ভারতীয় ১৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক সম্রাট গ্রেফতার

গ্রাম বাসীর পক্ষে এই অভিযোগ দায়ের করেন ইউনিয়নের কামারভিটা গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে মোঃ আনোয়ার এবং একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোঃ জামাল মিয়ার পুত্র মোঃ সবুজ মিয়া।

এসময় প্রায় শতাধিক মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায় পার্শ্ববর্তী ভৈরব হাটি গ্রামের বাচ্চু সিকাদর, পিতা মঞ্জুর আলী সিকদার, একজন আওয়ামীলীগ নেতা। সে বিগত ৪/৫ বছর আগে ঐ এলাকায় প্রশাসনের নীতিমালা উপেক্ষা করে একটি নিজম্ব পার্ক স্থাপন করে যা বাচ্চু নগর পার্ক নামে পরিচিতি পেয়েছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায়।

পার্ক স্থাপনের পর লক্ষ করে দেখা যায় দর্শনার্থীদের বিনোদনের জায়গার নামে সে ঐ পার্কে অসামাজিক কার্যকলাপ সহ ভারতীয় চোরাই ব্যবসা, মাদক জাতীয় পণ্য আদান প্রদানের একটি কেন্দ্রস্থল বানিয়ে রেখেছে। এছাড়াও সে ঐ পার্কে জোরপূর্বক ভাবে অন্যের রেকর্ডিও ভূমি এবং অনেকের দখলিয় জমি ক্ষমতাবলে অন্যায় ভাবে দখল করে উক্ত পার্কে সীমানা বৃদ্ধি করে রেখেছে।

পড়ুন>>চিলাহাটিতে পিতা হত্যা মামলায় র‍্যাবের হাতে ঘাতক ছেলে গ্রেফতার

তিন গ্রামের কৃষকের সোনালী ফসল ধানের ক্ষেত পার্কের উত্তর পাশে রয়েছে যা প্রতি বছর গ্রামের কৃষক ঐ ফসল ঘরে তোলেন পার্কের উপর অবস্থিত তিন গ্রামের মানুষের যাতায়াতের রাস্তা দিয়ে।

পূর্ব পুরুষ হইতে ব্যবহৃত চলাচলের ওই রাস্তার উপর দিয়ে ছোট ঠেলা ঘাড়ি ও ট্রলি গাড়ি ব্যবহার করে ফসল ঘরে তুলে আসছেন গ্রামবাসী। বর্তমানে ঐ রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে কৃষকের ফসলী জমি রোপন করতে বা ফসল ঘরে আনতে মারাত্বক ভাবে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন তিন গ্রামের মানুষেরা বাচ্চু সিকদারের জুলুম অত্যাচারের কারনে। শুধু তাই নয় পার্ক স্থাপনের পর থেকেই স্বাধীন ভাবে চলাচল এবং ফসল রোপনসহ গবাদি পশু মাঠে আনা নেওয়া করতে পারছে না গ্রামবাসী।

বাচ্চু সিকদার কর্তৃক রাস্তা বন্ধ করার কারনে। এ বিষয়ে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাকে জিজ্ঞেস করলে সে সাফ জানিয়ে দেয় পার্কের উত্তর পার্শে অবস্থিত কোন ফসল আনতে রাস্তা দিবে না। অথচ ওই রাস্তাটি তিন গ্রাম (কামার ভিটা, কান্দাপাড়া, গুদিগাঁও) মানুষের চলাচলের একমাত্র অবলম্বন।

উল্লেখ্য যে, ঐ পার্কে প্রতিদিন সন্ধার পরে চলে মাদক, জুয়া এবং বখাটেদের আড্ডার আসর। যা সমাজের এক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। দিন দিন ধ্বংশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যুব সমাজকে। বিশেষ করে পার্কে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরাও পরেন বাচ্চু বাহিনীর ছিনতাইয়ের কবলে।

তার অত্যাচারে যেমন অতিষ্ঠ এলাকাবাসী তেমনি দর্শনার্থীরাও পরেন ছিনতাইয়ের কবলে। বাচ্চু সিকদারের এসব কর্ম-কান্ডের ফলে পরিবেশের যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি কামার ভিটা গ্রামের যুব সমাজ জুয়া, মদ, মাদক সেবন করে চলে যাচ্ছে ধ্বংশের পথে।

এসব বিষয়ে যেই প্রতিবাদ করে তাকেই পরতে হয় বাচ্চু বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলার মুখে। তার বিরুদ্ধে অনেক বার বিগত দিনের এমপি এড. পীর মিসবাহ, আলহাজ্ব মতিউর রহমানসহ অনেকের কাছে মৌখিক ভাবে গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দ্বারা জানানো হয়।

কিন্তু সে দলীয় ক্ষমাতার বলে বার বার মানুষের উপর জুলুম অত্যাচার করেই চলেছে। তার বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করলে তাকে প্রাণে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে ও জানান অভিযোগকারীরা।

বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ও থামেনি বাচ্চু সিকাদরের অপকর্ম ও জুলুম অত্যাচার। বাচ্চু সিকদারের জুলুম অত্যাচার থেকে গ্রাম বাসীর মুক্তি পেতে এবং তার ব্যক্তিগত পরিবেশ দুষনকারী পার্কের বিরুদ্ধে নীতিমালা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনসহ গ্রামবাসীর চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি দখল মুক্ত করে ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ছিনতাই কারীদের গডফাদার, বাচ্চু সিকাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত গতিতে বাচ্চু সিকদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এমনটাই দাবি তাদের।

 

Facebook Comments Box