উত্তরায় জুলাই শহীদ নারী মঞ্চের ভাস্কর্য কালো কাপড়ে ঢাকা
- আপডেট সময় : ১০:২৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি গোলচত্বরে অবস্থিত ‘জুলাই শহীদ নারী মঞ্চের’ নারী ভাস্কর্যগুলো বর্তমানে কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নারীদের আত্মত্যাগ ও অবদান স্মরণীয় করে রাখতে নির্মিত এই মঞ্চটির নারী ভাস্কর্যগুলো কেন বা কারা এভাবে ঢেকে রেখেছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে দিয়াবাড়ি এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজসংলগ্ন গোলচত্বরের পূর্ব দিকে মঞ্চটি নির্মাণ করা হয়েছে। মঞ্চের তিনটি স্তম্ভের মধ্যে একটিতে আন্দোলনের প্রতীক মুষ্টিবদ্ধ হাত এবং অন্যটিতে প্রতিবাদী বিভিন্ন স্লোগান খোদাই করা আছে। মাঝের স্তম্ভটি ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে এই স্তম্ভটিতে ১০ জন নারীর আবক্ষ ভাস্কর্য দেখা গিয়েছিল।
স্থানীয় দোকানিদের মতে, এই অংশটি শুরু থেকেই বিভিন্ন সময় কালো কাপড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখা গেছে। মোহাম্মদ রাকিব নামের স্থানীয় এক খাবার হোটেলের কর্মী জানান, গত শনিবার রাত দেড়টার দিকে তিনি তিন-চারজনকে মঞ্চে কাপড় বাঁধতে দেখেছেন। তবে তাদের পরিচয় সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না।
‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে উত্তরা’ সংগঠনের সদস্য মনীষা মাফরুহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেছেন যে, কালো কাপড়ের নিচে থাকা নারী ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে চারটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তার ভাষ্যমতে, গত শনিবার তারা মঞ্চ এলাকায় গাছের চারা লাগাতে গিয়ে ভাস্কর্যগুলো খোলা অবস্থায় দেখেছিলেন, কিন্তু পরদিন সেগুলো আবার কালো কাপড়ে ঢাকা অবস্থায় পান। তিনি দাবি করেন, ১৮ ডিসেম্বর উদ্বোধনের কথা থাকলেও পরিস্থিতির কারণে তা হয়নি এবং সিটি করপোরেশনের নির্দেশে ঠিকাদার তখন কাপড় দিয়ে ঢেকে দিয়েছিলেন। এখন নতুন করে কাপড় বাঁধার কারণ ও ভাস্কর্য সরানোর বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।
সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, এই মঞ্চটি তার উদ্যোগেই নির্মাণ করা হয়েছিল এবং নির্মাণের সময় তিনি উগ্রপন্থীদের হুমকি পেয়েছিলেন। বর্তমান প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে এবং সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তবে ঢাকা উত্তর সিটির অঞ্চল-৬-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান ও নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশীদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ













