ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে গুঞ্জন, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ইউনিয়ন পরিষদ পুনর্গঠন ও বিভক্তকরণ কার্যক্রম স্থগিত করল সরকার ব্যালন ডি’অর এবং সারাবিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনের আজকের সংবাদ ডাক্তার-প্রকৌশলী থেকে পিএইচডি ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারী প্রাথমিকের শিক্ষকতায় ডিমলায় বিআরটিসির অবৈধ পাথর বোঝাই ট্রাক আটক রাণীশংকৈলে বৈদ্যুতিক নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন: সভাপতি সুমন, সম্পাদক মান্নান নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকট: নতুন ইজরায়েলি রাজনীতির সমীকরণ উচ্চকক্ষের স্পিকারের অধীনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের নতুন প্রস্তাব সন্দ্বীপে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ কর্মকর্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করলো ইরান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুলাই ২০২২ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে

বিদেশ যাওয়ার স্বপ্নে দালালের খপ্পরে পড়ে ভিটে-বাড়িসহ সবকিছুই হারিয়ে অসহায় মানববেতর জীবন

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাকিকুল ইসলাম খোকন  :মোজাহিদিন-ই-খালেক (এমইকে) সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইরানের ক্ষমতাসীন সরকার।গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক ৬১ কর্মকর্তার একটি তালিকা প্রকাশ করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।ইরান সরকার মোজাহিদিন-ই-খালেক (এমইকে) সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।
ওই সংগঠন প্রকাশ্যে ইরানের বর্তমান সরকারকে উৎখাতের ঘোষণা দিয়েছে।এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কালো তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা এমইকে সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল। এছাড়া, তাদেরকে রাজনৈতিক বা অপপ্রচারমূলক কর্মকা-ে তারা সহায়তা করেছেন।যদিও ইরান সরকারের এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘প্রতীকি’ বলে ধরা হচ্ছে। কারণ ইরানে নিষেধাজ্ঞার আওতায় ৬১ যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ইরানে কোন সম্পদ নেই এবং তারা কখনো ইরান ভ্রমণ করেননি।
ইরান সরকারের মতে, গত কয়েক দশকে শিশু ও নারীসহ ১৭ হাজারের বেশি ইরানের নাগরিককে হত্যা করেছে এমইকে।
১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের সমর্থক ছিল এমইকে। কিন্তু পরে তারা দেশটির ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধান বিরোধী সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এমইকে বহু মানুষকে হত্যা এবং বোমা হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া, ১৯৮০ সালে ইরানে আট বছর ধরে চলা অভিযানে সাদ্দাম হোসাইনকে সাহায্য করে। এমনকি সাদ্দামের পক্ষেও যুদ্ধ করে সংগঠনটি।
যদিও এমইকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনের তালিকায় ছিল। কিন্তু এক দশক আগে সংগঠনটিকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হয়।
তারপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বিশেষত রিপাবলিকানরা প্রকাশ্যে এমইকে সংগঠনের বিভিন্ন সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। এমনকি এমইকে দলের প্রতি নিজেদের সমর্থনও প্রকাশ করেন।
ওই সংগঠনটি বহু ইউরোপীয় দেশ যেমন ফ্রান্, সুইডেন, আলবেনিয়াতে ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সমাবেশ করেছে।
ইরান সরকারে অভিযোগ, এমইকে সংগঠনের সমাবেশের অনুমতি দিয়ে ‘সন্ত্রাসী’ কর্মকা-ের পৃষ্ঠপোষকতা করছে ওই দেশগুলো।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ কর্মকর্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করলো ইরান”

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ কর্মকর্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করলো ইরান

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুলাই ২০২২

যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাকিকুল ইসলাম খোকন  :মোজাহিদিন-ই-খালেক (এমইকে) সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ৬১ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইরানের ক্ষমতাসীন সরকার।গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক ৬১ কর্মকর্তার একটি তালিকা প্রকাশ করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।ইরান সরকার মোজাহিদিন-ই-খালেক (এমইকে) সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।
ওই সংগঠন প্রকাশ্যে ইরানের বর্তমান সরকারকে উৎখাতের ঘোষণা দিয়েছে।এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কালো তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা এমইকে সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিল। এছাড়া, তাদেরকে রাজনৈতিক বা অপপ্রচারমূলক কর্মকা-ে তারা সহায়তা করেছেন।যদিও ইরান সরকারের এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘প্রতীকি’ বলে ধরা হচ্ছে। কারণ ইরানে নিষেধাজ্ঞার আওতায় ৬১ যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ইরানে কোন সম্পদ নেই এবং তারা কখনো ইরান ভ্রমণ করেননি।
ইরান সরকারের মতে, গত কয়েক দশকে শিশু ও নারীসহ ১৭ হাজারের বেশি ইরানের নাগরিককে হত্যা করেছে এমইকে।
১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের সমর্থক ছিল এমইকে। কিন্তু পরে তারা দেশটির ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধান বিরোধী সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এমইকে বহু মানুষকে হত্যা এবং বোমা হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া, ১৯৮০ সালে ইরানে আট বছর ধরে চলা অভিযানে সাদ্দাম হোসাইনকে সাহায্য করে। এমনকি সাদ্দামের পক্ষেও যুদ্ধ করে সংগঠনটি।
যদিও এমইকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠনের তালিকায় ছিল। কিন্তু এক দশক আগে সংগঠনটিকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হয়।
তারপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বিশেষত রিপাবলিকানরা প্রকাশ্যে এমইকে সংগঠনের বিভিন্ন সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। এমনকি এমইকে দলের প্রতি নিজেদের সমর্থনও প্রকাশ করেন।
ওই সংগঠনটি বহু ইউরোপীয় দেশ যেমন ফ্রান্, সুইডেন, আলবেনিয়াতে ইরানের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সমাবেশ করেছে।
ইরান সরকারে অভিযোগ, এমইকে সংগঠনের সমাবেশের অনুমতি দিয়ে ‘সন্ত্রাসী’ কর্মকা-ের পৃষ্ঠপোষকতা করছে ওই দেশগুলো।

Facebook Comments Box