কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চাষ হচ্ছে অপ্রচলিত দেশি জাতের কালা বোরো ধান : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চাষ হচ্ছে অপ্রচলিত দেশি জাতের কালা বোরো ধান : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ার শাজাহানপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই যুবকের প্রাণহানি সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর জীবন-সংগ্রাম নিয়ে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র ‘মন পাখি ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা তুলতে পারবেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা ঢাকার পানি সংকট নিরসনে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ডেনমার্ক লোহাগড়ায় বাসের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু, চালকসহ বাস আটক সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ম্যারাডানোর মৃত্যু মামলা: চিকিৎসার নথিতে বাবার রিপোর্ট নিয়ে বড় বিভ্রান্তি ইমরান খানের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ সরকারের হস্তক্ষেপ চাইলেন জেমাইমা গোল্ডস্মিথ ইরানের সঙ্গে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, দাবি পাকিস্তানের প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অ্যাসিস্ট্যান্ট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চাষ হচ্ছে অপ্রচলিত দেশি জাতের কালা বোরো ধান

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১
খাদ্যের মঙ্গা নেই, কাজের মঙ্গায় কবলিত কুড়িগ্রামের মানুষ

দাদখানি চাল কিংবা উড়কি ধানের মুড়কি,বিন্নি ধানের খৈ, একসময় প্রচলিত থাকলেও এখন সেগুলো আর পাওয়া যায় না। আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে সেসব দেশি জাতের ধান। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমর নদীর তীরে ধু-ধূ বালু চরের মাঝে সবুজের ঝলকানি দিতেই এখনো চাষ হচ্ছে, অপ্রচলিত দেশি জাতের কালা বোরো ধান।

এক সময় গ্রামের লোকজন গরমের সময় পান্তা খেত। পান্তার জন্য বিখ্যাত ছিল এই কালা বোরো ধানের চাল।কালের বির্বতনে পান্তা খাওয়া ওঠে গেলেও পহেলা বৈশাখে এখন এটি বাঙ্গালীর পার্বণ।তাই পহেলা বৈশাখে এর চাল সংগ্রহে ভীড় পড়ে নদী পাড়ের চাষীদের বাড়িতে। কালা বোরো জাতের ধান খরা সহিষ্ণু, পর্যাপ্ত পানি নেই এমন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে টিকে থাকতে পারে। এর উৎপাদন ব্যয় একেবারেই কম।অগ্রাহায়ণ থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত স্থানীয় জাতের এই ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত দুধকুমর নদীর পাড়ের চাষীরা।

এ সময়ে নদীর পানি কমতে থাকলে নদীর বুকে ছোট ছোট চর জাগে। চরের চার পাশে ও নদীর পানির কাছাকাছি ভেজা স্থানে সুচালো দন্ড দিয়ে বালু গর্ত করে ধানের চারা রোপন করে।কয়েক বার হাল্কা পানি ও সামান্য সার প্রয়োগ করলেই চলে, রোগ বালাই তেমন হয়না।কৃষকরা সামান্য খরচেই চৈত্র বৈশাখ মাসে বিঘা প্রতি ৫/৭ মন ধান ঘরে তুলতে পারেন। স্বল্প উৎপাদন খরচ, অব্যবহৃত জমি, বালাইনাশক স্প্রে ছাড়াই নদীর পাড়ের কৃষক এই ধান চাষ করতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে সংরক্ষণ ও গবেষণা না হওয়ায় ক্রমেই কমে যাচ্ছে এর উৎপাদনশীলতা।

বানুরকুটির কৃষক সাইফুর বলেন, কোনো বীজ বাজার থেকে কিনতে হয় না। বীজের জন্য কিছু ধান আলাদা করে ঘরে তুলে রাখলেই তা দিয়ে পরের বছর ধান চাষ করি। জমিতে দিতে হয় না কোনো রাসায়নিক সার ও কীটনাশক সামান্য খরচেই এই ধান চাষ করা যায় এবং ভাত বেশ সুস্বাদু তাই তার পুর্বপুরুষ থেকেই এই ধান চাষ করে আসছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!