ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিতের নির্দেশ, অমান্যে কঠোর হুঁশিয়ারি সিলেটে হামের উপসর্গে ১৭ বছর বয়সী কিশোরের মৃত্যু সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি: ইসি সচিব এক কাপ কফির নেপথ্যে: কৃষকের শ্রম থেকে ভোক্তার টেবিল দিনাজপুরের বিরামপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর প্রাণহানি পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রে ২০০ জনের নিয়োগ কাতারে স্বল্প আয়ের পরিবারের সহায়তায় রফিক ও কাতার চ্যারিটির শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত ভূরুঙ্গামারীতে পিপিআর রোগের বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

ভূরুঙ্গামারীতে  আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেয়ার নামে প্রতারণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২০ ৭৫০ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সৃষ্টি ডেস্কঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেয়ার নাম করে প্রতারনা পূর্বক টাকা নেয়ার অভিযোগে উপজেলার বাগভান্ডার গ্রামের মিনা বেগম স্বামী গোলাম মোস্তফা ও গোলাম মোস্তফা পিতা মৃত বাবুর আলী এর নামে থানায় অভিযোগ করার খবর পাওয়া গেছে।আব্দুল করিম নামের প্রধান অভিযোগকারী অন্যান্য আরো ৫জনের পক্ষে তার অভিযোগে উল্লেখ করেন যে,মিনা বেগম ও গোলাম মোস্তফা দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেয়ার কথা বলে ৬ জনের কাছ থেকে বিভিন্ন অংকে ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।এছাড়াও মিনা বেগম ও গোলাম মোস্তফা একই গ্রামের সহজ সরল গরীব আরো ৬০জনকে নিয়ে সমিতি গঠন করে তাদেরকে গরু ছাগল পাইয়ে দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২শ করে মোট ১২হাজার টাকা নেয়।দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও অভিযোগকারীরা ঘর কিংবা গরু ছাগল না পেয়ে মিনা/মোস্তফার বাড়ীতে গেলে অভিযোগকারীদেরকে টাকা দেয়ার কথা গোপন রাখতে বলে এবং গোপন না রাখলে থানায় মামলা,হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার হুমকি দেয়।গ্রামবাসী এবং এলাকার সুধিজন হিসেবে খ্যাত আহাম্মদ হোসেন,সফিকুল ইসলাম,জব্বার হোসেনদের সাথে কথা বলে জানা যায়,মিনা বেগম ও গোলাম মোস্তফা দম্পতির অসামাজিক কাজে অতিষ্ট হয়ে তাদের পরিবার তাদেরকে বাড়ী থেকে বেড় করে দিয়েছে। দেহ ব্যবসা সহ নানা রকম অনৈতিক কাজে তারা জড়িত।ইতিপূর্বেও তারা প্রতারনার ফাঁদে ফেলে বহুজনকে হয়রানী করেছে।গ্রামের মুরুব্বীদেরকে তারা মানে না কিংবা মুরুব্বীরা কোন বিধি নিষেধ দিলে উল্টো তাদেরকে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।এমতাবস্থায় চলমান এই প্রতারনার জন্য আমরা অভিযোগকারীদেরকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি। ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, এটি একটি স্পর্শ কাতর বিষয় ।অর্থ আদান প্রদানের কোন ডকুমেন্ট না থাকায় তদন্ত কাজে অসুবিধা হওয়ার পরও আমরা সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছি।তদন্তে প্রমানিত হলে অবশ্যই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

২৩,০৮.২০২০

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “ভূরুঙ্গামারীতে  আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেয়ার নামে প্রতারণা”

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভূরুঙ্গামারীতে  আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেয়ার নামে প্রতারণা

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২০

সৃষ্টি ডেস্কঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেয়া আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেয়ার নাম করে প্রতারনা পূর্বক টাকা নেয়ার অভিযোগে উপজেলার বাগভান্ডার গ্রামের মিনা বেগম স্বামী গোলাম মোস্তফা ও গোলাম মোস্তফা পিতা মৃত বাবুর আলী এর নামে থানায় অভিযোগ করার খবর পাওয়া গেছে।আব্দুল করিম নামের প্রধান অভিযোগকারী অন্যান্য আরো ৫জনের পক্ষে তার অভিযোগে উল্লেখ করেন যে,মিনা বেগম ও গোলাম মোস্তফা দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেয়ার কথা বলে ৬ জনের কাছ থেকে বিভিন্ন অংকে ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।এছাড়াও মিনা বেগম ও গোলাম মোস্তফা একই গ্রামের সহজ সরল গরীব আরো ৬০জনকে নিয়ে সমিতি গঠন করে তাদেরকে গরু ছাগল পাইয়ে দেয়ার কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২শ করে মোট ১২হাজার টাকা নেয়।দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও অভিযোগকারীরা ঘর কিংবা গরু ছাগল না পেয়ে মিনা/মোস্তফার বাড়ীতে গেলে অভিযোগকারীদেরকে টাকা দেয়ার কথা গোপন রাখতে বলে এবং গোপন না রাখলে থানায় মামলা,হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করার হুমকি দেয়।গ্রামবাসী এবং এলাকার সুধিজন হিসেবে খ্যাত আহাম্মদ হোসেন,সফিকুল ইসলাম,জব্বার হোসেনদের সাথে কথা বলে জানা যায়,মিনা বেগম ও গোলাম মোস্তফা দম্পতির অসামাজিক কাজে অতিষ্ট হয়ে তাদের পরিবার তাদেরকে বাড়ী থেকে বেড় করে দিয়েছে। দেহ ব্যবসা সহ নানা রকম অনৈতিক কাজে তারা জড়িত।ইতিপূর্বেও তারা প্রতারনার ফাঁদে ফেলে বহুজনকে হয়রানী করেছে।গ্রামের মুরুব্বীদেরকে তারা মানে না কিংবা মুরুব্বীরা কোন বিধি নিষেধ দিলে উল্টো তাদেরকে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।এমতাবস্থায় চলমান এই প্রতারনার জন্য আমরা অভিযোগকারীদেরকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি। ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, এটি একটি স্পর্শ কাতর বিষয় ।অর্থ আদান প্রদানের কোন ডকুমেন্ট না থাকায় তদন্ত কাজে অসুবিধা হওয়ার পরও আমরা সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছি।তদন্তে প্রমানিত হলে অবশ্যই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

২৩,০৮.২০২০

Facebook Comments Box