এইচএসসি বিষয়: BANGLA ১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
এইচএসসি বিষয়: BANGLA ১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেসবুকে ৩০ জুলাই এসএসসি ফল প্রকাশের গুঞ্জনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান শিক্ষা বোর্ডের ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ এশিয়ার ৬ দেশ: জেনে নিন তালিকা দেশের ৯ ব্র্যান্ডের টুথপেস্টে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক নাগেশ্বরীতে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ভ্রাম্যমান সৌরসেচ ব্যবস্থা বিতরণ কাউনিয়ায় মসজিদ থেকে একের পর এক মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চুরি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের ৮টি ছাড়া সবগুলোতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক ভাইরাল রিল ভিডিও: প্রধান শিক্ষিকা বিউটি পালের পাশে সহকর্মীরা, ‘শিক্ষকরাও মানুষ’ যাদুকাটায় প্রশাসনের অভিযানে বালু খেকোদের হামলা শুভ সকাল; আজ রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬: আজকের পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা ভূরুঙ্গামারীতে নসিমনের চাপায় চালক নিহত

এইচএসসি বিষয়: BANGLA ১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১

 

অ্যাসাইনমেন্টঃ

অপরিচিতা গল্প এবং বাস্তব দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে নারীর এগিয়ে চলার পথে সহায়ক ভূমিকা চিহ্নিতকরণ।

শিখনফল ও বিষয়বস্তুঃ

নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে পারবে। ।আরো জেনে নিন>>এইচএসসি বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১, 

সুযোগ ও সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করবে।

 



 

নির্দেশনাঃ

অপরিচিতা গল্প অনুসরণে কল্যাণীর সংকট এবং এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তার দৃঢ়চেতা মনোভাবের পরিচয়।

অনুপম এবং অন্যদের ভূমিকা ইতিবাচক হলে কল্যাণের জীবন কেমন হতে পারত এর বিবরণ

বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে চেনাজানা কোন নারীর এগিয়ে চলার পথে প্রতিবন্ধকতাগুলো নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা।

পঠিত গল্প ও চেনাজানা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নারীর এগিয়ে চলার পথে সহায়ক ভূমিকা গুলি চিহ্নিত করা।

অপরিচিতা গল্প এবং বাস্তব দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে নারীদের এগিয়ে চলার পথে সহায়ক ভূমিকা গুলো তুলে ধরা হলো।

অপরিচিতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অনবদ্য ছোটগল্প। এই গল্পের প্রধান চরিত্র কল্যাণী তৎকালীন সমাজের যৌতুক প্রথার ভয়াবহতার শিকার হয়েছে। কিন্তু অপরিচিতা গল্পের কল্যাণী তৎকালীন সমাজের আর দশটা মেয়ের মতো ভেঙে পড়েননি। তিনি তাঁর দৃঢ় মনোবল ও সাহস নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গিয়েছেন। মূলত অপরিচিতা গল্পের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নারীদের সামাজিক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ গল্পের প্রধান চরিত্র কল্যাণী। এই গল্পে কল্যাণের অনুপমের সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছিল। তৎকালীন সমাজের যৌতুকের কারণে তাঁর বিয়েটা ভেঙ্গে যায়। পরবর্তীতে কল্যাণী তার দৃঢ় মনোবল নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যান এবং বাচ্চাদের লেখাপড়া করার দায়িত্ব নেন। জেনে নিন>>এইচ এস সি পদার্থ বিজ্ঞান এ্যাসাইনমেন্ট প্রথম সপ্তাহ

 



অনুপমের এবং অন্যদের ভূমিকা ইতিবাচক হলে কল্যাণীর জীবন অনুপমের সাথে সুখে-শান্তিতে কাটতে পারতো। যা একটি সুন্দর এবং সুশীল সমাজের দায়িত্ব। কিন্তু অনুপমের মা এবং মামার যৌতুক এবং লোভী মনোভাবের কারণেও অনুপমের ভীতু ও ব্যর্থ মনোভাবের কারণে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। কিন্তু কল্যাণী থেমে থাকেনি। অনুপম ধরেই নিয়েছিল কল্যাণীর বাবা কোন একদিন তার কাছে তার মেয়ের বিয়ের জন্য এসে হাত পাতবে। কল্যাণী তার জীবনের ঘটে যাওয়া ঘটনা কে তুচ্ছ করে সামনের দিকে এগিয়ে গিয়েছেন। যা সমাজে নারীদের অগ্রযাত্রার একটি অনন্য সুন্দর উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়। অপরিচিতা গল্পে যার বড় উদাহরন সর্বশেষে কল্যাণীর অনুপম কে ফিরিয়ে দেওয়া।

আমাদের বর্তমান সমাজের নারীরা নানান বাধা এবং কুসংস্কার পেরিয়ে অগ্রযাত্রায় অভিমুখ হচ্ছে। তারা জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিক্ষিত হয়ে নানান কাজে নিজেদেরকে নিয়োজিত করছে। যার ফলে মেয়েদেরকে এখন আর পরনির্ভরশীল হতে হচ্ছে না। যেটা অপরিচিতা ছোটগল্পের সমাজের প্রেক্ষাপটে কঠিন হল কল্যাণী তা করে দেখিয়েছিলেন। বর্তমান সমাজে এমন হাজারো কল্যাণী দেখা দেয় যারা জীবনের অনেক বড় বড় বাধা পেরিয়ে জীবনের চরম লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন।

উদাহরনঃ

আরও জানুন>>HSC পদার্থ ২য় পত্র ৫ম অধ্যায় ক প্রশ্ন ও উত্তর

যেমন অষ্টম শ্রেণির ইংরেজি বই তে উল্লেখিত শামীমার জীবনের গল্প পড়লে বোঝা যায়। যা অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া একটি মেয়ের বাস্তব জীবন থেকে গৃহীত। শামীমা আর অতি অতি ছোটকালে বিয়ে হলেও যৌতুকের জন্য তার শামিল অসহ্য নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাসায় ফিরে একা বসে থাকেননি। তিনি নিজে একটি বুটিক দিয়েছেন এবং সেখানে আরো অন্যান্য মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। মোটকথা সমাজের নানান প্রতিকুলতা কুসংস্কার পেরিয়ে নারীদের সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য অপরিচিতা গল্পের কল্যাণী এবং স্বামীর মত মেয়েরা সামনে থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে গেছেন। যা আগামী দিনের মেয়েদের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

 



অথবা নিচের টি লেখা যাবে

১) অপরিচিতা গল্পে কল্যাণীর সংকট হলো সঠিক সময়ে বিবাহ না হওয়া।

মেয়ের বয়স পনেরো শুনে লেখকের মামার মন ভার হলো। কারণ তিনি মনে করলেন যে, ঐ মেয়ের বংশে কোন দোষ আছে। তখন আট থেকে দশ বছর বয়সের মধ্যে কন্যার বিয়ে দেওয়ার রীতি ছিল। এ সময়ের মধ্যে মেয়ের বিয়ে না হলে মনে করা হতো যে মেয়ের বংশে কোন দোষ আছে। যে কারণে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না। যে মেয়ের সাথে অনুপমের বিয়ের কথা চলছিল তার বয়স পনেরো। পনেরো বছর বয়সেও মেয়ের বিয়ে হয়নি,এমনটি ভেবে অনুপমের মামার মন ভার হলো।
কল্যাণী উচ্চশিক্ষিতা,রুচিশীল মেয়ে। শিক্ষকতাকে তিনি জীবনের ব্রত হিসাবে নিয়েছেন। তার শিক্ষাদীক্ষার কারণে বিবাহের সংকট দৃঢ়তার সাথে মোকাবেলা করেছেন।

২)অপরিচিতা গল্পে কল্যাণী ছিল বেশ সুন্দরী ও প্রাণচঞ্জল। আর পিতা শম্ভুনাথ বাবু ছিলেন স্পষ্টভাষী ও একজন সুপুরুষ ব্যক্তি, অন্যদিকে অনুপমের মামা বিয়ের পণ, যৌতুক সম্পর্কে কোন প্রকার ছাড় বা আপস করতে রাজি নন। এখানেই গল্পের কাহিনী জটিলতায় রূপ নেয়। রীতিমতো বেশ আয়োজনের মধ্যে দিয়ে যদিও বিয়ের কাজ শুরু হয়েছিল,কিন্তু এক পর্যায়ে দেনা পাওনা কারণে সব আনন্দ আয়োজন এক মুহুর্তেই ধূলিস্যাৎ হয়ে যায় অর্থ্যাৎ যৌতুকের জন্য বিয়ে ভেঙ্গে যায়।এই গল্পে অনুপমের চরিত্রের সীমাহীন দুর্বলতা ও নিবুদ্ধিতার পরিচয় পাওয়া যায়। অনুপম ও তার মামা ভুমিকা যদি ইতিবাচক হতো তাহলে কল্যাণীর সংসার সুখময় হতো বলে আমি মনে করি।  বিবাহ ভেঙে যাওয়ায় প্রধান কারণ হলো অনুপমের দুর্বলতা ও তার মামা যৌতুক প্রবনতা।

 



 

৩) পঠিত গল্প অনুসারে নারীকে এগিয়ে চলার পথে প্রতিবন্ধকতাগুলো হলো:

ক)শিক্ষার অভাব

খ)কুসংস্কার
গ)ধর্মীয় গোঁড়ামি

ঘ)পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা

নারী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় নিম্নে ব্যাখা করা হলো

”বিশ্বে যা কিছু মহান চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।”

সাম্যবাদী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই সত্য উচ্চারণ করলেও আজও আমাদের সমাজে তার যথাযথ স্বীকারোক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও আজও মানুষের ধ্যান-ধারণার তেমন পরিবর্তন হয়নি। এখনও সমাজের প্রতিটি স্তরে স্তরে নারীদের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়।

অশিক্ষা, দারিদ্র্য আর কুসংস্কারে ডুবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীর প্রথম বাধাটা আসে পরিবার থেকে। অভিধানে ‘উন্নয়নে নারী বা নারী উন্নয়ন’ একটি অতি আধুনিক সংযোজন। এই ধারণা বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকার করে। নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন দুটি বিষয়ই একটি অন্যটির পরিপূরক। নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে নারী উন্নয়ন বিষয়টি বিশেষ ভূমিকা রাখে।

 



বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতেই যেখানে নারীদের পদযাত্রায় বারবার হোঁচট খেতে হয়, সেখানে তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশের নারী হিসেবে বাঙালি নারীদের প্রতিটি পদক্ষেপে অনেক বেশি প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়। অশিক্ষা, কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা নারী উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। অথচ সময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা আজ শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ নেই, নারীরা পৌঁছে গেছেন বিমানের ককপিট থেকে পর্বতশৃঙ্গে। দশভুজা নারী ঘরে-বাইরে নিজেকে আলােকিত করছেন নিজ প্রজ্ঞা আর মেধা দিয়ে। বর্তমানে এমন কোনো পেশা নেই যেখানে নারীর মর্যাদাপূর্ণ উপস্থিতি নেই। দেশে এখন প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দু’জন নারী। জাতীয় সংসদের স্পিকার একজন নারী। বর্তমানে সবক্ষেত্রেই রয়েছে নারীর পদচারণা।

আরও জানুন>>মডেল টেষ্ট-২৮ (সাধারণ জ্ঞান ) সহকারি শিক্ষক নিয়োগ ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামুলক পরীক্ষা

নারীর সমাধিকার ও নারীমুক্তির কথা যতই বলা হােক না কেন- উন্নত, অনুন্নত, উন্নয়নশীল সব দেশেই নারীরা কম-বেশি সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার। সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও নারীর প্রতি সহিংসতার চিত্র সবক্ষেত্রে প্রায় একই। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশই নারী, কিন্তু নারীর অগ্রগতি ও উন্নয়ন পরিলক্ষিত হচ্ছে। খুব অল্প সংখ্যক নারীর মধ্যেই। তাদের অনেকেই নিজের সিদ্ধান্তে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারেন না এবং নিজের বস্তুগত ক্ষমতার পরিসরও স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে বাধাগ্রস্ত হন। নারীশিক্ষার বিষয়টি আমাদের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে অপরিহার্যভাবে জড়িত। নেপােলিয়ন বলেছিলেন, ‘আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি শিক্ষিত জাতি দেব।’ এ বিষয়ে আরবিতেও। একটি প্রবাদ আছে, ‘একজন পুরুষ মানুষকে শিক্ষা দেওয়া মানে একজন ব্যক্তিকে শিক্ষা দেওয়া। আর একজন নারীকে শিক্ষা দেওয়া মানে একটি গোটা পরিবারকে শিক্ষিত করে তোলা।’ তাই নারীশিক্ষার গুরুত্ব বর্ণনাতীত। তথাপি শিক্ষা ক্ষেত্রেও এ বৈষম্যের কোনো শেষ নেই। যদিও শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে এখন নারীদের অংশগ্রহণ শতভাগ।



মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। বাংলাদেশের সংবিধান দ্বারাও তা স্বীকৃত। কিন্তু প্রায় ৫০ বছরেও তা আমরা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্রের অভাব ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পিছিয়ে দিচ্ছে নারীর উন্নয়ন যাত্রাকে। প্রচার মাধ্যমগুলােতে নারীর নেতিবাচক উপস্থাপন বন্ধ হতে হবে। নারী কোনো পণ্য নয়। নারীদের নিজেদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। নারী-পুরুষের সমান স্বার্থ রক্ষাকারী আইন প্রবর্তন ও আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। নারীশিক্ষা ও নারীর মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে। নারীকে তার কাজের যথাযথ স্বীকৃতি দিতে হবে। নারীর কাজকে ছােট করে দেখা চলবে না। নারীর কাজের মূল্যায়ন হতে হবে। সর্বোপরি, নারীর প্রতি ইতিবাচক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

ফ্রেডরিক অ্যাঙ্গেলস তার ‘অরিজিন অব দ্য ফ্যামিলি’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘নারীমুক্তি তখনই সম্ভব যখন নারীরা সমাজের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে সমগুরুত্ব নিয়ে অংশগ্রহণ করবে।’ তাই নারীর নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা, নারীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নারী-পুরুষ উভয়ের অন্তর্ভুক্তিতেই উন্নয়নের দেখা পাওয়া সম্ভব। এভাবেই নারীরা এগিয়ে যাবেন, তাদের ভবিষ্যৎ হবে কণ্টকমুক্ত।

৪) পঠিত গল্প অনুসারে নারীকে এগিয়ে চলার পথে সহায়ক ভুমিকা হলো

১)সর্বত্র নারীর শুধু অংশগ্রহণ বাড়ালে চলবে না, তার গুণগত উন্নয়ন জরুরি কোনাে দেশের উন্নয়নের জন্য নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন গুরুত্বপূর্ণ নারীকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে ।



২) নারীর অনানুষ্ঠানিক কাজের অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা দরকার ।

৩) কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গ সংবেদনশীল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে ।

৪) মেয়ে ও ছেলেশিশুর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। সবার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থানের পূর্ণ ব্যবস্থা করতে হবে ।

৫) নারীবান্ধব আইনগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন জরুরি ।

৬) কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করতে হবে ।

৭) নারীর উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বে আরও ক্ষমতায়ন প্রয়ােজন ।

 





Please Share This Post in Your Social Media

7 responses to “এইচএসসি বিষয়: BANGLA ১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!