ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ না থাকায়, কেন ওই ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়েও আদালত ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
বুধবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই রুল জারি করেন। রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান।
আদালত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) সচিব, আইন সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
রিটকারী আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান জানান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে গ্রাম আদালত পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তিনি তিন লাখ টাকা মূল্যমান পর্যন্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিষয়ে আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। অথচ, একই ধরনের বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগকারী একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। বর্তমান আইনে ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক না থাকায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারাটি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
Leave a Reply