গাজী নজরুলের দ্বিতীয় বিয়ে ও কাবিননামা নিয়ে নতুন বিতর্ক
- আপডেট সময় : ১১:১২:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওর পর এবার জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় বিয়ে ও কাবিননামাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিয়ে নিবন্ধনকারী কাজী বাকীবিল্লাহর একটি ফোনালাপের অডিও ক্লিপ জনসমক্ষে আসার পর থেকেই বিয়ের তারিখ ও নথিপত্রের সত্যতা নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ছড়িয়ে পড়া ওই অডিও ক্লিপে কাজী বাকীবিল্লাহকে বলতে শোনা যায়, বিয়ের প্রয়োজনীয় সম্মতি কনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ মুঠোফোনে দিয়েছিলেন। এরপর ২১ জুলাই সকালে কনে মরিয়ম খাতুন ও তার অভিভাবকরা উপস্থিত হয়ে কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন। অথচ সরকারি নথিতে বিয়ের তারিখ ১৭ জুলাই উল্লেখ করা হয়েছে। কনের বয়স সম্পর্কে কাজী জানান, মুঠোফোনে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই কাবিননামাটি তৈরি করা হয়েছিল এবং সেখানে কনের বয়স ১৮ বছর ৩ মাস উল্লেখ ছিল।
এর আগে, ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছিলেন যে, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং শ্যালক বা শ্বশুরকে নিয়ে মগবাজারে তার ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তাকে জিম্মি করে জোরপূর্বক টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয় এবং গোপনে ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করে পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এমপি নজরুলের দাবি, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এই দাবির পক্ষে প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবা পৃথক ভিডিও বার্তায় বক্তব্য দিয়েছিলেন।
ভিডিওর স্থান, কথোপকথন ও ঘটনার বর্ণনায় বিভিন্ন সময় অসঙ্গতি ধরা পড়লেও, কাজী বাকীবিল্লাহর ফাঁস হওয়া ফোনালাপের পর পুরো বিষয়টি নিয়ে সংশয় আরও ঘনীভূত হয়েছে। কাবিননামার তারিখ, পেছনের চুক্তি এবং স্বাক্ষরের সঠিক সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


























