গাজায় গণহত্যায় জড়িতদের বিচার চেয়ে কঠোর হুশিয়ারি শেখ তামিমের
- আপডেট সময় : ১২:১২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
গাজ্জা উপত্যকায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলা ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দোহায় শুরা কাউন্সিলের ৫৫তম বার্ষিক অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, গাজ্জায় যা ঘটছে তা নিঃসন্দেহে গণহত্যা এবং এর সাথে জড়িত অপরাধীদের কোনোভাবেই রেহাই দেওয়া যাবে না।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাত ও ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ। নিহত ও আহতদের বড় একটি অংশই নারী ও শিশু। এছাড়া উপত্যকাটির প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে ২৪ লাখ ফিলিস্তিনির মধ্যে প্রায় ২১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে চরম মানবিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র মানবিক সংকটের মধ্যেই তাদের জীবনযাপন করতে হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বিচারিক অঙ্গনেও এই সংঘাত নিয়ে গুরুত্বের সাথে বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পাশাপাশি, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার শুনানি পরিচালনা করছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে), যেখানে বেশ কয়েকটি দেশও পক্ষভুক্ত হয়েছে। এই মামলায় কয়েকটি দেশও যোগ দিয়েছে।
কাতারের আমির বলেন, অঞ্চলটিকে স্থিতিশীল ও নিরাপদ রাখতে কাতার তার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে নিরলস কাজ চালিয়ে যাবে। যদিও কাতার, মিসর ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, তবুও সংঘাত থামেনি। যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলায় আরও ১ হাজার ৪৯৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ২৯৯ জন আহত হয়েছেন। একইসাথে ইসরায়েল গাজ্জায় খাদ্য, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী প্রবেশের পথগুলোও অবরুদ্ধ করে রেখেছে। গাজ্জায় ইসরাইলের যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টায় কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। কাতারের আমীর আরও বলেন, “আমরা আমাদের ভাই এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখব, যাতে আমাদের অঞ্চল স্থিতিশীল ও নিরাপদ থাকে।”। তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরও গাজ্জায় দখলদার অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলি গণহত্যা অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া গাজ্জায় প্রবেশের জন্য নির্ধারিত খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী, আশ্রয় সামগ্রী এবং তৈরি আবাসিক ঘরের পরিমাণও ইসরাইল আটকে দিচ্ছে।
সূত্র: গালফ বাংলা
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























