দুই মাসে ১ হাজার খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৯:৩৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
সারা দেশে কিশোর-কিশোরী ও তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আগামী দুই মাসের মধ্যে সারাদেশে কমপক্ষে ১ হাজার খেলার মাঠ প্রস্তুত করার নির্দেশনা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। আগামী প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং মাঠগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রতি দুই থেকে তিনটি ওয়ার্ডের জন্য অন্তত একটি করে খেলার মাঠ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা উত্তর এলাকায় ৪০টি এবং দক্ষিণ এলাকায় ৯০টি মাঠ খেলার উপযোগী করে তোলা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নেই এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ২৭টি জেলায় খেলার মাঠের জন্য ৪০৩টি খাসজমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি মাঠের আয়তন তিন থেকে আট বিঘা রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নতুন এই ক্রীড়া প্রকল্পের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনসহ মোট ১০টি ইভেন্টে প্রায় ১৪ লাখ কিশোর-কিশোরীকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা থেকে প্রধানমন্ত্রী একযোগে সারা দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এই ক্রীড়া কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রতিটি উপজেলায় মাঠগুলোর দেখভালের জন্য একজন করে ক্রীড়া কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্তও হয়েছে।
বৈঠকে দখল হয়ে যাওয়া খেলার মাঠ উদ্ধার, বিদ্যমান উপজেলা স্টেডিয়ামগুলো সচল করা এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিয়মিত খেলাধুলা ও ক্রীড়া ক্লাব কার্যক্রম চালু করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সুস্থ ও ক্রীড়াবান্ধব প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান।
এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আবদুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন সভায় অংশ নেন।
সূত্র: দৈনিক এদিন


























