ধর্ম-বর্ণ পরিচয় বাধা হবে না, উন্নয়ন হবে সবার: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৭:০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো নাগরিকের ধর্ম, বর্ণ বা পরিচয় তাদের অধিকার ও সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারবে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব, সর্বোচ্চ করার চেষ্টা করব।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, সভায় হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার কর্তৃক সরকারি ছুটি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আনন্দ বহুগুণ বেড়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং জানান, সরকার দেশের সব সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সামর্থ্য অনুযায়ী সব যৌক্তিক দাবি ও সমস্যা গুরুত্বের সাথে সমাধান করা হবে। এ সময় প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালে তিনি দুর্গাপূজা ও কঠিন চীবর দান উপলক্ষে দেশের সব নাগরিকের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৫ কোটি টাকা এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে তাদের ধর্মীয় উৎসবের জন্য ৩ কোটি টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। জানা যায়, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ৪ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিবেচনায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেন। একইভাবে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ২ কোটি টাকা চাইলেও তিনি ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।
বরাদ্দের এই অর্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরাসরি সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেওয়া হবে। এ বাড়তি অনুদানের জন্য প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এই মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী ও সুবর্ণা ঠাকুর শিকদার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা এবং বিএনপির অমলেন্দু দাস অপু ও সুশীল চন্দ্র বড়ুয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।
সূত্র: দৈনিক এদিন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























