ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাণীশংকৈলে জামিনের ৫ দিন পর ফের ইয়াবাসহ গ্রেফতার মাদক কারবারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেই আগামীর বিশ্ব গড়বে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিবগঞ্জে পিস্তল ও গুলিসহ আটক ২ ফরিদপুরের মধুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাণহানি নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ: অস্কারজয়ী সুসান সারান্ডনসহ গ্রেপ্তার প্রায় ১০০ শি জিনপিংয়ের সম্মানে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ নৈশভোজ ঢাকা কর অঞ্চল-১ এ ৩৪ পদে নিয়োগ প্রকাশ কাতারে গ্রীষ্মকালীন নিয়ম অমান্য: ৩৮৮টি কর্মক্ষেত্র সাময়িকভাবে বন্ধ এশিয়ান গেমসে আফগানিস্তানকে হারিয়ে নেপালের বড় অঘটন রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোকচিত্রের দ্বিশতবর্ষ পূর্তি উদ্‌যাপন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেই আগামীর বিশ্ব গড়বে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলায় দেওয়া ভাষণে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ব বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়ো-টেকনোলজি এবং বিজ্ঞানের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।

তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চললেও বর্তমানে এর সুযোগ সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সক্ষমতা ও তরুণ জনগোষ্ঠীর অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে জ্ঞান, গবেষণা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমান সুযোগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে নতুন কোনো বৈষম্যের কারণ না হয়, সেদিকে তিনি বিশেষ সতর্কবার্তা দেন। তারেক রহমান বলেন, আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।

বাংলাদেশ উদ্ভাবন এবং মেধাস্বত্বকে যথাযথ গুরুত্ব ও সম্মান প্রদান করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর অত্যন্ত জরুরি। বৈশ্বিক বিজ্ঞানের এই অগ্রযাত্রায় যেন কোনো দেশই পিছিয়ে না থাকে, সে বিষয়ে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সবার জন্য একটি ন্যায্য ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলাদেশ সব দেশের সাথে মিলে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পরিশেষে তারেক রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত বিস্তার ও এর ইতিবাচক সুফল সব দেশে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য জাতিসংঘের অধীনে একটি কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেই আগামীর বিশ্ব গড়বে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলায় দেওয়া ভাষণে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ব বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়ো-টেকনোলজি এবং বিজ্ঞানের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে।

তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চললেও বর্তমানে এর সুযোগ সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সক্ষমতা ও তরুণ জনগোষ্ঠীর অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে জ্ঞান, গবেষণা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমান সুযোগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। ডিজিটাল বিভাজন যেন ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে নতুন কোনো বৈষম্যের কারণ না হয়, সেদিকে তিনি বিশেষ সতর্কবার্তা দেন। তারেক রহমান বলেন, আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।

বাংলাদেশ উদ্ভাবন এবং মেধাস্বত্বকে যথাযথ গুরুত্ব ও সম্মান প্রদান করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর অত্যন্ত জরুরি। বৈশ্বিক বিজ্ঞানের এই অগ্রযাত্রায় যেন কোনো দেশই পিছিয়ে না থাকে, সে বিষয়ে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সবার জন্য একটি ন্যায্য ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলাদেশ সব দেশের সাথে মিলে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

পরিশেষে তারেক রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত বিস্তার ও এর ইতিবাচক সুফল সব দেশে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য জাতিসংঘের অধীনে একটি কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

Facebook Comments Box