ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একাত্তরের অবস্থান পরোক্ষভাবে মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর বায়োপিকে রাশমিকা মান্দানা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ ফ্যাকাল্টি ও বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি রাজশাহীতে অবরুদ্ধ সাবেক ওসি, ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে উদ্ধার ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ: প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদের মৌখিক পরীক্ষা ১ অক্টোবর থার্ড টার্মিনাল: যাত্রীসেবায় ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা মেনজিসের সিরাজগঞ্জে আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর রাজস্ব আয়ের ঘাটতি মেটাতে নতুন ঋণের খোঁজে সরকার সরকারি চাকরিতে তদবিরে কড়াকড়ি: নথিতে থাকবে আজীবন রেকর্ড ব্যান্টনের ঝোড়ো ইনিংসে সিরিজ জয় ইংল্যান্ডের

রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতাদের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের ক্ষমতা পাচ্ছেন

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতাদের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের ক্ষমতা পাচ্ছেন

 

রাশিয়ার ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কসংক্রান্ত বিল অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ। স্থানীয় সময় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত এই পরিষদে বিলটি ২৬২-১৫৯ ভোটে পাস হয়। এর আগে গত মাসে মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি অনুমোদিত হয়েছিল। এখন বিলটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি স্বাক্ষর করলেই এটি চূড়ান্ত আইনে পরিণত হবে।

‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ শিরোনামের এই বিলে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি খাতের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রুশ তেল পরিবহনে ব্যবহৃত তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ট্যাংকারগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এই আইনে।

 

পড়ুন>>স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন সমীকরণ: প্রতীকহীন ভোটে বাড়ছে দায়বদ্ধতা

এই আইনের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো—রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের বড় আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে প্রদান। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ক্ষমতার আওতায় চীন ও ভারতের মতো বড় আমদানিকারক দেশগুলোও পড়তে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই বিলটি কংগ্রেসে গতি পেয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিলটি পাসের পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং মার্কিন আইনপ্রণেতাদের রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন।

 

বিলটি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে কিছুটা মতভেদও দেখা গেছে। কিছু ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা আশঙ্কা করছেন যে, প্রেসিডেন্টকে এই বিশাল শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হলে তা ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট গ্রেগরি মিক্স বিলটির কিছু নির্দিষ্ট বিধানের সমালোচনা করেছেন।

 

উল্লেখ্য, এই বিলটির মূল উদ্যোক্তাদের একজন ছিলেন প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। এখন ট্রাম্পের অনুমোদনের পরই কেবল এই ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতাদের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের ক্ষমতা পাচ্ছেন

আপডেট সময় : ০২:১৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

রাশিয়ার জ্বালানি ক্রেতাদের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের ক্ষমতা পাচ্ছেন

 

রাশিয়ার ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে নতুন একটি নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কসংক্রান্ত বিল অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ। স্থানীয় সময় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত এই পরিষদে বিলটি ২৬২-১৫৯ ভোটে পাস হয়। এর আগে গত মাসে মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে বিলটি অনুমোদিত হয়েছিল। এখন বিলটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি স্বাক্ষর করলেই এটি চূড়ান্ত আইনে পরিণত হবে।

‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ শিরোনামের এই বিলে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি খাতের পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রুশ তেল পরিবহনে ব্যবহৃত তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ট্যাংকারগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এই আইনে।

 

পড়ুন>>স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন সমীকরণ: প্রতীকহীন ভোটে বাড়ছে দায়বদ্ধতা

এই আইনের সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো—রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের বড় আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে প্রদান। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ক্ষমতার আওতায় চীন ও ভারতের মতো বড় আমদানিকারক দেশগুলোও পড়তে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই বিলটি কংগ্রেসে গতি পেয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিলটি পাসের পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং মার্কিন আইনপ্রণেতাদের রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন।

 

বিলটি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে কিছুটা মতভেদও দেখা গেছে। কিছু ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা আশঙ্কা করছেন যে, প্রেসিডেন্টকে এই বিশাল শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হলে তা ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট গ্রেগরি মিক্স বিলটির কিছু নির্দিষ্ট বিধানের সমালোচনা করেছেন।

 

উল্লেখ্য, এই বিলটির মূল উদ্যোক্তাদের একজন ছিলেন প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। এখন ট্রাম্পের অনুমোদনের পরই কেবল এই ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।

 

 

 

Facebook Comments Box