সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ বিলের প্রতিবাদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ বিলের প্রতিবাদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চীনা উদ্যোক্তাদের আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের কানাডায় নতুন সিনেমায় জুটি বাঁধছেন জায়েদ খান ও অধরা খান নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৩০, নিখোঁজ সহস্রাধিক সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ বিলের প্রতিবাদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট কুড়িগ্রামের দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, নতুন প্রত্যাশায় জেলাবাসী মক্কায় বিশেষ প্রার্থনা ও তরুণদের প্রতি রাখি সাওয়ান্তের আবেগঘন বার্তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের কাছে প্রস্তাব ও ইন্টারপোলে রেড নোটিশের আবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগ আমলে না নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে ইউজিসি চট্টগ্রামে রবির এলিট পার্টনার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ: নতুন অংশীদার ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান

সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ বিলের প্রতিবাদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

সৃষ্টি ডেস্ক :
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের পরিবর্তে আংশিক সংস্কারের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল উত্থাপনের ঠিক আগ মুহূর্তে তারা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন। রাত ৮টা ৬ মিনিটে বিরোধী দলীয় সদস্যরা সংসদ থেকে বেরিয়ে যান এবং পরে গণমাধ্যমের সামনে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর আইন প্রণয়ন কার্যক্রম শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পান বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না হওয়ায় তিনি তীব্র সমালোচনা করেন। এরপরই বিতর্কিত বিল দুটির কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বিরোধী দলীয় সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে নিয়ম অনুযায়ী এসব অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হয়, যার অনুমোদন বা অননুমোদনের শেষ সময়সীমা ছিল ১০ এপ্রিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে উত্থাপন করা না হওয়ায় সেগুলো কার্যকারিতা হারায়। এছাড়া সাতটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছিল।

গুম প্রতিরোধ, পুলিশ কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশসহ যে ১৬টি অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ে বিলে রূপান্তরিত হয়নি, সেগুলো অধিকতর যাচাই-বাছাই করে নতুন করে বিল আকারে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার। এর মধ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশটিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। অন্যদিকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলনের জন্য ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে একটি বিল পাস করা হয়েছিল। সে সময় সরকার মানবাধিকার কমিশন আইনকে আরও শক্তিশালী করার আশ্বাস দিয়েছিল।

এই ধারাবাহিকতায় গত ৩ আগস্ট গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া এবং ১০ আগস্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায়। তবে এই খসড়াগুলো অনুমোদনের পর থেকেই মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে উদ্বেগ ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে খসড়ার কয়েকটি নির্দিষ্ট বিধান নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে জোরালো আপত্তি তোলা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!